Translate

Search This Blog

বিশেষ সতর্কবার্তাঃ

এই ব্লগটি নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, সন্দেহবাদী, মুক্তমনা এবং স্বাধীনচেতা মানুষদের জন্য। যারা যেকোন বিষয়ের সমালোচনা সহ্য করার মত ক্ষমতা রাখে। যদি কোন ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিক এই ব্লগটিতে আসে তবে তার ধর্মানুভূতি নামের অদ্ভূত দূর্বল অনিভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হলে ব্লগ লেখক দায়ী থাকবে না। ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিকদের নিজ দায়িত্বে তাদের দূর্বল ধর্মানুভূতিকে সংরক্ষনের দায়িত্ব নিতে হবে। কারো ধর্মানুভূতি নামের অযৌক্তিক অনুভূতি আহত হবার জন্য কোন ক্রমেই ব্লগার বা লেখককে দায়ী করা যাবে না। যদি কোন অতি দুর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগে ভূল করে ঢুকে পরেন এবং তিনি তার অনুভূতিকে দূর্বল ভাবেন অর্থাৎ যিনি তার ধর্মের উপযুক্ত সমালোচনা সহ্য করতে অপারগ, তাকে বিনীত ভাবে এই ব্লগটি থেকে প্রস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এর পরেও যদি কোন দূর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগটিতে ঘুরাফেরা করেন এবং তার ফলে তার দূর্বল ধর্মানুভূতিতে আঘাত প্রাপ্ত হন তবে কোন ক্রমেই এবং কোন ক্রমেই ব্লগের মালিক, 'আমি নাস্তিক' দায়ী থাকবে না।

Saturday, January 31, 2015

অস্তিত্ব সংকট এবং গুজামিলের ধর্ম ।




ধর্মগুলো অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে বিজ্ঞান যতই এগিয়ে যাচ্ছে অজ্ঞতা ততই দুর হচ্ছে ফলে অজ্ঞতা দ্বারা সৃষ্ট ধর্মগুলোও অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে
ইসলাম, খৃস্টান এবং ইহুদী এই ধর্মগুলো (আব্রাহামিক ধর্ম) মানব সৃষ্টি সম্পর্কে প্রাচীন গল্পকাথার আশ্রয় নিয়েছে প্রাচীন মানুষ জানতো না মানুষ কিভাবে পৃথিবীতে আবির্ভুত হয়েছে কিন্তু তারা তাদের কৌতুহল মেটাতে তৈরী করেছে নানা গল্প-উপকথার আর তার মধ্যে আদম হাওয়ার গল্প খুব উল্লেখযোগ্য এই গল্প বা রুপকথাটি ধর্মে চলে এসেছে বা ধর্মের সৃষ্টিকর্তা প্রাচীন মানুষ এই গল্পটিকে ধর্মে ব্যবহার করেছে ফলে ধর্মগুলো বিশ্বাস করে এসেছে কোন এক (কাল্পনিক) সৃষ্টিকর্তা প্রথমে পৃথিবী থেকে মাটি নিয়ে আদম নামের প্রথম মানুষকে সৃষ্টি করেছে এবং তার শরীরের অংশ থেকে হাওয়াকে সৃষ্টি করেছে আর আদম হাওয়াকে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে

Friday, January 30, 2015

কুরআনের কারিক্যাচার এবং মুসলমানদের অনুবাদের কারী-ক্যাঁচাল । ১৪০০ বছর পরে কি এমন হলো যে কুরআনের অর্থই বদলে গেল ? (পর্ব ২)



মুসলমানরা কুরআনের আগের অর্থ পরিবর্তন করে কিছু কিছু আয়াতের অর্থ পরিবর্তন করে ফেলেছে নিজেদের সুবিধামত কিন্তু তারা কেন ১৪০০ বছর ধরে চলে আসা কুরআনের অর্থ পরিবর্তন করে সেটা এই পর্বগুলোতে দেখানো হচ্ছে

সুদীর্ঘ ১৪০০ বছর ধরে কুরআনের যে অর্থ বা অনুবাদ করা হয়েছে সেই অনুবাদ বিংশ শতাব্দিতে এসে এবং একবিংশ শতাব্দির প্রথম ভাগে এসে কুরআনের অর্থের পরিবর্তন করতে হচ্ছে মুসলমানদের এটা করার কারণ আর কিছুই নয়; নিজেদের ধর্মকে রক্ষা করা মুসলমানরা তাদের ধর্মগ্রন্থের নানা ভূল ভ্রান্তি মানুষের কাছে ধরা পড়ায় তারা মরিয়া হয়ে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের ধর্মকে রক্ষা করার জন্য এটা তারা করছে পৃথিবীর সব ধর্মগুলোর মতো করেই

এখন প্রশ্ন আশা স্বাভাবিক যে, কেন মুসলমানরা ১৪০০ বছর পরে এসে মুহাম্মদের সময় থেকে চলে আসা কুরআনের অর্থ আজকের এই একবিংশ শতাব্দিতে এসে পরিবর্তন করছে ?

Sunday, January 25, 2015

সৃষ্টিকর্তা কে ? সে কেমন ? কি করে সে ?



সৃষ্টিকর্তা কে ? সে কেমন ? কি করে সে ?
আস্তিকদের কাল্পনিক সৃষ্টি হলো সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টিকর্তা হলো এমন কেও যে বিশ্বজগতের সব কিছু সৃষ্টি করেছে এবং বিশ্বজগতের সব কিছুকে পরিচালিত করে (আস্তিকদের দাবী সৃষ্টিকর্তা ছাড়া কোন কাজই ঘটা সম্ভব নয়) তাদের দাবী অনুযায়ী সব কিছুর একজন সৃষ্টিকর্তা আছে কিন্তু সেই সৃষ্টিকর্তার কোনই সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন হয়নি তার কোন শুরু নেই এবং তার কোন শেষও নেই সে আদি অনন্ত কাল থেকে অনন্তকাল পর্যন্ত বিরাজ করবে তার কোন বিনাশ নেই তিনি চিরঞ্জীবি

তাহলে সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন এসে উপস্থিত হয় সৃষ্টিকর্তা কেমন ? তার আকৃতির কেমন ? কি করে সে ? কিভাবে তার জীবন অতিবাহিত করে ?
সৃষ্টিকর্তা আদি অনন্ত কাল থেকে বিরাজ করছে কিন্তু আমাদের বিশ্বজগত মাত্র বড় জোর পনেশ কোটি বছরের তাহলে সৃষ্টিকর্তা এই বিশ্বজগত সৃষ্টির পূর্বে কোথায় ছিল ? সেখানে সে কি করছিল সেই সময়টাতে ?
বিশ্বজগত সৃষ্টির পূর্বে সৃষ্টিকর্তার কি কোন কাজ ছিল ?  সে তখন কেমন ছিল ?

Saturday, January 24, 2015

কোন ধর্মই কি সত্যি ?



