মুসলমানদের দাবি :
পবিত্র কুরানে আল্লাহ (৭৯) সুরা নাযি'আত-এর ৩০ নাম্বার আয়াতে
বলেছে,
"এবং পৃথিবীকে এরপর করেছে ডিম্বাকৃতির l
"
এই আয়াত উল্লেখ করে মুসলমানরা দাবি করে এই
আয়াতে আল্লাহ পৃথিবীর আকৃতি স্পষ্ট ভাবে উপস্থাপন করেছে l মুসলমানদের দাবি পৃথিবী সম্পূর্ণ রূপে ডিম্বাকৃতির l আর আল্লাহ এই আয়াতের মাধ্যমে জানাচ্ছে যে পৃথিবী ডিম্বাকৃতির l তাদের দাবি কুরানে এই আয়াতে আল্লাহ পৃথিবীকে ডিম্বাকৃতির বলেছে
১৪০০ বছর আগে l সুতরাং কুরআন সত্যই আল্লাহর বাণী l
এখন আমরা দেখবো আসলেই কুরানে পৃথিবীর আকৃতি
স্পষ্ট করে বলতে পেরেছে কিনা !
উপরিউক্ত আয়াতটির অনুবাদ বিভিন্ন অনুবাদকগণ
করেছেন নিম্নুক্ত ভাবে !
কুরানে মুসলমানদের সৃষ্টির জনক আল্লাহ বলেছে,
৭৯) সুরা নাযি'আত, আয়াত ৩০ :
"এবং পৃথিবীকে এরপর বিস্তৃত করেছেন l
" (অনুবাদ - প্রফেসর
ড: মুহাম্মদ মুজিবুর বহমান )
"আর পৃথিবী- এরপরে তাকে প্রসারিত করেছেন l " (অনুবাদ - ড: জহুরুল হক)
“And after that He spread the earth,” (অনুবাদ - Mohammad Marmaduke Pickthal)
“And the earth, moreover, hath He extended
[to a wide expanse];” (অনুবাদ - Abdullah
Yusuf Ali )
“And after that He spread the earth.” (অনুবাদ - Saheeh
International )
সুতরাং দেখা যাচ্ছে উপতিউক্ত
কোন অনুবাদেই বলা হয়নি যে পৃথিবী ডিম্বাকৃতির l বরং সব অনুবাদেই
বলা হচ্ছে পৃথিবীকে বিস্তৃত করা হয়েছে l
তাহলে মুসলমানরা কেন এমন
দাবি করে ?
এর উত্তর খুব সহজ; কারণ কুরানে পৃথিবীকে সমতলে বিস্তৃত করা হয়েছে এই কথাটিই বলা হয়েছে বারবার বিভিন্ন আয়াতে l তাহলে কুরানে
পৃথিবী সম্পুর্কে মিথ্যে বলা হয়েছে বা ইঙ্গিত করা হয়েছে যে পৃথিবী সমতল l ফলে কুরআন মিথ্যে হয়ে যাচ্ছে l আর এজন্যই কুরআন কে বাচাতে অর্থাত কুরআনকে আল্লাহর বাণী বলে
(মিথ্যে করে) প্রচার করতেই ৭৯:৩০ আয়াতের অর্থ বিকৃতি করে ডিম্বাকৃতির বলা হচ্ছে যেন
সেটা পৃথিবীর আকৃতির সাথে মিলে যায় !
