Translate

Search This Blog

বিশেষ সতর্কবার্তাঃ

এই ব্লগটি নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, সন্দেহবাদী, মুক্তমনা এবং স্বাধীনচেতা মানুষদের জন্য। যারা যেকোন বিষয়ের সমালোচনা সহ্য করার মত ক্ষমতা রাখে। যদি কোন ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিক এই ব্লগটিতে আসে তবে তার ধর্মানুভূতি নামের অদ্ভূত দূর্বল অনিভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হলে ব্লগ লেখক দায়ী থাকবে না। ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিকদের নিজ দায়িত্বে তাদের দূর্বল ধর্মানুভূতিকে সংরক্ষনের দায়িত্ব নিতে হবে। কারো ধর্মানুভূতি নামের অযৌক্তিক অনুভূতি আহত হবার জন্য কোন ক্রমেই ব্লগার বা লেখককে দায়ী করা যাবে না। যদি কোন অতি দুর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগে ভূল করে ঢুকে পরেন এবং তিনি তার অনুভূতিকে দূর্বল ভাবেন অর্থাৎ যিনি তার ধর্মের উপযুক্ত সমালোচনা সহ্য করতে অপারগ, তাকে বিনীত ভাবে এই ব্লগটি থেকে প্রস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এর পরেও যদি কোন দূর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগটিতে ঘুরাফেরা করেন এবং তার ফলে তার দূর্বল ধর্মানুভূতিতে আঘাত প্রাপ্ত হন তবে কোন ক্রমেই এবং কোন ক্রমেই ব্লগের মালিক, 'আমি নাস্তিক' দায়ী থাকবে না।

Sunday, March 1, 2015

হাহ্ হাহ্ হাহ্ ওহী ! সৃষ্টিকর্তার বাণী (পর্ব ৮)



আল মুরআল
সূরা মালাওন, আয়াত ১৬৯৯,

"তারা কি বলে যে ওরা মালাওন ? প্রকৃতপক্ষে তারাই মালাওনওদের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে কোন পার্থক্যতো নেই? তারা সবাই অন্ধবিশ্বাসী ও কুসংস্কারাচ্ছন্নওরা করে মূর্তি পুঁজা আর তারা করে পাথর পুঁজাগোবরে আর বিষ্ঠাতে কি খুব বেশী পার্থক্য? যদি তারা বুঝতো!"

"তারা ভাবে তারা ওদের চেয়ে উৎকৃষ্ট, তারা শ্রেষ্ট জাতি এই বিশ্বজগতেরকিন্তু তারা কি জানে তারা কতটা তুচ্ছ এই বিশ্বজগতের কাছে ? বস্তুত তারা একটি পিছিয়ে পড়া মানব গোষ্ঠি মাত্রমালুদের থেকে তুচ্ছ মালাওন তারাইএর চেয়ে বড় নিদর্শন আছে কি?"

ব্যাখ্যাঃ পৃথিবীর কিছু কিছু কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষ ভাবে তারাই বড় মাপের মানুষপৃথিবীতে তারাই শ্রেষ্ট জাতিতারা এটা ভাবে আর নিজেরাই গর্ববোধ করেপৃথিবীর অন্যান্য মানব জাতিকে তারা তুচ্ছ জ্ঞান করেতারা একটা নির্দিষ্ট জনগোষ্টিকে নিচু শ্রেণীর মানুষ বলে মনে করেতারা ভাবে, তারা ওই মানুষদের থেকে উন্নত জাতিতাই তারা অহংকারে ওদেরকে মালাওন বলে ডেকে তৃপ্তি পায়কিন্তু সৃষ্টিকর্তা বলছেন, তারা উন্নত জাতি নয়তারাও সেই সব মালাওনদের মতই নিকৃষ্ট জাতিযারা অন্ধবিশ্বাস এ কুসংস্কারকে আকড়ে ধরে বসে থাকে এবং নিজেদের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসকে সব চেয়ে বড় করে দেখে তাদের থেকে নিকৃষ্টপ্রাণী বিশ্বজগতে আর নেইমুলত তারাও (সেই অহঙ্কারী জাতি) তাদের মতই মালাওনের চেয়েও বড় মালাওন, নিকৃষ্টের চেয়েও বড় নিকৃষ্টতর
যারা নিজেদেরকে অন্য মানুষ থেকে শ্রেষ্ট মনে করে এবং তাদের কুসংস্কারকে এবং অন্ধবিশ্বাসকে বড় করে দেখে সৃষ্টিকর্তার ভাষায় তাদের থেকে বড় নিকৃষ্ট বিশ্বজগতে আর নেই