এক কথায় বললে কোন ধর্মই সত্যি নয় ? কিভাবে নির্ণয় করা যায় কোন ধর্মই সত্যি নয় ?
প্রত্যেক ধর্মেরই কিছু ধর্মীয় গ্রন্থ থাকে যেগুলোকে সৃষ্টিকর্তার বাণী বলা হয় l ধর্মের অনুসারীরা দাবি করে থাকে তাদের ধর্ম গ্রন্থটি সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত অর্থাত সৃষ্টিকর্তার বাণী l এই দাবির পক্ষে তারা নানা যুক্তি উপস্থাপন করে থাকে l সবাই দাবি করে তাদের ধর্ম গ্রন্থটিতে কোন ভুল নেই l  কোন ভুল কথা বা মিথ্যে কথা যদি ধর্মীয় গ্রন্থে থাকে তবে সেটি কোন সৃষ্টিকর্তার বাণী নয় বা সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত গ্রন্থ নয় l
এই কথাটির উপর ভিত্তি করেই বলা যায় যে পৃথিবীতে যত ধর্ম আছে তাদের সব ধর্মের ধর্মীয় গ্রন্থের মাঝে প্রচুর ভুল ও মিথ্যে তথ্য দেয়া আছে l আর তাই পৃথিবীর কোন ধর্মীয় গ্রন্থই সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত নয় l ফলে কোন ধর্মই সত্যি ধর্ম নয় l
মুসলমানরাও দাবি করে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনই একমাত্র সত্য l বাকি সব ধর্ম গ্রন্থ মিথ্যে l
কিন্তু আমরা যদি কুরআন পড়ি তাহলে দেখা যায় সেখানে অনেক ভুল বা মিথ্যে কথা বলা হয়েছে l

Tuesday, January 20, 2015

কুরআনের কারিক্যাচার এবং মুসলমানদের অনুবাদের কারি-ক্যাঁচাল । ১৪০০ বছর পরে কি এমন হলো যে কুরআনের অর্থই বদলে গেল ? পর্ব ১



 মুসলমানদের দাবী, কুরআন একজন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত গ্রন্থ যার নাম আল্লাহ তো আল্লাহ তার কর্মী জিব্রাইলকে দিয়ে আরবের একজন মানুষের কাছে তার বাণী বা কথা পাঠিয়েছে সুদীর্ঘ ২৩ বছর ধরে আরবের সেই মানুষটির নাম মুহাম্মদ জিব্রারাইলের কথা কেউ শুনতে পায়নি একমাত্র মুহাম্মদ শুনতে পেয়েছে বলে মুসলমানদের দাবী তাদের দাবী মতে, মুহাম্মদ ছিল সেই সময়ের একমাত্র ব্যক্তি যে জিব্রাইলের কথা শুনতে পেতো, তাকে দেখতে পেতো এবং তার সাথে কথপোকথন করতে পারতো মুহাম্মদ ছাড়া জিব্রাইলকে কেও দেখেনি, তার কথাও কেউ শুনতে পায়নি
জিব্রাইলকে দিয়ে আল্লাহ যে সব বাণী মুহাম্মদের কাছে পাঠাতো সেগুলোই পরবর্তীতে সংকলিত হয়ে একটি গ্রন্থ তৈরী করেছে মুসলমানরা, যার নাম আল কুরআন এটাই মুসলমানদের নিকট পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ
আল্লাহ কিছু কথা বলেছে সেগুলো জিব্রাইল এসে মুহাম্মদকে বলেছে এবং মুহাম্মদ সেই সব কথাগুলোকে সবার কাছে প্রকাশ করেছে আর এভাবেই কুরআনের বাণী বা কথা গুলো সবার কাছে পৌছেছে কিন্তু কুরআনের বাণীগুলো বিগত ১৪০০ বছর ধরে মানুষের কাছে এক রকমের অর্ধ বহন করেছে অর্থাৎ কুরআনে যে কথা গুলো বর্ণনা করা হয়েছে সেই কথাগুলোর অর্ধ বিগত ১৪০০ বছর ধরে এক রকম অর্থ বহন করে এসেছে কিন্তু বিংশ শতকের শেষ দিকে বা একবিংশ শতকে এসে কুরআনের অর্থগুলো পরিবর্তিত হতে থাকে

Saturday, January 17, 2015

কুরআন আল্লাহর বাণী নয়, কুরআন মুহাম্মদের বাণী । পর্ব ৮



রাত দিন সম্পর্কে কুরআনের অজ্ঞতা এবং অদ্ভুত কথাবার্তা

কুরআন কোন অতি ক্ষমতাবান সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত গ্রন্থ নয়, বরং এটি কোন এক স্বাধারণ মানুষের লেখা স্বাধারণ মানের গ্রন্থ কুরআনে নানা ভুল তথ্য এবং বাস্তবতা বহির্ভুত কথা থাকায় এটা কারো বুঝতে বাকি থাকে না যে, কুরআন মুহাম্মদ লিখেছে বা মুহাম্মদ দ্বারা প্রস্তুতকৃত
এর আগের পর্বগুলোতে সেটা আমি প্রমাণ করে দিয়েছি এবং এই পর্বেও আরো একটা প্রমাণ হাজির করবো

কুরআনে আল্লাহ তথা মুহাম্মদ বলেছে,
সুরা রাদ, আয়াত ০৩
"...তিনি দিনকে রাত্রি দ্বারা আবৃত করেন ...।"
অর্থাৎ দিনকে রাত দ্বারা আবৃত করা হয় বা ঢেকে দেয়া হয়
সুরা আন-নমল : আয়াত ৩৯ :
"... তিনি রাত্রিকে দিবস দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিবসকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত করেন ...।"
অর্থাৎ দিন রাতকে ঢেকে দেয় বা রাত দিনকে ঢেকে দেয়

Friday, January 16, 2015

আল্লাহ মানব শিশু জন্ম পদ্ধতি বর্ণনা করতে যেয়ে নিজের অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছে ।



কুরআনের সুরা মুমিনুন-এর ১২, ১৩ ও ১৪ নাম্বার আয়াতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছে,
"আমি তো মানুষকে সৃষ্টি করেছি মৃত্তিকার মূল উপাদান হতে ।"
"অতঃপর আমি ওকে শুক্রবিন্দু রুপে স্থাপন করি এক নিরাপদ আঁধারে ।"
"পরে আমি শুক্রবিন্দুকে পরিণত করি রক্তপিন্ডে, অতঃপর রক্তপিন্ডকে পরিণত করি গোশতপিন্ডে এবং গোশতপিন্ডকে পরিণত করি হাড়সমূহে; অতঃপর হাড়সমূহকে ঢেকে দিই গোশত দ্বারা; অবশেষে ওকে গড়ে তুলি অন্য এক সৃষ্টিরুপে; অতএব সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ কত মহান !"