এমনকি মুসলমানদের দাবিও
খুব অদ্ভুত ! ৭৯:৩০ আয়াতে পৃথিবীকে বিস্তৃত করা হয়েছে বুঝাতে যে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে
সেটা হচ্ছে আরবি 'দাহাহা' যার অর্থ বিস্তৃত করা l তাহলে তারা
দাহাহা শব্দটি দিয়েও কুরআনকে বাচাতে পারছে না ! তারপর তারা যে চালাকিটা করেছে সেটা
হলো আরবি 'দাহাহা'
শব্দটি এসেছে মূল শব্দ
আরবি 'দুইয়া'
থেকে যার অর্থ হলো উটপাখির
ডিম l আর তাই তারা এই আয়াতের অর্থ পরিবর্তন করে নতুন
অর্থ করেছে ডিম্বাকৃতির l বিষয়টা এমন যে বাংলা শব্দ
হস্তি এসেছে মূল শব্দ হস্ত থেকে l
এখানে হস্ত মানে হাত এবং
হস্তি মানে হাতি l এখন যদি কথা প্রসঙ্গে বলা
হয় হাতির কথা এবং সেখানে আসলে হাতি হবে না তখন কেউ একজন বললো যে হাতি বা হস্তি শব্দটি
এসেছে মূল শব্দ হস্ত থেকে আর তাই এখানে অর্থ হবে হাত; হাতি হবে না l
তাহলে সেটাকে অজ্ঞতা অথবা
ভন্ডামি হিসেবেই চিহ্নিত করা হবে l
ঠিক তেমনি দাহাহা শব্দটি
এসেছে মূল শব্দ দুইয়া এবং দুইয়া অর্থ উটপাখির ডিম আর তাই দাহাহা অর্থ ডিম্বাকৃতিই হবে
এমন কোন কথা নেই l আর হলেও সেটা আমরা অ-আরবিকরা
কখনই বুঝতে পারব না l যদি আরবি ভাষা জানা থাকে
তবে ভিন্ন কথা l কিন্তু খুব কম মানুষই আরবি জানে ! আর যারা উক্ত আয়াতের অনুবাদ
করেছে তারা খুব ভালো ভাবে আরবি জেনেই অনুবাদ করেছে l সুতরাং এখানে
উটপাখির ডিম না হবার সম্ভাবনা কম নয় বরণ খুব বেশি l এমনকি দাহাহা-এর
অর্থ বিস্তৃত করা এটা সবাই জানে এবং স্বীকার করে l আর তাই এখানে
দাহাহা অর্থ বিস্তৃত করাই উপযুক্ত l
কুরআনের সব আয়াতে পৃথিবীর বর্ণনা দেয়া হয়েছে বিস্তৃত হিসেবে ! কুরানে যতগুলো আয়াত আছে পৃথিবীর আকৃতি বা বিস্তৃতি সম্পর্কে তার সবগুলোতেই পৃথিবীকে বিস্তৃত বা প্রশস্তভাবে বিস্তৃত বলা হয়েছে ! শুধু এই আয়াতে (৭৯:৩০) বলা হয়েছে পৃথিবীকে দাহাহা করা হয়েছে l
দাহাহা অর্থ বিস্তৃত করা l আবার দাহাহার আরেকটা অর্থ আছে আর সেটা হচ্ছে উট পাখির ডিম l
একটা শব্দের অনেকগুলো অর্থ থাকতে পারে (সব ভাষাতেই আছে) কিন্তু কোন বাক্যে ব্যবহৃত শব্দের সেই অর্থই করা যায় যেটা বাক্যে বলা হয়েছে এবং লেখক যে অর্থে ওই শব্দটা ব্যবহার করেছে ! অনুবাদের ক্ষেত্রে পুরো পৃথিবীতে এই নিয়মটিই মানা হয় l এখানে অভিধানে ওই শব্দটির কতটি অর্থ আছে সেটা মুখ্য বিষয় নয় l এবং এদের মধ্য থেকে ইচ্ছে অনুযায়ী যেকোন অর্থ নেয়াও যায় না ( নেয়া উচিতও নয় ) l যেটা বাক্যের বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ সেই অর্থই নিতে হয় l
পুরো কুরআনে পৃথিবীকে বারবার বিস্তৃত বলা হয়েছে l অর্থাত যতগুলো আয়াত আছে পৃথিবী সম্পর্কে সবগুলোতেই পৃথিবীকে 'বিস্তৃত করা হয়েছে' বলা হয়েছে l আবার ৭৯:৩০ নাম্বার আয়াতেও দাহাহার অর্থ হচ্ছে বিস্তৃত করা l সুতরাং এখানে দাহাহার অর্থ বিস্তৃত করা অর্থটাই নিতে হবে যেহেতু কুরানে সব আয়াতে পৃথিবীকে 'বিস্তৃত করা হয়েছে' এই কথাটাই বারবার বলা হয়েছে l আর তাই দাহাহা অর্থ উটপাখির ডিম হলেও এই অর্থটা এখানে নেয়া যাবে না l কারণ কুরানে অন্য কোথাও বলা হয়নি পৃথিবী উট পাখির ডিমের মত l বরং সব জায়গাতেই বলা হয়েছে পৃথিবীকে বিস্তৃত করা হয়েছে l আর তাই দাহাহা'র অর্থ বিস্তৃত করা এটাই এই বাক্যে উপযুগী এবং এটাই কুরানে ব্যবহৃত আসল অর্থ l আর তাই দাহাহার অর্থ উটপাখির ডিম এটা এই বাক্যে ব্যবহৃত হবে না l তাই পৃথিবীকে করা হয়েছে উট পাখির ডিম এই অর্থ করা একেবারেই অর্থহীন l বরং পৃথিবীকে বিস্তৃত করা হয়েছে এই অর্থটাই উপযুক্ত ওই বাক্যে যেহেতু কুরআনের সবগুলো আয়াতেই পৃথিবীর ক্ষেত্রে বলা হয়েছে একে বিস্তৃত করা হয়েছে !!
