মুসলমানরা দাবী করে যে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ আল কুরআন স্বয়ং আরবীয় ঈশ্বর আল্লাহর লিখিত বা রচিত বই। এবং আল্লাহই এই বইয়ের সুরক্ষা করে থাকে। ফলে কুরআনের কোন আয়াতেরই কোনরুপ পরিবর্তন করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। অর্থাৎ কুরআন অবিকৃত আছে এবং এটি আল্লাহ যেভাবে রচনা করেছে ঠিক সেভাবেই আছে। এক চুল পরিমাণ পরিবর্তনও কুরআনে ঘটেনি। কারণ এটি সর্বশক্তিমান আরবীয় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ নিজে সংরক্ষণের দায়িত্বে আছে।
Ami Atheist Pages
Translate
Search This Blog
বিশেষ সতর্কবার্তাঃ
এই ব্লগটি নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, সন্দেহবাদী, মুক্তমনা এবং স্বাধীনচেতা মানুষদের জন্য। যারা যেকোন বিষয়ের সমালোচনা সহ্য করার মত ক্ষমতা রাখে। যদি কোন ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিক এই ব্লগটিতে আসে তবে তার ধর্মানুভূতি নামের অদ্ভূত দূর্বল অনিভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হলে ব্লগ লেখক দায়ী থাকবে না। ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিকদের নিজ দায়িত্বে তাদের দূর্বল ধর্মানুভূতিকে সংরক্ষনের দায়িত্ব নিতে হবে। কারো ধর্মানুভূতি নামের অযৌক্তিক অনুভূতি আহত হবার জন্য কোন ক্রমেই ব্লগার বা লেখককে দায়ী করা যাবে না। যদি কোন অতি দুর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগে ভূল করে ঢুকে পরেন এবং তিনি তার অনুভূতিকে দূর্বল ভাবেন অর্থাৎ যিনি তার ধর্মের উপযুক্ত সমালোচনা সহ্য করতে অপারগ, তাকে বিনীত ভাবে এই ব্লগটি থেকে প্রস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এর পরেও যদি কোন দূর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগটিতে ঘুরাফেরা করেন এবং তার ফলে তার দূর্বল ধর্মানুভূতিতে আঘাত প্রাপ্ত হন তবে কোন ক্রমেই এবং কোন ক্রমেই ব্লগের মালিক, 'আমি নাস্তিক' দায়ী থাকবে না।
Showing posts with label কারী-ক্যাঁচাল. Show all posts
Showing posts with label কারী-ক্যাঁচাল. Show all posts
Thursday, February 18, 2016
কুরআনের কারিক্যাচার এবং মুসলমানদের অনুবাদের কারী-ক্যাঁচাল । ১৪০০ বছর পরে কি এমন হলো যে কুরআনের অর্থই বদলে গেল ? (পর্ব ৪) মানুষের জন্ম পঁচা রক্ত থেকে নাকি ঝুলন্ত জোঁক থেকে?
মুসলমানরা দাবী করে যে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ আল কুরআন স্বয়ং আরবীয় ঈশ্বর আল্লাহর লিখিত বা রচিত বই। এবং আল্লাহই এই বইয়ের সুরক্ষা করে থাকে। ফলে কুরআনের কোন আয়াতেরই কোনরুপ পরিবর্তন করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। অর্থাৎ কুরআন অবিকৃত আছে এবং এটি আল্লাহ যেভাবে রচনা করেছে ঠিক সেভাবেই আছে। এক চুল পরিমাণ পরিবর্তনও কুরআনে ঘটেনি। কারণ এটি সর্বশক্তিমান আরবীয় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ নিজে সংরক্ষণের দায়িত্বে আছে।
Thursday, March 19, 2015
কুরআনের কারিক্যাচার এবং মুসলমানদের অনুবাদের কারী-ক্যাঁচাল । ১৪০০ বছর পরে কি এমন হলো যে কুরআনের অর্থই বদলে গেল ? (পর্ব ৩) চাঁদের আলো প্রতিফলিত আলো নাকি চাঁদ নিজেই আলো প্রদানকারী, এই নিয়ে মুসলমানদের অনুবাদের কারী-ক্যাঁচাল।
মুসলমানদের দাবী কুরআন আল্লাহ নামের এক আরবীয় সৃষ্টিকর্তার কথা বা বাণী। আল্লাহ (মুসলমানদের সৃষ্টিকর্তা) তার কথাগুলোকে জিব্রাইল নামের এক ফেলেশতা বা দেবদুতের মাধ্যমে মুহাম্মদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে। জিব্রাইল আল্লাহর কথাগুলো মুহাম্মদের কাছে হুবহু তুলে ধরেছে। মুহাম্মদ সেই কথাগুলো তার সাহাবা বা সাথীদেরকে বলেছে এবং সাহাবারা সেই কথাগুলো লিখে রেখেছে। পরবর্তীতে সেই কথাগুলোকে বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছে যথাক্রমে আবু বক্করের অধীনে এবং উসমানের অধীনে। কুরআনের খন্ড খন্ড অংশগুলো বিকৃত হয়ে গেলে ইসলামের তৃতীয় খলিফা (রাজা বা সম্রাট) উসমান নতুন করে কুরআনকে সংকলন এবং সংশোধন করে গ্রন্থ আকারে প্রকাশ করেছে। এভাবেই আজকের দিনের কুরআন সংকলিত ও সংশোধিত হয়েছে।