এই আয়াত তিনটিতে ভুলের ছড়াছড়ি !
প্রথমত- মানুষ মাটির মূল উপাদান থেকে সৃষ্টি হয়নি এটি একটি প্রাচীন উপকথা বা মিথ মানুষের শারীরিক গঠনের কােথাও মাটির মূল উপাদান বা মাটির সারাংশ নেই মাটির মূল উপাদান বা প্রধান উপাদানগুলো হলো- কোয়ার্টজ্ (SiO2), ক্যালসাইট (CaCO3), ফেল্ডসপার (KAlSi3O8)  এবং মিকা (K(Mg,Fe)3AlSi3O10(OH)2)
এছাড়াও মাটির মুল উপাদানগুলো হচ্ছে - P2O5, K2O, CaO, MgO, SiO2, Al2O3, Fe2O3, Na2O, TiO2 এবং MnO2  কিন্তু এই উপাদানগুলো মানব দেহ তৈরী করতে পারে না কুরআন ভূল কথা বলছে

Tuesday, January 13, 2015

কুরআন আল্লাহর বাণী নয়, কুরআন মুহাম্মদের বাণী । (পর্ব ৭) আকাশ সম্পর্কে কুরআনের অযৌক্তিক, অবাস্তব এবং অবৈজ্ঞানিক কথা বার্তা ।


মুসলমানদের দাবী তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআন একটি সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত গ্রন্থ কিন্তু কুরআন নানা ভূল এবং মিথ্যা কথায় ভরপুর কুরআনে নানা অবৈজ্ঞানিক তথ্য থাকায় এটা বুঝতে কারোও বাকী থাকে না যে কুরআন কোন অতি ক্ষমতাবাণ সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত গ্রন্থ নয় কোন এক স্বাধারণ মানুষের তৈরী করা একটা স্বাধারণ মানের গ্রন্থ ইতিপূর্বে সেটা আমি প্রমাণ করেছি এই পর্বেও আরো একটি প্রমাণ উপস্থাপন করবো
কুরআনে আল্লাহ বলেছে, সুরা বাকারার ২২ নাম্বার আয়াতে,
"যিনি তোমাদের জন্যে যমীনকে শয্যা ও আকাশকে ছাদ স্বরুপ করেছেন এবং যিনি আকাশ হতে পানি বর্ষণ করেণ, ...."
এই আয়াত অনুযায়ী ভুমি শয্যা, আকাশ ছাদ এবং এই ছাদ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ হয়
আবার সুরা আম্বিয়ার ৩২ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে
"এবং আকাশকে করেছি সুরক্ষিত ছাদ;..."
অর্থাৎ আকাশ একটি সুরক্ষিত ছাদ
আল্লাহ যে শুধু একটা সুরক্ষিত ছাদ তৈরী করেছে তাই নয় সে মোট সাতটা ছাদ তৈরী করেছে
সুরা নাবা, আয়াত ১২
"আর নির্মাণ করেছি তোমাদের ওপর সুদৃঢ় সাত আকাশ ।"

Thursday, January 8, 2015

আস্তিকদের কু-যুক্তি বা অপ-যুক্তি এবং অপ-বিজ্ঞানের প্রতিবাদ ।



আস্তিকরা অন্ধবিশ্বাসী এবং কুসংস্কারাচ্ছন্ন তারা তথ্য প্রমান ছাড়া কাল্পনিক কোন কিছুর উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের কল্পনাকেই সত্য বলে মনে করে ফলে একটা ভ্রমের মধ্যে তাদের সারা জীবন কাটে তারা কাল্পনিক ভাবে এক সৃষ্টিকর্তা তৈরী করেছে এবং তাকে বাস্তব বলে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে কিন্তু সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব সত্য তাদের দাবীর পক্ষে কোন প্রমানই তারা দেখাতে পারেনি আজ পর্যন্ত তারা সৃষ্টিকর্তার প্রমান হিসেবে প্রাচীণ আমলে রচিত ভূলে ভরা কয়েকটা বই হাজির করে বইগুলো পড়ে এটা স্পষ্টভাবে প্রতিয়মান হয় যে, বইগুলো প্রাচীণ কালের কোন স্বাধারণ মানুষ বা মানুষ সমষ্টির দ্বারা রচিত হয়েছে এছাড়া তারা কোন প্রমাণ হাজির করতে পারে না কিন্তু তারা কথার মারপ্যাঁচে জোর করে প্রমাণ করতে চায় যে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব আছে এবং তারা কোন প্রমাণ ছাড়াই শুধু কথার মাধ্যমে (চাপার জােরে) সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণ করতে ব্যর্থ চেষ্টা করে আর সেটা করতে যেয়ে তারা নানা রকম অপযুক্তি এবং মিথ্যের আমদানী করে যেমন-

১. আস্তিকদের দাবী বুদ্ধিমান কোন কিছু বা জটিল কোন সিস্টেম থাকলে অবশ্যই তার কোন সৃষ্টিকর্তা বা ডিজাইনার থাকতে হবে আর তাদের দাবী প্রমাণ করতে যেয়ে বুদ্ধিমান নকশা বা ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইনের মত অপ-যুক্তি বা অপ-বিজ্ঞান তৈরী করেছে তাদের দাবী যেখানেই কোন বুদ্ধিমান কিছু বা জটিল কোন সিস্টেম থাকে সেখানে সেই জটিল সিস্টেম তৈরী করতে অবশ্যই কোন অতিবুদ্ধিমান স্বত্ত্বার নকশা বা ডিজাইনারের প্রয়োজন আছে তাই এই বিশাল (জটিল) বিশ্বজগৎ এবং বুদ্ধিমান প্রাণীজগতের অবশ্যই একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতে হবে আর তাই অবশ্যই একজন সৃষ্টিকর্তা আছে
তাদের এই যুক্তিটি যে একটা অপযুক্তি বা অপবিজ্ঞান সেটা তাদের দাবীটাই প্রমান করে

Wednesday, January 7, 2015

কুরআনে মুহাম্মদের উল্টা পাল্টা কথা বার্তা ।



স্বাধারণত ধর্মগ্রন্থ এবং ধর্মগ্রন্থগুলোর কথা জটিল প্রকৃতির হয়ে থাকে কঠিন কঠিন শব্দ ব্যবহার করা হয যাতে মানুষ মনে করে এগুলো সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত বাণী যেমন- হিন্দু ধর্মের বাণী বা মন্ত্রগুলো সংস্কৃত ভাষায় পাঠ করা হয় বলে হিন্দুরা মনে করে এগুলো ঔশী বাণী আবার কুরআন আরবী ভাষায় পাঠ করা হয় এবং নামাজ আরবি ভাষায় পাঠ করা হয় বলে বাঙ্গালীরা এবং অন্যান্য অন-আরবরা মনে করে কুরআন আল্লাহর বাণী এছাড়াও ধর্মগ্রন্থের বাণীগুলোতে কঠিন কঠিন শব্দ প্রয়োগ করা হয় যাতে সেগুলোকে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত ঔশী বাণী বলে মনে হয় আর তাই পৃথিবীর সব ধর্মগুলোই কঠিন এবং জটিল করে লেখা হয়েছে
কিন্তু মুহাম্মদের সময়ে মুহাম্মদ যখন কুরআনের বিভিন্ন আয়াত সবার কাছে প্রকাশ করতে থাকলো তখন সবাই দেখলো কুরআনের আয়াতগুলো আরবি ভাষায় অর্থাৎ মাতৃভাষায় সহজ করে বর্ণিত ফলে তারা এগুলোকে ঔশী বাণী হিসেবে মানতে চাইলো না তারা বলতে লাগলো - কুরআনতো অনেক সহজ করে লেখা, তাহলে এটি সৃষ্টিকর্তার বাণী হয় কি করে ?
তখন মুহাম্মদ দেখলো কুরআন বেশী সহজ হয়ে গেছে যেটি তার নবুওতের জন্য হুমকি স্বরুপ কিন্তু যে আয়াতগুলো প্রচার করা হয়ে গেছে সেগুলো পরিবর্তন করা যাবে না আর তাই তাকে কুরআনকে এবং নিজের নবীয়ত্বকে বাঁচাতে আয়াত হাজির করতে হয়েছে
সুরা ইউসুফ, আয়াত ০২
"আমি অবতীর্ন করেছি তাকে কুরআন(রুপে) আরবী ভাষায়, যাতে তোমরা বুঝতে পারো ।"

Tuesday, January 6, 2015

কুরআন বৈজ্ঞানিক নাকি মুসলমানরা বিজ্ঞান এবং ধর্ম সম্পর্কে অজ্ঞ ?