সুতরাং ৭৯:৩০ আয়াতের অর্থ হবে
এরপর পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন l এর ভিন্ন অর্থ হবে
না l
আমরা জানি পৃথিবীর আকৃতি গোলক আকার কিন্তু
ডিম্বাকার নয় ! অর্থাত পৃথিবীর আকৃতি ফুটবলের মত গোলকাকার কিন্তু ডিমের মত নয় l
পৃথিবী কি সত্যি ডিম্বাকৃতির বা বর্তুলাকার
?
আসুন দেখি পৃথিবী দেখতে কেমন অর্থাত পৃথিবীর
আকৃতি প্রকৃতপক্ষে কেমন !
পৃথিবীর আকৃতি অনেকটা কমলা লেবুর আকৃতির অথবা
ফুটবল আকৃতির মত l এর কারণ হচ্ছে পৃথিবীর equatorial
diameter বা বিষুবীয় অঞ্চলের দৈর্ঘ্য হচ্ছে ১২,৭৫৬ কি.মি., আর polar diameter বা দুই মেরুর দৈর্ঘ্য হচ্ছে ১২,৭১৩ কি.মি. l
তাহলে দেখা যাচ্ছে যে বিষুবীয় অঞ্চলের দৈর্ঘ্য এবং দুই মেরুর
দৈর্ঘের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে ৪৩ কি.মি. মাত্র l তাহলে দেখা যাচ্ছে যে এত বড় পৃথিবীতে ইকুয়েটরিয়াল এবং দুই পোলার-এর দূরত্বের মধ্যে
পার্থক্য হচ্ছে মাত্র ৪৩ কি.মি. l যেটা কোনো পার্থক্যই
নয় আপাত দৃষ্টিতে l কারণ পৃথিবী এত বড় যে দুই অক্ষের (বিষুবীয়
ও মেরু) দৈর্ঘ্যের পার্থক্য এত কম যে এই পার্থক্যটা কখনও বুঝা যাবে না পুরো পৃথিবীর
ছবি দেখে বা মহাকাশ থেকে দেখে l যার অর্থ হলো পৃথিবী
আসলে ঠিক ফুটবল বা কমলার একদম কাছাকাছি আকৃতির l কিন্তু ডিম্বাকৃতির বা বর্তুলাকার নয় l অর্থাত পৃথিবীর আকৃতি যতটুকু ফুটবল আকৃতির বা কমলার আকৃতির অনুরূপ, ঠিক ততটুকুই ডিম্বাকৃতির সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ l অর্থাত কমলা বা ফুটবলের আকৃতির সাথে যতটা পৃথিবীর আকৃতি মিলে
যায় ঠিক বিপরীত হচ্ছে ডিম্বাকৃতির সাথে l মানে পৃথিবী
আসলে ডিম্বাকৃতির নয় বরং ফুটবল আকৃতির বা কমলা আকৃতির l কারণ বিষুবীয় অঞ্চলের দুরত্ব এবং দুই মেরুদ্বয়ের দূরত্বের পার্থক্য খুব কম হওয়ায়
পৃথিবীর আকৃতি আসলে ফুটবল আকৃতির বা সুষম গোলক আকৃতির l
আর তাই মুসলমানদের দাবি যে পৃথিবী ডিম্বাকৃতির
বা বর্তুলাকার এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং মিথ্যা l আদতে বিষুবীয় ও মেরুদ্বয়ের দুরুত্বের পার্থক্য এত কম যে এটাকে পুরোপুরি সুষম গোলক
