Translate

Search This Blog

বিশেষ সতর্কবার্তাঃ

এই ব্লগটি নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, সন্দেহবাদী, মুক্তমনা এবং স্বাধীনচেতা মানুষদের জন্য। যারা যেকোন বিষয়ের সমালোচনা সহ্য করার মত ক্ষমতা রাখে। যদি কোন ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিক এই ব্লগটিতে আসে তবে তার ধর্মানুভূতি নামের অদ্ভূত দূর্বল অনিভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হলে ব্লগ লেখক দায়ী থাকবে না। ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিকদের নিজ দায়িত্বে তাদের দূর্বল ধর্মানুভূতিকে সংরক্ষনের দায়িত্ব নিতে হবে। কারো ধর্মানুভূতি নামের অযৌক্তিক অনুভূতি আহত হবার জন্য কোন ক্রমেই ব্লগার বা লেখককে দায়ী করা যাবে না। যদি কোন অতি দুর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগে ভূল করে ঢুকে পরেন এবং তিনি তার অনুভূতিকে দূর্বল ভাবেন অর্থাৎ যিনি তার ধর্মের উপযুক্ত সমালোচনা সহ্য করতে অপারগ, তাকে বিনীত ভাবে এই ব্লগটি থেকে প্রস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এর পরেও যদি কোন দূর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগটিতে ঘুরাফেরা করেন এবং তার ফলে তার দূর্বল ধর্মানুভূতিতে আঘাত প্রাপ্ত হন তবে কোন ক্রমেই এবং কোন ক্রমেই ব্লগের মালিক, 'আমি নাস্তিক' দায়ী থাকবে না।

Friday, January 16, 2015

আল্লাহ মানব শিশু জন্ম পদ্ধতি বর্ণনা করতে যেয়ে নিজের অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে ।



কুরআনের সুরা মুমিনুন-এর ১২, ১৩ ও ১৪ নাম্বার আয়াতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছে,
"আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করেছি মৃত্তিকার মূল উপাদান হতে ।"
"অতঃপর আমি ওকে শুক্রবিন্দু রুপে স্থাপন করি এক নিরাপদ আঁধারে ।"
"পরে আমি শুক্রবিন্দুকে পরিণত করি রক্তপিন্ডে, অতঃপর রক্তপিন্ডকে পরিণত করি গোশতপিন্ডে এবং গোশতপিন্ডকে পরিণত করি হাড়সমূহে; অতঃপর হাড়সমূহকে ঢেকে দিই গোশত দ্বারা; অবশেষে ওকে গড়ে তুলি অন্য এক সৃষ্টিরুপে; অতএব সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ কত মহান !"

এই আয়াত তিনটিতে ভুলের ছড়াছড়ি !
প্রথমত- মানুষ মাটির মূল উপাদান থেকে সৃষ্টি হয়নি এটি একটি প্রাচীন উপকথা বা মিথ মানুষের শারীরিক গঠনের কােথাও মাটির মূল উপাদান বা মাটির সারাংশ নেই মাটির মূল উপাদান বা প্রধান উপাদানগুলো হলো- কোয়ার্টজ্ (SiO2), ক্যালসাইট (CaCO3), ফেল্ডসপার (KAlSi3O8)  এবং মিকা (K(Mg,Fe)3AlSi3O10(OH)2)
এছাড়াও মাটির মুল উপাদানগুলো হচ্ছে - P2O5, K2O, CaO, MgO, SiO2, Al2O3, Fe2O3, Na2O, TiO2 এবং MnO2  কিন্তু এই উপাদানগুলো মানব দেহ তৈরী করতে পারে না কুরআন ভূল কথা বলছে

দ্বিতীয়ত- মাংস যদি হাড়ে পরিণত হয় তবে হাড়ের চার পাশে আবার মাংস কোথা থেকে আসে ? মায়ের শরীর থেকে তাে মাংস আসে না তাহলে সেই মাংস আসে কোথা থেকে ? বাইরে থেকে মাংস এসে হাড়ের চার পাশে জড়ো হয়ে তাকে ঢেকে দিয়ে মানব তৈরীর কাহিনী সম্পূর্ন অবাস্তব বা্স্তবে এমনটা হয় না