যে ভাবে মুসলমান আস্তিকগুলো কুরআনে বিজ্ঞানকে খুজে পায় তাতে একটা ব্যপার স্পস্টভাবে ফুটে উঠে এরা কেও বিজ্ঞান জানে না ?
যেমন-
১. আকাশ আর পৃথিবী এক সাথে মিশে ছিল, আল্লাহ মশাই এদেরকে আলাদা করে দিয়েছে (২১:৩০) আর মুসলমানরা এটাকেই বিগ ব্যাং মনে করে বোকারা বুঝতে চায় না বা বুঝতে পারে না কুরআন বলছে আকাশ আর পৃথিবী আগে থেকেই তৈরী ছিল, আল্লাহ মশাই শুধু এদেরকে আলাদা করে দেয় যেটা বিগ ব্যাং থিওরীর বিরোধী দেখুন লেখা আছে - আল্লাহ আকাশ ও পৃথিবীকে আলাদা করে দিয়েছে আকাশ ও পৃথিবী তৈরী করেছে বলা হয়নি বরং বলা হয়েছে আলাদা করে দিয়েছে মানে আকাশ আর পৃথিবী আগে থেকেই তৈরী অবস্থায় ছিল
২. বিশ্বজগত সৃষ্টির আগে অর্থাৎ বিগ ব্যাং-এর আগে সব কিছু ছিল বায়ুবীয় অবস্থায় (৪১:১১) কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে বায়ুবীয় পদার্থ তৈরী হয়েছে বিগ ব্যাং-এর লক্ষ বছর পরে বিগ ব্যাং-এর আগে বা বিশ্বজগৎ সৃষ্টির পূর্বে কোন পদার্থই ছিল না ছিল শুধু এনার্জি বা শক্তি আর কুরআনের এই দাবী দ্বারা এটাই বুঝা যায় আল্লাহর বিশ্বজগৎ সম্পর্কে কোন জ্ঞানই নেই থাকবে কি করে, কুরআনতো তৈরী করেছে মুহাম্মদের মত এক স্বাধারন মানুষ

ধর্ম বা প্রার্থনা ধর্ম (Religion) আর বাস্তবতা এক নয় । (পর্ব ২) ধর্মের সত্য আর বাস্তব সত্য এক নয় ।


সত্য মিথ্যার বিচার বাস্তব জীবনে যেভাবে করা হয় ধর্মে সেভাবে করা হয় না । বাস্তব সত্য হচ্ছে যেটা বাস্তবিক অর্থেই সত্য । কিন্তু ধর্ম যেটাকে সত্য বলে প্রচার করে সেটা আসলে বাস্তব সত্য নয় ।
পৃথিবী সূর্যের চার পাশে ঘুরে এটা একটা বাস্তব সত্য । কিন্তু ধর্ম আগে বলতো সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে । মানুষ আগে এটাই ধারনা করতো যে সূর্য চন্দ্রই পৃথিবীর চারপাশে ঘুরে । কিন্তু এই ধারনাটা ছিল ভুল বা মিথ্যা । কিন্তু বর্তমানে প্রমানিত সত্য (বাস্তব সত্য) যে পৃথিবীই সূর্যের চারপাশে ঘুরে । অর্থাৎ ধর্ম প্রাচীণ মানুষের মিথ্যে ধারনাই সত্য হিসেবে গ্রহন করেছিল । এবং এটাকেই সত্য হিসেবে মেনে নিয়েছিল । পরে যখন প্রমান হলো সূর্য নয় পৃথিবীই ঘুরে তখন ধর্মও এটাকে পরিবর্তন করে নিয়েছে (যেহেতু এটা সবাই জেনে গেছে) ।
ধর্ম বলে মানব জাতি এসেছে একজনমাত্র মানুষ থেকে । কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে মানুষ একজন মানুষ থেকে আসেনি, এসেছে অন্য কোন প্রাণী হতে বিবর্তিত হয়ে (বিবর্তনের মাধ্যমে) । অর্থাৎ ধর্মের কাছে চির সত্য হলো মানুষ একজন মানুষ থেকে সৃষ্ট হয়েছে; যেমন ইহুদী, খৃস্টান ও ইসলাম ধর্ম মতে মানব জাতি সৃষ্টি হয়েছে আদম হাওয়া থেকে । আর তারা এটাকেই পরম সত্য বলে মনে করে । কিন্তু বাস্তব সত্য হচ্ছে মানবজাতি আদম হাওয়া নামের কাল্পনিক চরিত্র থেকে উদ্ভুত হয়নি, হয়েছে বিবর্তনের মাধ্যমে অন্য কোন প্রাণী থেকে বিবর্তিত হয়ে । অর্থাৎ ধর্ম যেটাকে সত্য বলে মনে করছে সেটা আসলে মিথ্যে ।

Monday, January 5, 2015

ধর্ম বা প্রার্থনা ধর্ম (Religion) আর বাস্তবতা এক নয় । (পর্ব ১) বাস্তবজগতের ভালো-খারাপ আর ধর্মের ভালো-খারাপ এক নয় ।

ভালো বা খারাপ কি?
ধর্ম কি ভালো খারাপ নির্ধারণ করে দেয় ?

উন্নতি সাধন করা বা উপকারী কিছু তৈরী করা ভালো কাজ । ক্ষতি করা বা উপকারী কিছু ধ্বংশ করা খারাপ কাজ । আবার অন্য কারো উপকার করা ভালো কাজ কিন্তু কারো ক্ষতি করা খারাপ কাজ ।
অর্থাৎ ভালো কাজ নির্ধারিত হয় ভালো কিছু করার মাধ্যমে, যেটা সবার ভালো বা কল্যাণ করে কিন্তু কারো ক্ষতি করে না । আবার খারাপ কাজ নির্ধানিত হয় খারাপ কিছু করা যেটা সবার ক্ষতি বা অমঙ্গল করে ।
সহজ করে বললে, অন্যকে উপকার করা হচ্ছে ভালো কিন্তু কারো ক্ষতি করা হচ্ছে খারাপ । অর্থাৎ ভালো খারাপ নির্ধারিত হয় অন্যের ভালো খারাপ করার মাধ্যমে ।
কিন্তু ধর্মগুলো ভালো খারাপ নির্ধারণ করে ভিন্ন হিসেবে । ধর্মগুলোর মতে ইশ্বরের উপাসনা করা অর্থাৎ ইশ্বরের প্রশংসা বা গুনগান করাই ভালো কাজ । যারা ইশ্বরের গুনগান করে না তারা পাপী; তারা খারাপ । সে যত মানব কল্যাণকর কাজই করুক না কেন যদি সে ইশ্বরের গুনগান না করে তবে সে খারাপ ।

Wednesday, December 24, 2014

আকাশ নিয়ে আল্লাহর হুমকি, আর আমার প্যাঁচাল !