আকৃতির দেখায় বা একদম ফুটবল আকৃতির দেখায় l এজন্যই মহাবিশ্ব থেকে উঠানো পৃথিবীর ছবি দেখতে একদম সুষম গোলকের মত বা ফুটবলের
মত দেখায় l সুতরাং পৃথিবী একদম গোলক আকৃতির l
আর তাই মুসলমানদের দাবি পৃথিবী ডিম্বাকৃতির
এটা সম্পূর্ণই মিথ্যা ও তাদের পতারণা মাত্র l
সুতরাং কোন ভাবেই ৭৯:৩০ নয় আয়াতের সাথে পৃথিবীর
আকৃতি কখনই মিলে না l আর তাই এই আয়াতে পৃথিবীর আকৃতি সম্পর্কে ভুল
কথা বলা হয়েছে বা মিথ্যে কথা বলা হয়েছে l
সুতরাং কুরআন আল্লাহর বাণী নয় l নানাবিদ ভুল তথ্য ও মিথ্যে কথা বলাতে এটাই প্রমানিত হয় যে কুরআন
কোন সৃষ্টিকর্তার দ্বারা রচিত হয়নি বরং এটা কোন স্বাধারণ মানুষ লিখেছে l
আচ্ছা সকল ধর্ম মানুষের লিখা আপনাদের মতে। তাহলে ধর্ম বলে বাবা মা র সাথে sex কর না। কিন্তু নাস্তকবতবাদে তা বলে না। আপনি কি আপনার মায়ের সাথে sex করতে পারবেন ????? আর সাধারণ মানুষ যদি কোরআন লিখে থাকে তাহলে সেই সাধারণ মানুষ কেমনে বলে চাঁদের আলো নিজস্ব না, সূর্য তার কক্ষ পথে ঘুরে, তারপর পিপড়া কথা বলে ??? কে কিভাবে বলছে জানতে চায় ভাই।
ReplyDeleteআচ্ছা ধর্ম গ্রন্থ বলে বাবা মা এর সাথে সেক্স করো নাহ,,,,,, তাই আস্তিকরা করে নাহ। কিন্তু ধর্ম গ্রন্থ তে উল্লেখ না থাকলে কি আপনারা আস্তিকরা কি মা বোন এর সাথে সেক্স করতেন? কি আজব? আপিনাদের চিন্তা
Deleteতুমি বাল
Deleteনাস্তিকতাবাদ অবশ্যই বলে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন হতে বিরত থাকতে। মা তো দূরের কথা, এমনকি কাজিনকে বিয়ে করাও নাস্তিক্যবাদে অপছন্দনীয় কাজ। আপনি হয়তো জানেন না, নাস্তিক্যবাদের মূল ভিত্তি হলো বিজ্ঞান। আর বিজ্ঞান বলে, ঘনিষ্ঠ ও নিকট সম্পর্কের আত্মীয়ের সাথে শারীরিক সম্পর্কের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তান বিকলাঙ্গ ও শারীরিক ত্রুটিসম্পন্ন হয়। আসলে আপনাদের মুমিনদের বদভ্যাসটা হলো, যখনই পয়েন্ট টু পয়েন্ট লজিক দিতে পারেন না, তখন সেই প্রসঙ্গ থেকে সরে এসে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন।