তৃতীয়ত- শুক্রানু কখনই রক্তপিন্ডে পরিণত হয় না ডিম্বানু অথবা ভ্রুণ রক্ত নয়

চতুর্থত - বিজ্ঞান মতে পুরুষের শুক্রানু ও নারীর ডিম্বানু মিলে নিষিক্ত হয়ে মানব ভ্রুণ তৈরী করে কিন্তু কুরআন বলছে শুধু পুরুষের শুক্রানুই রক্তে পরিনত হয় অর্থাৎ ডিম্বানুর উপস্থিত থাকা বা ভ্রুন তৈরী হবার দরকার পড়ে না শুধু শুক্রানু রক্তে পরিণত হলেই চলে যেটা সম্পূর্ন বিজ্ঞান বিরোধী

পঞ্চমত- কুরআন যেমনটা বলেছে সেভাবে কখনই রক্ত মাংসে পরিণত বা রুপান্তিত হতে পারে না, কারন রক্তের উপাদান আর মাংসের উপাদান সম্পূর্ন আলাদা আবার মাংস থেকে হাড় তৈরী হওয়া সম্ভব নয়, কারণ হাড় তৈরীতে ব্যবহৃত ক্যালসিয়াম মাংসে থাকে না রক্ত মাংসে পরিণত হওয়া বা মাংস হাড়ে পরিনত হওয়া সম্পূর্ন বিজ্ঞান বিরোধী এবং অবাস্তব

ষষ্ঠত- মানুষের শুক্র মায়ের গর্ভে প্রবেশ করে যেটা সংরক্ষিত থাকে এটা সবাই জানে আর মুহাম্মদের এটা বলাতে কোন সমস্যা হবার কথা নয় কারণ শুক্রানু (মুহাম্মদ অবশ্য শুক্রানু জানতো না, জানতো বীর্য) যে মায়ের গর্ভে প্রবেশ করে সেটা মুহাম্মদের মতো ১২, ১৩ বউ রাখা স্বামীর খুব ভালো ভাবেই জানা ছিল আর সেটাই কুরআনে লিখে দিয়েছে
কিন্তু সে জানতো না শুক্রানু কিভাবে মানব শিশুতে পরিণত হয় আর তাই সে মানব শিশু জন্ম পদ্ধতি বর্ণনা করতে যেয়ে প্রাচীন গ্রিক দার্শনিকদের ভুল ধারনা কপি পেস্ট করেছে গ্রিক দার্শনিকদের মতে, পুরুষের শুক্রানু নারীর রক্তের সাথে মিশে মানব ভ্রুণ তৈরী করে এই ভ্রুণ থেকে মাংস পিন্ড তৈরী হয় আর মাংসপিন্ড থেকে হাড় তৈরী হয় আর হাড়ের চারপাশে মাংস এসে মানব শিশুর জন্ম হয়
আর মুহাম্মদ সেটাই একটু ভূল ভাবে কুরআনে ঢুকিয়ে দিয়েছে যেমন সে বলেছে শুক্রানু রক্তপিন্ডে পরিণত হয়, কিন্তু কোন রক্তের সাথে মিশে ভ্রুণ জাতিয় কিছু তৈরী করে না
মুহাম্মদ বর্ণিত পদ্ধতিটি হলো- শুক্রানু প্রথমে রক্তপিন্ডে পরিণত হয়, আর সেই রক্তপিন্ড পরবর্তীতে মাংসপিন্ডে পরিণত হয়, আর এই মাংসপিন্ডটিই পরে হাড়ে পরিনত হয় এবং সব শেষে হাড়ের চারপাশে মায়ের শরীর থেকে মাংস এসে ঢেকে যায়
অর্থাৎ কুরআন (মুহাম্মদের) মতে, শুক্রানু রক্তে রুপান্তির হয়, রক্ত মাংসে রুপান্তির হয়, এই মাংসই হাড়ে রুপান্তরিত হয় এবং সব শেষে হাড়টি মাংসে ঢেকে যায়
মুহাম্মদের দাবী মতে, প্রথমে হাড় তৈরী হয় তার পরে মাংস তৈরী হয়
কিন্তু বিজ্ঞান বলে পুরুষের শুক্রানু এবং নারীর ডিম্বানু মিলে মানব ভ্রুণ তৈরী হয় কিন্তু সেই ভ্রুণটি কোন রক্ত নয়,  আসলে রক্ত তৈরী হয় অনেক পরে  
মানব ভ্রুণ তৈরীর পরে সেটা (যা রক্ত নয়) মাংসে পরিণত হতে হতে একই সাথে হাড়ও তৈরী হতে থাকে অর্থাৎ মাংস এবং হাড় একই সাথে তৈরী হয়
এটা এমন নয় যে, 'হাড় তৈরী হলো এবং তারপর তার চারপাশে মাংস এসে তাকে ঢেকে দিল'  
এখানে কুরআন স্পস্ট ভুল কথা বলছে
অর্থাৎ কুরআন মানব শিশু তৈরী প্রণালী সম্পর্কে অবাস্তব এবং বিজ্ঞান বিরোধী কথাবার্তা বলেছে
অর্থাৎ কুরআন প্রাচীণ গ্রিকদের মতো ভূল এবং মিথ্যে কথা বলেছে এখানে কুরআন লেখকের অজ্ঞতা ফুটে উঠেছে মানে কুরআন অজ্ঞ মুহাম্মদ লিখেছে