মুসলমানদের সৃষ্টির জনক মহান রাব্বুল আলামীন(??) আল্লাহ সুবাহানু তাআলা পবিত্র(?) কুরআনুল করীমে(?) বলেছেন, সুরা শূরা, আয়াত ৫
'আকাশমন্ডলী তার উর্ধদেশ হতে ফেটে (ভেঙ্গে) পড়ার উপক্রম হয় এবং ফেরেশতারা তাদের প্রতিপালকের সপ্রশংস পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষনা করে এবং জগদ্বাসীদের জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে । সাবধান! নিশ্চয় আল্লাহ, তিনি অতি ক্ষমাশীল পরম দয়ালু ।"
"5. The heavens are almost rent asunder from above them [by Him Glory]: and the angels celebrate the Praises of their Lord, and pray for forgiveness for [all] beings on earth: Behold! Verily Allah is He, the Oft-Forgiving, Most Merciful."

দেখেছেন আকাশমন্ডলী (মানে সাতটা আকাশ) ফেটে বা ভেঙ্গে মানুষের মাথার উপর পড়ার উপক্রম হয় আর ফেরেশতারা কিভাবে মানুষকে এর হাত থেকে বাঁচায় । (নাস্তিকরা শুধু শুধু ফেরেশতাদের বদনাম করে !!!!)
"যদি ফেতেশতারা না থাকতো তবে হে মানব সমাজ তোমাদের কী গতি হতো ?" আমি নিজেই দেখি আয়াত লিখে ফেললাম, কী মুশকিল !!!

Friday, December 19, 2014

ইশ্বরের আরেক নাম অজ্ঞতা এবং অজ্ঞতার আরেক নাম ইশ্বর ।

ইশ্বর কী?
আস্তিকদের দাবী অনুযায়ী ইশ্বর হচ্ছে এমন অতি ক্ষমতাবান এক স্বত্বা (ইনটিটি) যে এই বিশ্বজগৎ সৃষ্টি করেছে । আর তাই আস্তিকরা তাকে সৃষ্টিকর্তা বলে সম্বোধন করে থাকে । কিন্তু ইশ্বর বা সৃষ্টিকর্তা শুধু সৃষ্টিই করে না বরং লালন-পালন বা পরিচালনাও করে । আর তাই সৃষ্টিকর্তাকে পালনকর্তা বা বিশ্বজগতের পরিচালক বলেও সম্বোধন করা হয় । আর সৃষ্টিকর্তার যে নানাবিদ অতিক্ষমতার বর্ননা মানুষ দেয়, সেসব আস্তিকরাই করে থাকে । অর্থাৎ সৃষ্টিকর্তার ধারনার সৃষ্টিকর্তা হচ্ছে মানুষ ।
কিন্তু বিজ্ঞ বা জ্ঞানী মানুষরা বলে থাকে সৃষ্টিকর্তা হচ্ছে অজ্ঞতার আরেক নাম ।
প্রাচীনকালে মানুষ যখন বিশ্বজগতের রহস্য সম্বন্ধে কিছুই জানতো না অর্থাত অজ্ঞ ছিল তখন তাদের এই অজ্ঞতাই সৃষ্টিকর্তার ধারণার সৃষ্টি করে । এবং অজ্ঞতাই সৃষ্টিকর্তাকে এখনও বাঁচিয়ে রেখেছে ।

Tuesday, December 16, 2014

প্রার্থনা একটি অর্থহীন এবং সময় ও অর্থ অপচয়ী কর্মকান্ড ।

মুসলমানদের সামাজ (সালাত), হিন্দুদের পুজা, খ্রিস্টানদের প্রার্থনা এসবের বাস্তব উপযোগিতা বা উপকার কি ? মানে এসব অর্থহীন আচার অনুষ্ঠানের সুফল কি ?
সারা পৃথিবীর সব আস্তিক যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন পদ্ধতিতে প্রার্থনা করে আসছে, কিন্তু এসব প্রার্থনাতে জগতের কোন উপকারই হয়নি । বরং মানুষ প্রার্থনার পিছনে প্রচুর সময় এবং অর্থ অপচয় করে আসছে । এই বিপুল পরিমান সময় এবং অর্থ দিয়ে অনায়াসে মানব কল্যানকর অনেক কাজ করা যেত । কিন্তু বোকা আস্তিকগুলো মানব কল্যানে মুল্যবান সময় ও অর্থ ব্যায় না করে অর্থহীন এবং সময় অপচয়ী প্রার্থনা বা আচার অনুষ্ঠান করে । আর এতে মানব জাতির কোন কল্যানতো হয়ই না বরং মানব জাতির ক্ষতি হয় । যে সময় এবং অর্থ ব্যায় হয় ওইসব ফালতু আচার অনুষ্ঠানে সেটা দিয়ে অনেক মানব কল্যাণকর কাজ করা যায় । কিন্তু আস্তিকরা সেটা না করে ওইসব অর্থহীন কাজ করতেই উৎসাহী ।
কিন্তু মানব ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় ওইসব প্রার্থনা কোন কাজেই আসেনি ।
জ্বর আসলে সারাদিন-রাত প্রার্থনা করলেও জ্বর কমবে না । কিন্তু একটা প্যারাসিটামল খাওয়ালেই জ্বর কমবে । প্রার্থনা এখানে অর্থহীন ।
হাড়িতে চাল আর পানি দিয়ে যত প্রার্থনাই করা হোকনা কেন এটা কোন দিনই ভাত হবে না । বরং অর্থহীন প্রার্থনা না করে আগুন দিয়ে ফোটালেই ওটা ভাত হবে ।

Saturday, November 29, 2014

কুরআন আল্লাহর বাণী নয়, কুরআন মুহাম্মদের বাণী । (পর্ব ৬) মানুষের জন্ম পদ্ধতি নিয়ে কুরআনের আবুল তাবুল কথা বার্তা ।


আগের পর্বগুলোতে দেখানো হয়েছে কুরআন ভূলে ভরা আর এই ভূলে ভরা কুরআন কোন অতি ক্ষমতাবান সৃষ্টিকর্তা লেখেনি বরং কুরআন কোন এক স্বাধারণ মানুষ লিখেছে আর এই পর্বেও দেখাবো কুরআন কোন এক স্বাধারণ মানুষ লিখেছে

গত পর্বে দেখিয়েছি কুরআনে মানুষের সৃষ্টি নিয়ে বিজ্ঞান বিরোধী কথা বলা হয়েছে এ পর্বে দেখাবো কুরআন মানুষের জন্মগ্রহন পদ্ধতি সম্পর্কে বিজ্ঞান বিরোধী কথা বলেছে এর দ্বারা প্রমানিত হয়েছে কুরআন কোন এক স্বাধারণ মানুষের লেথা গ্রন্থ