Deleteকুরআন বলে সূর্য ঘুরে কিন্তু সেই সাথে আবার পৃথিবীকেও স্থির বলে। কুরআনের সূরা ফাতির আয়াত ৪১, সূরা লোকমান আয়াত ১০ এ পৃথিবীকে স্থির বলা হয়েছে। এছাড়াও একটি হাদিস আছে সহিহ বুখারী হাদিস নং ৩১৯৯,৭৪২৪,সহিহ হাদিসে কুদসি হাদিস নং ১৬১ সূর্য প্রতিদিন অস্ত গিয়ে আরশের নিচে সিজদা দেয় ও পরদিন ভোরবেলা আল্লাহর অনুমতি নিয়ে উদিত হয়। তারমানে বুঝা গেল কুরআনে সূর্য ঘুরে বলতে সৌরজগতের কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে বা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির চারদিকে ঘুরাকে বুঝানো হয় নি। বরং বুঝানো হয়েছে সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে। এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল, সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে এটা প্রাচীনকালের মানুষের ভুল ধারণা এবং সেটাই কুরআনে এসেছে।
আপনি কি মনে করেন সৃষ্টিকর্তা বলতে কিছু নেই, মানুষের রুহু ন্যাচারালি হয়েছে,,,, তবে অপেক্ষা করুন যখন সময় আপনাকে অনেক কিছু বলে দিবে তখন সৃষ্টিকর্তার সামনে আপনার আর সময় থাকবে না
Deleteকোরআন সম্পর্কে বিশদ না জেনে মন্তব্য করা কেবল খিন্জির সদৃশ পশুই করতে পারে।
Deletehttp://www.shodalap.org/rk-rizvi/28947/
ReplyDeleteআপনি কোন ধর্মালম্বী?
ReplyDeleteআপনাকে আমি 1400 বছরের পূর্বের সেই চ্যালেন্ঞ্জ আবার করছি আপনি আরবী ভাষায় পিএইচডি করে কুরআনের সবচেয়ে ছোট সূরার মত একটি সূরা তৈরী করে দেখান। প্রয়োজনে সমগ্র বিশ্ববাসীর সাহায্য নিন।আপনাকে সময় দেয়া হল কিয়ামাত অবধি।
আপনাকে চ্যালেন্জ দিলাম গীতাঞ্জলির মত একটা সেইম বই লিখে দেখান ।
Deleteকুরআনের মতো বললে তো বলবেন আপনারাই নকল করেছে আর আপনার কুরআনের আয়াতের চেয়ে ভালো কথা অনেক লেখক, বিজ্ঞানের, দর্শনের বইয়ে আছে। আপনার আল্লাহ অভিশাপ বর্ষণকারী আর অভিশাপ বর্ষণকারীর চেয়েও মস্ত উক্তি বলা সম্ভব। আপনার আল্লাহ কতো নিম্নমানের যে সাধারণ মানুষের কাছে চ্যালেঞ্জ করে।
Deleteআপনি সাধারণ মানুষ নাতো মহাপুরুষ নাকি ভাই?
Deleteভাই আপনাকে তো আরবি ব্যাকরণ জানতে হবে। তারপর তর্ক করেন , আপনি জানেন , কিছু কিছু গোত্র ভেদে আগে আরবি ব্যাকরণ বদলে যেত ? আপনাকে অনেক কিছু জানতে হবে। আর অবশ্যই শব্দের উৎপত্তি জানতে হবে।
ReplyDeleteপৃৃথিবী গোল এর প্রমাণ কি ?