তারা (সেই অহঙ্কারী মানুষগুলো) ভাবে তারা যে কুসংস্কারগুলোকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে চলেছে সেই কুসংস্কারগুলোই হল বিশ্বজগতের সব থেকে বড় জ্ঞানকিন্তু সৃষ্টিকর্তা বলছেন তারা যেটাকে সব চেয়ে বড় জ্ঞান মনে করছে সেটা সব চেয়ে বড় কুসংস্কার

কিন্তু প্রকৃত জ্ঞান পৃথিবীতে এসে গেছে আর প্রমাণিত হয়ে গেছে প্রকৃত জ্ঞান কোনটা আর কুসংস্কার কোনটাযারা প্রকৃত জ্ঞানকে না মেনে কুসংস্কারকে মেনে নেয় তারাই সব থেকে নিকৃষ্ট, তারাই মালাওন (ঘৃনিত  জাতি)
অথচ তারা কুসংস্কারকে অন্ধবিশ্বাস করে নিজেদেরকে শ্রেষ্ট মনে করছে; ভাবছে তারাই বিশ্বজগতের সব থেকে শ্রেষ্ট জাতিকিন্তু সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে বলছেন যে তারা বিশ্বজগতের কাছে কিছুই নাতারা বিশ্বজগতের কাছে তুচ্ছ গোবর বা বিষ্ঠার মতই তুচ্ছ
তারা অন্যদেরকে তুচ্ছ মনে করে কিন্তু সৃষ্টিকর্তা বলছেন তারাওতো ওদের মত (অন্যদের মতো) কুসংস্কারের চর্চা করে, তারাওতো ওদের মতই অন্ধবিশ্বাসী কুসংস্কারাচ্ছন্নওরা যেমন মুর্তি পুজার মত ফাল্তু কাজ করে ঠিক তারাওতো একটা তুচ্ছ পাথরকে পুজা করেপ্রকৃত পক্ষে তারাইতো সব থেকে বড় কুসংস্কারাচ্ছ এই বিশ্বজগতেতাই সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে গোবরের সাথে তুলনা করে নিদর্শন স্বরুপ বলেছেন, তারা যাদেরকে নিকৃষ্ট মনে করে তারাও ওদের মতই গোবর বা বিষ্টার মতই নিকৃষ্টএখানে সৃষ্টিকর্তা অহঙ্কারীদেরকে বলছে, তারা যাদেরকে নিকৃষ্ট মনে করে ওরা যদি গোবর হয়ে থাকে তবে তারাও (অহঙ্কারীরা) বিষ্ঠার সমতুল্যএই উদাহরনের মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তা দেখাতে চেয়েছেন যে পৃথিবীর সব মানুষই একই রকম, একই সম্মান ও মর্যাদার এবং একই রকম শ্রেষ্টঅর্থাৎ পৃথিবীর সব মানুষই সমান
সৃষ্টিকর্তা সেই অহঙ্কারীদেরকে বলছেন তারা বিশ্বজগতের তুলনায় অত্যন্ত তুচ্ছআর তাই তাদের অহঙ্কার করা এবং কাউকে তুচ্ছ মনে করা আসলে তাদের নিজেদেরকে নিকৃষ্ট প্রমাণ করারই সমতুল্য
সৃষ্টিকর্তা সেই অহঙ্কারী কুসংস্কারাচ্ছন্ন গোষ্ঠিকে বিশ্বজগতের বিশালতার সাথে নিজেদেরকে তুলনা করে দেখতে বলেছেন তারা আসলে কতটা তুচ্ছপ্রকৃত জ্ঞানকে তারা পরিত্যাগ করে তাদের প্রাচীনকালের কুসংস্কারের অজ্ঞানকে আকড়ে ধরে বসে আছে ফলে তারা পৃথিবীর প্রকৃত জ্ঞানী মানুষদের থেকে পিছিয়ে পড়ছেযেখানে পৃথিবীর সব মানুষ জ্ঞান বিজ্ঞানে এগিয়ে যাচ্ছে, মানুষ পৃথিবী পাড়ি দিয়ে বিশ্বজগতের দিকে হাত বাড়াচ্ছে, সেখানে তারা পড়ে আছে প্রাচীনকালের কিছু অন্ধবিশ্বাসী ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন জ্ঞানহীন মানুষদের তৈরী করা কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসকে আকড়ে ধরেফলে তারা পিছয়ে পড়ে গেছে সেই সব জ্ঞান বিজ্ঞানে অগ্রগামী মানুষদের তুলনায়তারা এই অবস্থা থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করছে না এমনকি তারা তাদের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস নিয়ে অহঙ্কার করছে এজন্যই সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে মালাওনদের থেকেও মালাওন বলে সম্বোধন করেছেনতাদেরকে সৃষ্টিকর্তা সব থেকে বড় মালাওন বা নিকৃষ্ট বলছেন
আর এটাকেই তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তার তরফ থেকে নিদর্শদস্বরুপ দেখিয়েছেন
এটাই হলো এই দুই আয়াতের ব্যাখ্যা