কুরআনের সুরা আলাক-এর ২ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে,
"সৃষ্টি করেছেন মানুষকে রক্তপিন্ড হতে ।"
এটা সম্পুর্ন একটা বিজ্ঞান বিরোধী কথা মানুষের জন্ম কখনই রক্তপিন্ড থেকে হতে পারে না রক্তপিন্ড থেকে মানব শিশু জন্ম নেওয়া নেহায়েত কাল্পনিক এবং অবাস্তব ব্যাপার শুক্রানু এবং ডিম্বানু নিষিক্ত হয়ে মানব ভ্রুন তৈরী হয় এবং এই ভ্রুন তৈরীর অনেক পরে তৈরী হয় রক্ত এবং রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া তথা হৃৎপিন্ড কিন্তু কুরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ মানুষকে রক্তপিন্ড থেকে সৃষ্টি করেছে যেটা শুধু অবৈজ্ঞানিকই নয় উপরন্তু অবাস্তব এবং অসম্ভব

Friday, November 28, 2014

ইশ্বর অনুভূতি ভ্রম ছাড়া কিছুই নয় !


ওরা বলে ইশ্বরকে যুক্তি প্রমান দিয়ে বুঝা যায় না ! ওদের দাবী ইশ্বরকে শুধুমাত্র পরম বিশ্বাস (আমি বলি অন্ধবিশ্বাস) এবং ভক্তির মাধ্যমেই উপলব্ধি করা যায় ! ওরা দাবী করে ইশ্বরকে কেবল মন বা অন্তকরন দিয়ে অনুধাবন করা যায় যুক্তিবুদ্ধি বা বাস্তবতা দিয়ে নয়
ওদের দাবী শুনে মনে হয়, নেশাগ্রস্থ হলে যে ভালোলাগা বা সুখ অনুভূত হয় ইশ্বর ওরকমই কিছু একটা হবে আর তাইতো ধর্মান্ধরা নেশাগ্রস্থদের মতো আচরন করে । 

পাগলের জ্বীন বা ভুত দেখা যেমনশুধু পাগলেই দেখতে পায় অন্য কেউ পায় না, তেমনি ইশ্বরকে অনুভব করতে হলে হতে হয় অন্ধবিশ্বাসী যে যুক্তি ও বাস্তবতা বুঝে না, বুঝে শুধু তার কাল্পনিক অনুভুতি (আসলে বিকৃত অনুভুতি) আর তাইতো ধর্মান্ধরা মাঝে মাঝে উন্মাদের মতো আচরন করে । 

ইশ্বর আরাধনার বিষয় আরাধনা ছাড়া ইশ্বরকে পাওয়া যায় না বিজ্ঞান বা দর্শন দিয়ে নয়, ইশ্বরকে পেতে হলে চাই একান্ত বিশ্বাস এবং আরাধনা অনেক আরাধনার পরেই কেবল ইশ্বরের সন্ধান মেলে যুক্তি তর্ক এবং অবিশ্বাস দিয়ে কখনও ইশ্বরের সন্ধান পাওয়া যায় না

Wednesday, November 26, 2014

হাহ্ হাহ্ হাহ্ ওহী ! সৃষ্টিকর্তার বাণী (পর্ব ৬)


আল মুরআল
সুরা অন্ধবিশ্বাসী, আয়াত ১২৬৫, ১২৬৬ এবং ১২৬৭

"তারা কি বিজ্ঞানকে মিথ্যে প্রতিপন্ন করতে চায় ? তবে তুমি তাদের বলঃ তাহলে তোমরাও অনুরুপ জ্ঞান তৈরী কর ! যদি তাদের সব (আস্তিক) সম্প্রদায় এবং তাদের কাল্পনিক সমস্ত ঈশ্বর মিলিত হয়েও প্রচেষ্টা করে তথাপিও তারা (অন্ধবিশ্বাসীরা) অনুরুপ জ্ঞান তৈরী করতে পারবে না !"
"তুমি কি দেখনি তারা এবং তাদের কাল্পনিক ঈশ্বরেরা কিরুপ জ্ঞান রচনা করেছিল ? আমি তাদের সমস্ত জ্ঞানকে মিথ্যা প্রমানিত করে দিয়েছি সত্য জ্ঞানের (বিজ্ঞানের) সাহায্যে আমি তাদেরকে অন্ধবিশ্বাসী আর কুসংস্কারাচ্ছন্ন হিসেবে মানুষের কাছে প্রতিপাদ করেছি তথাপি তারা সত্য জ্ঞানকে গ্রহন করবে না ?"
"তারাতো অন্ধবিশ্বাসী এবং কুসংস্কারাচ্ছন্ন হিসেবে মানুষের হাসি আর ঘৃনার পাত্র হয়ে থাকবে চিরকাল যেমনটি তাদের পূর্ববর্তীদেরকে আমি (অনুরুপ) নিদর্শনস্বরুপ করে রেখেছি ।"

Tuesday, November 25, 2014

আল্লাহ অজ্ঞতায় মুহাম্মদকেও হার মানায় ! (পর্ব ৩)

আল্লাহ অজ্ঞতায় ফেরেশতাদেরকেও হার মানায় !
মুসলমানদের সৃষ্টির জনক আল্লাহ কুরআনে উল্লেখ করেছে,
সুরা বাকারা-এর ৩০ নাম্বার আয়াতে,
"এবং যখন তোমার রব ফেরেশতাগণকে বললেনঃ নিশ্চয় আমি পৃথিবীতে প্রতিনিধি সৃষ্টি করবো, তারা বললোঃ আপনি কি যমীনে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যে, তারা সেখানে বিবাদ সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত করবে ? আর আমরাই তো আপনার প্রশংসা গুনগান করছি এবং আপনারই পবিত্রতা বর্ণনা করে থাকি । তিনি বললেনঃ নিশ্চয় আমি যা পরিজ্ঞাত আছি তা তোমরা অবগত নও ।"

এই আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ ফেরেশতাদেরকে প্রতিনিধি তথা মানুষ সৃষ্টির কথা বলেছে এবং ফেরেশতারা প্রতিবাদ করে বলেছিল, আপনি কি এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যারা পৃথিবীতে বিবাদ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত ঘটাবে ?  আল্লাহ প্রতিবাদে বলেছে, আমি যেটা জানি তোমরা তা জান না ।

Monday, November 24, 2014

হাহ্ হাহ্ হাহ্ ওহী ! সৃষ্টিকর্তার বাণী (পর্ব ৫) । সৃষ্টিকর্তা পাশা খেলেন !