ReplyDeleteহাহাহা
Deleteদা হা হা এর আরেকটি অর্থ ডিম্বাকৃতি। আর এটা সাধারণ কোনো ডিমকে বোঝানো হচ্ছে না, নির্দিষ্ট করে বলা হয়েছে উট পাখির ডিমকে। আর উট পাখির ডিম দেখবেন এটাও গোর্তুলাকার। তাহলে এখানেই প্রমাণিত হয় কোরআন সঠিক কথাই বলছে। আমরা শুধু তার স্পষ্ট ভাষা জানিনা।
Deleteআপনার কথা শুনে হাসি পাইলো । আপনি অমুসলিম তাই কাফেরদের মত কুরআনের বিরুদ্ধাচার করতে। আপনার বুকটা একটুও কেপে ওঠল না। আপনার ধর্ম কি জানতে চাই ভাই। আপনার ধর্মে কোনো গন্ত কিতাব আছে কি ভাই, এটাও জানতে চাই। আর যদি আপনার ধর্মে কোনো গন্থ কিতাব থাকে। তাহলে সে কিতাবের বাণী কার এবং কোথায় থেকে আসলো। কার মাধ্যমে আসলো জানতে চাই।
ReplyDeleteপৃথিবীর আকৃতি মোটেই উটপাখির ডিমের মতো না, এটা অনেকটা কমলালেবুর মত।
ReplyDeleteপৃথিবীর সব বড় বড় সব তাফসিরকাররা কোথাও পৃথিবীর আকৃতি উট পাখির ডিমের মত বলেনি। শুধুমাত্র জাকির নায়েকের মত আরবি না জানা লোকেরাই এর অর্থ উট পাখির ডিম বানাইছে!কুরান বিকৃতির জন্য এরা জাহান্নামি হবে।
ReplyDeleteদাহাহার অর্থ দেখুন গুগলে। "মূর্খ"
ReplyDelete٣٠. وَٱلْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ
Deleteপৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।
যে ব্যক্তি হক কথা বলে তার পিছনে শয়তান ছুটে পড়ে ।
ReplyDeleteআপনি মুসলিম নয়।
আল্লাহ আপনাকে হেদায়েত করুন 'আর তা নাহলে ধ্বঃষ করে দিক "আমিম"
ReplyDeleteআপনি আরবি ভাষা জানেন না " আন্দাজে কথা বলে *মানুষকে বিভরান্ত করবেন না" এই পর্যন্ত কুরআনের একটি ভুল ও কেও প্রমান করতে পারেনি * আর আপনি আর কী ভুল ধরবেন * কারন এটা সেই কিতাব যে কিতাবে কোনো ভুল তো দুরে থাক 'সন্দেহ ও পর্যন্ত নেই *
ReplyDeleteআপনার আল্লাহর একটি বৈজ্ঞানিক ভুল -তিনি বলেন রাত দিনের মধ্যে প্রবেশ করে আর দিন রাতের মধ্যে প্রবেশ করে।এটা একটা বৈজ্ঞানিক ভুল। গোটা পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন কারণ পৃথিবীর নিজস্ব আলো নেই মূলত মানুষ যে দৃশ্যমান আলোই দেখতে পাই তা নেই।তো সূর্যের আলোর অনুপস্থিতিতে গোটা পৃথিবী অন্ধকারাচ্ছন্ন হবে। মূলত যেখানে সূর্যের আলো পরে সেখানে দিন হয়েছে বলি।কার যেখানে আলোর অনুপস্থিতি সেখানে রাত। অর্থাৎ দেখাই যাচ্ছে রাত দিন একে অপরের মধ্যে ঢুকাঢুকি করে না কারণ ঢুকাঢুকি করতে হলে তাদের আলাদা আলাদা অস্তিত্ব দরকার হতো।রাত দিন কেবল একটি আলোকিত অবস্থার নাম এছাড়া তাদের কোনো অস্ত্বিত্ব নেই যে কেউ ছুটে এসে আরেকজনের মধ্যে প্রবেশ করবে। আপনার আল্লাহ অংক করতে পারে না সেজন্য আলী রা কর্তৃক আউল পদ্ধতি প্রয়োগ করে অংক ঠিক করতে হয়েছে আপনার আল্লাহর করা ভুল,বন্টন করার ব্যর্থতা মানুষ ঠিক করেছে তবুও বলবেন এটা কোনো স্রষ্টার বাণী।