আল মুরআল
সূরা কুসংস্কারাচ্ছন্ন, আয়াত ৯৪৯, ৯৫০ ও ৯৫১

"যখন তাদের কাছে সত্য জ্ঞানকে (বিজ্ঞানকে) উপস্থাপন করা হয় তখন তারা বলে, এ সবতো অসম্ভব, সৃষ্টিকর্তা কখনই আমাদেরকে এত নিকৃষ্টতা থেকে সৃষ্টি করেনিবরং আমরাই জগতের শ্রেষ্ট সৃষ্টি।"

"বিশ্বজগতের যাবতিয় সব কিছুই আমাদের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছেআমাদেরকেই সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টির শ্রেষ্ট রুপে সৃষ্টি করেছেন।"

"কিন্তু তারা জানে না বিশ্বজগতের বিশালতা সম্পর্কেবস্তুত তারা হল এক কুসংস্কারাচ্ছন্ন অন্ধবিশ্বাসী জাতিতারাই অজ্ঞতায় নিকৃষ্ট জাতি; কুসংস্কারে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি।"

ব্যাখ্যাঃ এই আয়াত তিনটিতে সৃষ্টিকর্তা বলেছেন যে যখন কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধবিশ্বাসীদের কাছে বিজ্ঞানের প্রমাণিত সত্য সম্পর্কে বলা হয় তখন তারা সেই সত্যকে অস্বীকার করে বলে, "তারা কখনই এটা বিশ্বাস করবে নাতারা কখনই নিকৃষ্ট প্রাণী থেকে বিবর্তিত হতে পারে নাকারণ তারা বিশ্বজগতের শ্রেষ্ট সৃষ্টিতাই তারা কখনই কোন নিকৃষ্ট প্রানী থেকে বিবর্তনের মাধ্যমে আসেনিতাদেরকে সৃষ্টিকর্তা শ্রেষ্ট করে সৃষ্টি করেছে।"
তারা আরও দাবী করে বলে যে, তাদেরকে সৃষ্টিকর্তা শ্রেষ্ট করে সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের জন্যই সমস্ত বিশ্বজগতকে সৃষ্টি করেছেন
কিন্তু সৃষ্টিকর্তা বলছেন যে, যারা এমনটা দাবী করে এবং নিজেদেনকে শ্রেষ্ট সৃষ্টি ভেবে অহংকার করে এবং তারা ভাবে তাদের জন্যই সমস্ত বিশ্বজগতকে সৃষ্টিকরা হয়েছে, তারা আসলে জানে না বিশ্বজগতটা আসলে কত বিশাল, বলেই তারা এমনটা দাবী করেআসলে বিশ্বজগত অনেক বিশাল এবং এই বিশ্বজগতকে সৃষ্টি করার মূল উদ্দেশ্য শুধু মানুষ নয়
তাই সৃষ্টিকর্তা সেই সব কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধবিশ্বাসী মানুষগুলোকে পিছিয়ে পড়া মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন
এই কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষগুলোকেই সৃষ্টিকর্তা নিকৃষ্ট অজ্ঞ মানুষ বলে সম্বোধন করেছেন
আমরা যখন পুথিবীতে তাকাই তখন আসলেই দেখতে পাই যে, যারা কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধবিশ্বাসী তারা প্রকৃতই পিছিয়ে পড়া মানুষদের কাতারে প্রথমঅর্থাৎ কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধবিশ্বাসী মানুষগুলোই যে সব সময় পিছিয়ে পড়া মানুষ হবে এবং তারাই হবে সব চেয়ে বেশী অজ্ঞ এটা সৃষ্টিকর্তা অনেক আগেই বলে রেখেছেনআর আমরা আসলেই দেখতে পাই যে, কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষগুলোই জগতে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি

তাই যারা নিজেদেরকে শ্রেষ্ট সৃষ্টি ভেবে অহংকার করে তারা যেন বিশ্বজগতের বিশালতা সম্পর্কে জেনে রাখে আর বুঝতে পারে যে তারা নিকৃষ্টতা থেকেই উদ্ভুত হয়েছেফলে তারা আর বিজ্ঞানকে অস্বীকার করতে পারবে না
এটাই এই আয়াত তিনটির ব্যাখ্যা


আল মুরআল
সূরা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি, আয়াত ১৮৪৬, ১৮৪৭ ও ১৮৪৭

"তাদেরকে যদি প্রকৃত জ্ঞান দেখানো হয় তবে তারা বলে, এগুলো মিথ্যে কথা বইতো কিছু নয় ! আমরা কখনই এসব মেনে নেবো না ! আমাদের সৃষ্টিকর্তার জ্ঞানই সর্ব শ্রেষ্ট জ্ঞানবাকী সব মিথ্যাযত প্রমাণই দেখাও সেগুলো কখনই সত্য হবে নাকারণ আমরাই সৃষ্টির শ্রেষ্ট।"

"যখন তাদের সামনে দিয়ে অন্য গোষ্ঠির মানুষ যায় তখন তারা বলে, ওরাই পৃথিবীর নিকৃষ্ট মানবগোষ্ঠি, আর আমরাই মানুষদের মধ্যে শ্রেষ্ট জাতি।"

"বস্তুত আমি এদেরকে মূর্খ করে রেখেছি প্রকৃত জ্ঞানীদের জন্য; যেন তারা এদেরকে দেখে অজ্ঞতা, কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস সম্পর্কে অবগত থাকেএই মূর্খ মানুষদেরকে আমি এজন্য সৃষ্টি করেছি যেন তারা পিছিয়ে পড়া কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে যুগ যুগ ধরে মানুষের হাসির পাত্র হয়ে থাকেএরাই কুসংস্কারে অন্ধবিশ্বাসের ও অজ্ঞতায় জগতের সব চেয়ে নিকৃষ্ট মানব জাতি।"

ব্যাখ্যাঃ কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধবিশ্বাসীদের সামনে যদি বিজ্ঞানের প্রমাণিত সত্যকে দেখানো হয় তবে এরা এটা মেনে নিতে চায় নাতারা তাদের কাল্পনিক সৃষ্টিকর্তার মিথ্যে ধারনাকেই একমাত্র সত্য বলে মনে করেহাজার প্রমাণ হাজির করলেও তারা তাদের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস থেকে বেরিয়ে আসে না
তাদের সামনে দিয়ে যখন ভিন্ন মতের বা ভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাসের মানুষ যায় তখন তারা অহংকার করে বলে, ওই ভিন্ন ধর্মের মানুষগুলো নিকৃষ্ট জাতি আর তারা শ্রেষ্ট জাতি
কিন্তু সৃষ্টিকর্তা বলছেন তারা বিশ্বজগত সম্পর্কে সঠিক ধারনা রাখে না বলে নিজেদের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসকে নিয়ে অহংকার করেতারা অজ্ঞ বলেই তাদের কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস নিয়ে তারা নিজেদেরকে শ্রেষ্ট জাতি মনে করে গর্ব করেকিন্তু সৃষ্টিকর্তা বলছেন এরা হল জগতের নিকৃষ্টতম জাতিআর এদেরকে সৃষ্টি করার কারণ হল এই কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধবিশ্বাসী জাতিদের দেখে যেন প্রকৃত জ্ঞানীরা (বাস্তববাদী ও বিজ্ঞান মনষ্করা) কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাসের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন হতে পারে
সৃষ্টিকর্তা এই কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধবিশ্বাসীদেরকে হাসির পাত্র করে রেখেছেন জ্ঞানীদের কাছেকারণ তারা তাদের কুসংস্কারে ও অন্ধবিশ্বাসে যেভাবে মগ্ন হয়ে থাকে সেটা জ্ঞানীদের হাসির খোরাক যোগাবেআর সৃষ্টিকর্তা এই কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও অন্ধবিশ্বাসী মানুষগুলোকেই জগতের নিকৃষ্ট সৃষ্টি বলে সম্বোধন করেছেন
এটাই হলো এই তিনটি আয়াতের ব্যাখ্যা


No comments:

Post a Comment