আল মুরআল
সুরা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টি (ব্যাকডেটেড পিপল)
আয়াত ১৭৯৬ এবং ১৭৯৭

"তুমি কি তাদের দেখেছো যারা সত্যকে পরিত্যাগ করে আর বলে 'এটাতো স্পষ্ট মিথ্যা' ? যারা সত্যজ্ঞানের সুফল ভোগ করে কিন্তু কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না ? তারা তাদের অন্ধবিশ্বাস এবং কুসংস্কারকে সত্য বলে মনে করে যদি তারা বুঝতোঃ কল্পনা কখনো বাস্তবতার সাথে সামনঞ্জস্যপূর্ন নয় ! বস্তুত তারা এমন এক দৃষ্টান্ত যা আমি প্রদর্শন করে রেখেছি, যারা কল্পনাকে আকড়ে ধরে থাকে এবং বাস্তব সত্যকে পরিত্যাগ করে তারাই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টি যাদেরকে আমি রেখেছি দৃষ্টান্ত স্বরুপ যাতে মানব জাতি শিক্ষা গ্রহন করে যুগ যুগ ধরে ।"

তুমি কি দেখনি যারা সত্যজ্ঞানকে অস্বীকার করেছিল ? তারা শাস্তি দিয়েছিল সত্যজ্ঞান প্রচারকারীকে আমি কি তাদেরকে মানুষের কাছে অন্ধবিশ্বাসী আর কুসংস্কারাচ্ছন্ন হিসেবে হাসির পাত্র বানাইনি ? তারাতো ছিল এই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টির পূর্বসুরি বস্তুত এখন যারা সত্যজ্ঞানকে অস্বীকার করে তাদের কাল্পনিক প্রাচীন মিথ্যে জ্ঞানকে আকড়ে ধরে আছে অন্ধের মত; তাদেরকে আমি প্রদর্শন করবো সেই রুপে যেমনটি আমি তাদের পূর্ববর্তীগনকে করেছি বস্তুত এরাই অন্ধবিশ্বাসী এবং কুসংস্কারাচ্ছন্ন পিছিয়ে পড়া মানুষ !"

Saturday, November 22, 2014

কুরআন আল্লাহর বাণী নয়, কুরআন মুহাম্মদের বাণী (৫ম পর্ব) । মানুষ সৃষ্টির ব্যপারে কুরআনের অবাস্তব কথা ।


কুরআনের নানা ভূল থেকে এটা স্পষ্ট বুঝা যায় কুরআন আসলে কোন অতিবুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন সৃষ্টিকর্তা লেখেনি বরং কুরআন কোন এক স্বাধারন মানুষ লিখেছে কুরআন আল্লাহর বাণী নাকি মুহাম্মদের বাণী সেটা আগের পর্বগুলোতে প্রমান করা হয়েছে এই পর্বেও দেখানো হবে কুরআন আসলে কার বাণী !

কুরআনে আল্লাহ মানুষের সৃষ্টি সম্পর্কে উদ্ভট কিছু তথ্য দিয়েছে যার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই

কুরআনে বর্ণিত হয়েছে,
সুরা সোয়াদ, আয়াত ৭১
"(স্মরন কর) যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদেরকে বলেছিলেনঃ আমি মানুষ সৃষ্টি করছি মাটি হতে,"

সুরা আল-ইমরান, আয়াত ৫৯
"নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট ঈসার দৃষ্টান্ত আদমের অনুরুপ; তিনি তাঁকে মাটি দ্বারা সৃষ্টি করলেন, তৎপর বললেন, হও, ফলতঃ তাতেই হয়ে গেল

সুরা আন'আম, আয়াত ০২
"অথচ তিনিই তোমাদেরকে মাটি হতে সৃষ্টি করেছেন,"

Friday, November 21, 2014

আল্লাহ অজ্ঞতায় মুহাম্মদকেও হার মানায় ! (পর্ব ২)

মুসলমানদের সৃষ্টির জনক আল্লাহ কুরআন করীমে জ্ঞাত করেছে,
সুরা নুর ; আয়াত ৪৩
"তুমি কি দেখ না, আল্লাহ সঞ্চালিত করেন মেঘমালাকে, তৎপর তাদেরকে একত্রিত করেন এবং পরে পুঞ্জিভূত করেন, অতপর তুমি দেখতে পাও, ওর মধ্য হতে নির্গত হয় পানিধারা; আকাশস্থিত শিলাস্তূপ হতে তিনি বর্ষণ করেন শিলা এবং এটা দ্বারা তিনি যাকে ইচ্ছা প্রদান করেন এবং যাকে ইচ্ছা তার উপর হতে এটা অন্য দিকে ফিরিয়ে দেন; "
এই আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ মেঘমালা সঞ্চালিত করে, পরে পুঞ্জভূত করে এবং এটিই পরবর্তীতে বৃষ্টি হয়ে পরে । আকাশে সংরক্ষিত শিলাস্তুপ থেকে শিলা বর্ষন করে । এবং যার দিকে ইচ্ছা তার দিকে শিলা নিক্ষেপ করে ।
মহাজ্ঞানী আল্লাহ কুরআনে এই কথাগুলো বলেছে । মেঘমালাকে একত্রিত করা, সঞ্চালিত করা এবং বৃষ্টিপরা মানুষ পৃথিবীর মাটির উপরে দাড়িয়ে থেকে দেখতে পায় । আর তাই এইটুকু বলাতে কোন ভূল হবার কথা নয় একজন মানুষের । কিন্তু মানুষ মুহাম্মদের সময়ে জানতো না আকাশ থেকে শিলা কোথা থেকে আসে । মানুষ আগের দিনে ভাবতো শিলা হয়তো আকাশে সংরক্ষিত আছে এবং ওসব শিলাস্তুপ থেকেই শিলা পৃথিবীতে পরে । সেই সময়ের মানুষের পক্ষে জানা সম্ভব ছিলনা শিলা বৃষ্টির কারন সম্পর্কে ।

Tuesday, November 11, 2014

নাস্তিক হবার শর্ত:-

নাস্তিক হবার শর্ত:-
১. বুদ্ধিমত্বা - বুদ্ধিমত্বা একটু উপরের লেভেলের হতে হবে । কারণ কম বুদ্ধিমত্বা সম্পন্ন প্রাণী সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করে কিন্তু বেশী বুদ্ধিমত্বা সম্পন্ন প্রাণী সৃষ্টিকর্তাকে হত্যা করে । (সৃষ্টিকর্তাকে সৃষ্টি করা এবং সৃষ্টিকর্তাকে হত্যা করা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার মিথ্যে ধারনা বিশ্বাসকে সৃষ্টিকরা এবং হত্যা করা ।)
২. যৌক্তিক মন - যে মন যুক্তি বুঝতে পারে । এবং যুক্তির কাছে অন্ধবিশ্বাস আর কুসংস্কারকে পরাজিত করতে পারে । এমন মন নয় যে বলে কোন কিছুই সুষ্টিকর্তা ছাড়া সৃষ্টি হতে পারে না আর তাই সবকিছুর একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতে হবে; কিন্তু এটা বুঝতে পারে না এই যুক্তিতে সৃষ্টিকর্তারও একজন সৃষ্টিকর্তা থাকতে হবে তা না হলে "সবকিছুর সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন" এই যুক্তিটা অর্থহীন হয়ে যায় । এরকম কু-যৌক্তিক মন থাকলে অন্ধবিশ্বাসী আর কুসংস্কারাচ্ছন্নই হওয়া যায়; নাস্তিক হওয়া যায় না ।

Sunday, November 9, 2014

কুরআন আল্লাহর বাণী নয়, কুরআন মুহাম্মদের বাণী (পর্ব ৪) । সূর্য এবং চন্দ্রের গতি সম্পর্কে কুরআনের অদ্ভুত বর্ণনা ।