12 comments:

  1. হা হা হা ফ্রেন্সিস বেকনের একটা কথা মনে পড়ে গেল " বিজ্ঞান সম্পর্কে যদি অল্প জানেন তবে আপনি হবেন নাস্তিক আর বেশী জানলে হবেন একজন আস্তিক" আর আমাদের নবী ১১ টা বউ কেন ছিল কি জন্যে তা ইতিহাস পড়লে জানতে পারবেন।

    আর মানুষের জন্ম কিভাবে তা কোরআন স্তর বাই স্তর বলেছে সুরা নুহ ১৪
    স্তর গুলো হল সুলালাহ (সার নির্যাস), নুতফা ( প্রজনন কোষ) , আলাক (জমাট রক্ত পিন্ড), মুদ্গাহ (মান্সপিন্ড), ইযাম (অস্থি), লাহম(মাংসপেশি), রুন মানে প্রান অপদ দিকে সায়েন্স একই কথা বলছে (প্রজনন অনু, নিষিক্ত কোষ, রক্তপিন্ড, বহুকোষী মান্সপিন্ড, কঙ্কাল, মান্স পেশী, মানব শিশু) কয় ভাই ঠিকি তো আছে ??????? অল্প জ্ঞান বিপদ জনক কথা টা মাথায় রাখেন।

    ReplyDelete
    Replies
    1. ফ্রান্সিস বেকন কবে কোথায় কিভাবে কোন বইতে এই কথা বলে গেছে ভাই?

      Delete
  2. আল্লাহ্‌ তুমি এদের কে রক্ষা না হয় এদের মাইরা ফেল। আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কেউ আমাদের নবী আর তার আগের নবীদের কে অপমান করে পার পাই নাই। এদের জন্যে তুমি যথেষ্ট। ইসলামে আছে নবী অবমাননা কারিদের জবাই করার নিয়ম। আল্লাহ্‌ ক্ষমতা নায় পারব চাইলেও পারব না আমি এদেশের নাগরিক আমার আইন আমাকে দিবে না। তোমার আইন যেদিন প্রতিষ্ঠিত হবে সেদিন এদের খোলা মাঠে জবাই করব। এরা থাকবে না এদের বীর্যের হাজার ও কাফের তৈরি হবে সবাই কে খোল মাঠে জবাই করব ইনশা-আল্লাহ্‌

    ReplyDelete
    Replies
    1. এইটাই আসল ইসলাম ও মুমিনের পরিচয়।
      ইসলাম যে বর্বর ও সন্ত্রাসের ধর্ম তা আপনি নিজেই প্রমান করলেন।

      Delete
    2. অবশ্যই নাস্তিক হওয়ার আগে নিজের নাম পরিবর্তন করে নিবেন।

      Delete
    3. ‘তারা বলে, যখন আমরা অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি নতুন করে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব?
      বলুন, তোমরা পাথর হয়ে যাও কিংবা লোহা। অথবা এমন কোন বস্ত্ত, যা তোমাদের ধারণায় খুবই কঠিন,
      তথাপি তারা বলবে, আমাদেরকে পুনর্বার কে সৃষ্টি করবে?
      বলুন, যিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন।

      অতঃপর তারা আপনার সামনে মাথা নাড়বে এবং বলবে, এটা কবে হবে?
      বলুন, হবে সম্ভবতঃ শ্রীঘ্রই। সেদিন তিনি তোমাদেরকে আহবান করবেন। অতঃপর তোমরা তাঁর প্রশংসা করতে করতে চলে আসবে এবং তোমরা অনুধাবন করবে যে, সামান্য সময়ই (পৃথিবীতে) অবস্থান করেছিলে’ (বানী ইসরাঈল ৪৯-৫২)।