কিন্তু মুসলমানদের
দাবী কুরআন অবিকৃত আছে এবং কুরআন সংরক্ষনের দায়িত্বে আছে স্বয়ং আল্লাহ। তাই কুরআনকে বিকৃত
করার সাধ্য কারোরই নেই। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় কুরআনকে বিকৃত করা হয়েছিল এবং উসমান
সেই বিকৃত কুরআনের খন্ড খন্ড অংশ থেকে কুরআনকে সংশোধন করেছে এবং তার নিজের মতো করে
কুরআনকে সাজিয়েছে। এমনকি কুরআনের আগের সংকলন এবং কথিত বিকৃত অংশগুলোকে পুড়িয়ে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ কুরআনকে আল্লাহ
সংরক্ষনে ব্যর্থ হয়েছিল বলে মানুষকেই সেই কুরআনকে সংকলন, সংরক্ষন এবং সংশোধন করতে হয়েছে। আল্লাহ কুরআন সংরক্ষনে
কোন ভুমিকাই রাখতে পারেনি। একবার কুরআনকে লিখিত আকারে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করার পরে এটির
বিকৃত হবার সম্ভাবনা আর ছিল না। এটা পৃথিবীর সব গ্রন্থ ও পুস্তকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যে অর্থে কুরআন অবিকৃত
রয়েছে বলে মুসলমানরা দাবী করে থাকে, ঠিক সেই অর্থে পৃথিবীর তাবৎ গ্রন্থ বা বই অবিকৃত আছে। এর জন্য কোন সৃষ্টিকর্তার
আমদানী করতে হয়নি।
Friday, January 30, 2015
কুরআনের কারিক্যাচার এবং মুসলমানদের অনুবাদের কারী-ক্যাঁচাল । ১৪০০ বছর পরে কি এমন হলো যে কুরআনের অর্থই বদলে গেল ? (পর্ব ২)
মুসলমানরা কুরআনের আগের অর্থ পরিবর্তন করে কিছু কিছু আয়াতের অর্থ পরিবর্তন করে ফেলেছে নিজেদের সুবিধামত । কিন্তু তারা কেন ১৪০০ বছর ধরে চলে আসা কুরআনের অর্থ পরিবর্তন করে সেটা এই পর্বগুলোতে দেখানো হচ্ছে ।
সুদীর্ঘ ১৪০০ বছর ধরে কুরআনের যে অর্থ বা অনুবাদ করা হয়েছে সেই অনুবাদ বিংশ শতাব্দিতে এসে এবং একবিংশ শতাব্দির প্রথম ভাগে এসে কুরআনের অর্থের পরিবর্তন করতে হচ্ছে মুসলমানদের । এটা করার কারণ আর কিছুই নয়; নিজেদের ধর্মকে রক্ষা করা । মুসলমানরা তাদের ধর্মগ্রন্থের নানা ভূল ভ্রান্তি মানুষের কাছে ধরা পড়ায় তারা মরিয়া হয়ে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের ধর্মকে রক্ষা করার জন্য । এটা তারা করছে পৃথিবীর সব ধর্মগুলোর মতো করেই ।
এখন প্রশ্ন আশা স্বাভাবিক যে, কেন মুসলমানরা ১৪০০ বছর পরে এসে মুহাম্মদের সময় থেকে চলে আসা কুরআনের অর্থ আজকের এই একবিংশ শতাব্দিতে এসে পরিবর্তন করছে ?
Tuesday, January 20, 2015
কুরআনের কারিক্যাচার এবং মুসলমানদের অনুবাদের কারি-ক্যাঁচাল । ১৪০০ বছর পরে কি এমন হলো যে কুরআনের অর্থই বদলে গেল ? পর্ব ১
মুসলমানদের দাবী, কুরআন একজন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত গ্রন্থ যার নাম আল্লাহ । তো আল্লাহ তার কর্মী জিব্রাইলকে দিয়ে আরবের
একজন মানুষের কাছে তার বাণী বা কথা পাঠিয়েছে সুদীর্ঘ ২৩ বছর ধরে । আরবের সেই মানুষটির
নাম মুহাম্মদ । জিব্রারাইলের কথা কেউ শুনতে পায়নি একমাত্র মুহাম্মদ শুনতে পেয়েছে বলে মুসলমানদের
দাবী । তাদের দাবী মতে,
মুহাম্মদ ছিল সেই সময়ের একমাত্র ব্যক্তি যে জিব্রাইলের কথা শুনতে
পেতো, তাকে দেখতে পেতো এবং তার সাথে কথপোকথন করতে
পারতো । মুহাম্মদ ছাড়া জিব্রাইলকে কেও দেখেনি, তার কথাও কেউ
শুনতে পায়নি ।
জিব্রাইলকে দিয়ে আল্লাহ যে সব বাণী মুহাম্মদের
কাছে পাঠাতো সেগুলোই পরবর্তীতে সংকলিত হয়ে একটি গ্রন্থ তৈরী করেছে মুসলমানরা, যার নাম আল কুরআন । এটাই মুসলমানদের নিকট পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ ।
আল্লাহ কিছু কথা বলেছে সেগুলো জিব্রাইল এসে
মুহাম্মদকে বলেছে এবং মুহাম্মদ সেই সব কথাগুলোকে সবার কাছে প্রকাশ করেছে । আর এভাবেই কুরআনের
বাণী বা কথা গুলো সবার কাছে পৌছেছে । কিন্তু কুরআনের বাণীগুলো বিগত ১৪০০ বছর ধরে মানুষের কাছে এক
রকমের অর্ধ বহন করেছে । অর্থাৎ কুরআনে যে কথা গুলো বর্ণনা করা হয়েছে সেই কথাগুলোর অর্ধ বিগত ১৪০০ বছর
ধরে এক রকম অর্থ বহন করে এসেছে । কিন্তু বিংশ শতকের শেষ দিকে বা একবিংশ শতকে এসে কুরআনের অর্থগুলো
পরিবর্তিত হতে থাকে ।
Subscribe to:
Posts (Atom)