কুরআনের নানা রকম ভুল দেখে এটা স্পষ্ট ভাবে বুঝা যায় যে কুরআন কোন অতিবুদ্ধিমত্বা সম্পন্ন সৃষ্টিকর্তার বাণী নয় বরং কুরআন কোন এক স্বাধারন মানুষের লেখা এই পর্বেও দেখানো হবে কুরআন আল্লাহর বাণী নয় বরং এটি মুহাম্মদের নিজের বাণী

মুসলমানদের সৃর্ষ্টির জনক আল্লাহ কুরআনে সুরা ইয়াসীন-এর ৩৮ ও ৩৯ নাম্বার আয়াতে বলেছে,
"এবং র্সূয ভ্রমণ করে ওর নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে, এটা পরাক্রমশালী, সর্বাজ্ঞের নিয়ন্ত্রণ ।"
"এবং চন্দ্রের জন্যে আমি নির্দিষ্ট করেছি বিভিন্ন মনযিল; অবশেষে ওটা শুষ্কবক্র, পুরাতন খেজুর শাখার আকার ধাবণ করে ।"

এই আয়াতে বলা হয়েছে সূর্য ভ্রমন করে ওর জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া পথে সূর্য সম্পুর্নরুপে আল্লাহর নিয়ন্ত্রন আর চন্দ্রের জন্য বিভিন্ন আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ফলে ওটা পুরাতন খেজুর ডালের মত বাকা আকার ধারন করে

আল্লাহ সত্যিই অজ্ঞতায় মুহাম্মদকেও হার মানায় ! (পর্ব ১)


আল্লাহ কোরআনে বলেছে,
সুরা শামস, আয়াত ৩ ও ৪ :
"শপথ দিবসের, যখন তা' (সূর্যকে) প্রকাশ করে, "
"শপথ রজনীর, যখন তা' সূর্যকে ঢেকে দেয়, "
এই আয়াত দুটোতে আল্লাহ বলছে দিবস বা দিন সূর্যকে প্রকাশ করে আর রজনী বা রাত সূর্যকে ঢেকে দেয়
কতটা কম জ্ঞানের অধিকারী হলে কেও এরকম ছেলেমানুষী কথা বলবে সেটা কুরআন না পড়লে বিশ্বাস হবে না ! দিন নাকী সূর্যকে প্রকাশ করে আর রাত নাকী সূর্যকে ঢেকে দেয় ! এর চেয়ে হাস্যকর কথা আর হতে পারে না ! আল্লাহ কতটা অজ্ঞতা সম্পন্ন প্রাণী সেটা এই আয়াত পড়লেই বোঝা যায় !

Thursday, November 6, 2014

কুরআন আল্লাহর বানী নয়, কুরআন মুহাম্মদের বানী (পর্ব ৩) । বিশ্বজগৎ সৃষ্টির মোট সময় সম্পর্কে কুরআনের মিথ্যে বার্তা ।


এর আগের পর্বে দেখিয়েছি কুরআন-এর বানী সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন করা হয় কুরানের কোন ভূল ধরা পড়লে ধর্মের স্বার্থ রক্ষার্থে কিছু চতুর ধার্মিক কুরানের অর্থ পরিবর্তন করে নিজেদের সুবিধানুযায়ী নতুন অর্থ করে মোট কথা আল্লাহ কুরআনে কথা দিয়েছিল কুরআনের বানীকে রক্ষা করবে আল্লাহ সেই কথাটি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে সম্পুর্নরুপে অথবা কথাটি সম্পুর্ন মিথ্যে তার মানে কুরআনে বর্নিত আল্লাহ কোন সর্বশক্তিমান কেউ নয় কোন স্বাধারন মানুষ
এই পর্বেও এরকম কয়েকটি আয়াতের উল্লেখ করবো যেগুলো সম্পুর্ন বিজ্ঞান বিরোধী কথা বলায় এদের অর্থ পরিবর্তন করা হয়েছে এবং সুবিধামত এদের নতুন অর্থ করা হয়েছে অর্থাত আল্লাহর কথা পরিবর্তন করে আয়াতগুলোর সম্পুর্ন নতুন অর্থ করা হয়েছে

মুসলমানদের সৃষ্টির জনক আল্লাহ কুরাআনে বলেছে,
সুরা ইউনুস, আয়াত ৩ :
"নিশ্চয় তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহ যিনি তৈরি করেছেন আসমান ও যমীনকে ছয় দিনেঅতঃপর আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন ।"

Sunday, November 2, 2014

কেন কুরআনকে অনুবাদ করা যায় না ?

পৃথিবীর সব ভাষার সব গ্রন্থ (বই) অনুবাদ করা যায়; এমনকি আরবি ভাষার কোন গ্রন্থ অনুবাদ করলে কোনই সমস্যাই হয় না l কিন্তু কুরআন অনুবাদ করলেই যত সমস্যা হয় ! অনুবাদে ভুল, অনুবাদে ভুল বলে সরব উঠে ! কিন্তু কেন এমনটি হয় ?
কুরআন কোন অশিক্ষিত মানুষের দ্বারা লেখা হয়েছে বা তৈরী করা হয়েছে; ফলে এতে অনেক ব্যাকরনগত ভুল আছে এজন্যই কি এমন হয় ?
তা না হলে পৃথিবীর সব গ্রন্থই অনুবাদ করা যায় কিন্তু কুরআনকে অনুবাদ করলেই যত সমস্যার সৃষ্টি হয় !
যখনই কুরআনের কোন ভুল দেখানো হয় অন্ধবিশ্বাসী মুসলমানগুলো বলে উঠে অনুবাদের ভুল !
যে ভুলগুলো বের করা হয়েছে শুধু সেগুলোর ক্ষেত্রেই কেন অনুবাদে ভুল হয় ?
কুরআনে হাজার রকমের ভুল l আর সেগুলো মুসলমানদের কাছে পেশ করলেই বলে অনুবাদে ভূল ! যখন অনেকগুলো ভুল দেখিয়ে বলা হয় সবগুলোই কি অনুবাদে ভুল ? তখন তারা বলে, কুরআন আরবিতে নাজিল হয়েছে আর তাই এর অনুবাদ পড়ে ভুল ধরা যাবে না !

Saturday, November 1, 2014

হাহ্ হাহ্ হাহ্ ওহী ! সৃষ্টিকর্তার বাণী (পর্ব ৪) । আস্তিকরা কেন যুক্তি বুঝেনা বা বুঝতে পারে না ?

সুরা জ্ঞানহীন; আয়াত ৫৪১২,
"তুমি তাদের য্তই যুক্তি প্রমান দিয়ে বুঝাও না কেন, তারা বুঝতে পারবে না । কারন তাদের বুদ্ধিমত্বাকে কুসংস্কার এবং অন্ধ-বিশ্বাসের পর্দা দ্বারা ঢেকে দেয়া হয়েছে । ফলে তারা যুক্তি বুঝতে পারবে না এবং অন্ধ-বিশ্বাস ও কু-সংস্কারকে আকড়ে ধরে বসে থাকবে । তারাই প্রকৃত জ্ঞানহীন; অজ্ঞতা এবং ভ্রান্তিতে শ্রেষ্ট ।"