      Delete
    4. শুক্রাণু রক্তে পরিনত হয়। এটা আমার নিজ চোখে দেখা। শুক্রবিন্দু থেকে রক্তবিন্দু, রক্তবিন্দু থেকে গোস্তপিন্ডে,তারপর মাংশপিন্ডে, এরপর হাড়সমূহে,এবং এর উপরে গোস্তপিন্ড। এটা মানব শিশুর পর্যায়ক্রমে শারীরিক কাঠামো গঠন। হঠাত করে হাড় তাইলে কোথাথেকে আসবে ব্যাটা আবুল। আর আপনার ওই খোড়া যুক্তি যদি ডাক্তাররা মনে করত তবে অনেক ডাক্তারই নাস্তিক হয়ে যেন। আর মানব শরীরে মাটির উপাদান আছে এটা আধুনিক বিজ্ঞান স্বীকার করে। তুই আমগোরে রাসায়নিক সংকেতের নাম দেখাইয়া ভাবছোছ তোরটাই রাইট। ওই তুই কি করছরে।
      আমি একজন সামান্য ইঞ্জিনিয়ার। আমি বেসকিছু জীনিস আবিষ্কার করছি। অন্তত আমাদের বেকুব বানাইছনা। তোর এই আবাল মার্কা যুক্তি দিয়া।

      Delete
    5. @সূক্ষ সাল শস্য ভাইজান আমি নাস্তিক না,
      আমি শুধু মাত্র সত্যটা বলেছি।
      আজ আমরা ধার্মিকেরা যদি ভালো হতাম তাহলে আমাদের নিয়ে কেউ কিছুই বলতে পারতো না।
      কিন্তু সারা বিশ্বের সকল সমস্যা প্রথমে আমরাই বাধাই।

      Delete
  3. ‘তারা বলে, যখন আমরা অস্থিতে পরিণত ও চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি নতুন করে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব? বলুন, তোমরা পাথর হয়ে যাও কিংবা লোহা। অথবা এমন কোন বস্ত্ত, যা তোমাদের ধারণায় খুবই কঠিন, তথাপি তারা বলবে, আমাদেরকে পুনর্বার কে সৃষ্টি করবে? বলুন, যিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর তারা আপনার সামনে মাথা নাড়বে এবং বলবে, এটা কবে হবে? বলুন, হবে সম্ভবতঃ শ্রীঘ্রই। সেদিন তিনি তোমাদেরকে আহবান করবেন। অতঃপর তোমরা তাঁর প্রশংসা করতে করতে চলে আসবে এবং তোমরা অনুধাবন করবে যে, সামান্য সময়ই (পৃথিবীতে) অবস্থান করেছিলে’ (বানী ইসরাঈল ৪৯-৫২)।

    ReplyDelete
  4. আমার খুব জানার ইচ্ছা এই আধুনিক নাস্তিকতা বা ধর্মবিরোধিতা কবে শুরু হলো। রেফারেন্সসহ

    ReplyDelete
  5. ai tumi akta haddi banao, ak fota rokto banao, jao tarpor asba, areh gadha mati theke j manush k banano hoise aita to akta common bishoy, eita bujte phD kora lage na, nijer pa er pata er dike takao, jokhn paa er niche fete jay oita j veja rakhte ki daw??glysarine use koro,jeno sushko thake, tumi ki dekho na jokhn khora hoy tokhn ki hoy matir??? Fete jay, thik temon e paa er pata i fete jay...... So manush mati thekey toiri. 100 e 100...

    ReplyDelete
  6. এখানে বলা হয়েছে যে ভ্রুণ গঠনের স্তর গুলি দেখতে কেমন হয়। মাটির যে সমস্ত উপাদান তা শরীরে পাওয়া যায়। মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি নিরক্ষর ছিলেন তাই গ্রিকদের অনুকরণের প্রশ্ন ওঠেনা। পবিত্র কুরআন আল্লাহ নাযিল করেছেন সমগ্র মানবজাতির জন্য। আরে গরু কোরআন ভুল নয় ভুল হচ্ছিস তুই। তাই বলা যায় অল্প বিদ্যা ভয়ংকর।

    ReplyDelete