Deleteপৃথিবী সব সময় ঘুরছে। অন্ধকার অংশটা ধীরে ধীরে ঘুরতে ঘুরতে আলোকিত অংশের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে এবং একসময় আলোকিত অংশে ঢুকে যায়। এই আলোকিত অংশও ধীরে ধীরে ঘুরতে ঘুরতে অন্ধকার অংশের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে এবং একসময় অন্ধকারে ঢুকে যায়। আমি রাত্রিকে দিনে প্রবিষ্ট করাই এবং দিনকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করাই।এই আয়াতের সহজ ব্যাখ্যা তো এটাই। আর এ থেকে যে পৃথিবী গোল তার প্রমাণও পাওয়া যায়।
Deleteআমি science এর ছেলে আমরা জানি বিশ্ব টা পুরোটা
ReplyDeleteসুষম গোল নয়: তোর এই সব কথা পুরোটা ভিত্তিহীন ;
এই ভয়কুরে তোর এই সব কথা এইভাবে লুকিয়ে না বলে সামনে এসে বল" 📢📢📢বিতর্কের আয়োজন কর- তোর আবোল তাবোল কথার জবাব class 2 টে পড়া শিশুও 🤭দিতে পাড়বে (ইনসাল্লাহ) সেও জানে বিশ্বটা সুষম গোল নয় অনেকটা ডিম্বাকৃতি যা আধুনিক বিঞ্জান বলে
ReplyDeleteনাস্তিক শব্দের অনেকগুলা অর্থের মধ্যে একটি হল গালি। আরেকটি হল জারজ।। উদাহরন - রিপ্লাইদাতা
ReplyDeleteতোর জ্ঞান কম
ReplyDeleteপৃথিবী গোলাকার-এটি সঠিক ধারণা। কিন্তু পরিপূর্ণ গোলাকার নয়। পৃথিবীর আকার দুই মেরুতে কিছুটা চ্যাপ্টা, ডিমের মতো। এ কারণে, পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ভিন্ন ভিন্ন পাওয়া যায়। তাহলে? তাহলে কুরআন কি ভুল কথা বললো?
ReplyDeleteনা। আমরা ছোটবেলায় যেমন শিখে এসেছি পৃথিবী গোলাকার তেমনিভাবে কুরআনে পৃথিবীর আকার-আকৃতি সম্পর্কে প্রাথমিক ইঙ্গিত দিয়ে বলা হয়েছে-এটি গোলাকার। তবে উচ্চতর পড়াশুনার জন্য আল্লাহ প্রকৃত আকৃতিটিও বলে দিয়েছেন কুরআনের মধ্যে। সূরা নাযিয়াতের ৩০ নং আয়াতে বলা হয়েছে-
وَالْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَاهَا “অতঃপর তিনি (আল্লাহ) পৃথিবীকে দান করেছেন ডিম্ব আকৃতি।”
এই আয়াতে যে আরবি শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে তা হল ‘দাহাহা’ 'دحها'। প্রাচীন অনুবাদগুলিতে এই আয়াতের অর্থ রয়েছে-‘অতঃপর তিনি পৃথিবীকে বিছিয়ে দিয়েছেন।’ যেহেতু তারা পৃথিবীর আকৃতি-প্রকৃতি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না তাই তারা দাহাহা (دحها) শব্দটিকে ‘দাহবুন’ (دحو) এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছিলেন এবং তার অর্থ করেছিলেন ‘প্রসারিত করা বা বিছিয়ে দেওয়া।’ ‘দাহা’ শব্দের প্রকৃত অর্থ ‘উটের ডিম’। তার কিছু সাধিত শব্দ নিম্নরূপ।
আল-উদহিয়্যু (الأدحي) -উটপাখির ডিম।
আল-উদহুয়্যাতু (الأدحوة) -উটপাখির ডিমের স্থান।
তাদাহহিয়ান (تدحيا) - গর্তের মধ্যে একটি পাথর পতিত হওয়া।
আয়াতটি এভাবে পৃথিবীর কিছুটা ডিম্বাকৃতি হওয়ার কথা পরিষ্কারভাবে নির্দেশ করে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে। পৃথিবীর উত্তর-দক্ষিণের ব্যাসের তুলনায় নিরক্ষীয় ব্যাসের আপেক্ষিক পার্থক্য এটিকে একটি বর্তুল আকৃতি কিংবা ডিম্ব আকৃতি দান করেছে
আপনি যে গণ্ডমূর্খ তা আবারো প্রমাণ করলেন। জীবনে কোনোদিন উটপাখির ডিম দেখেছেন? পৃথিবীর আকৃতি কেন উটপাখির ডিমের মতো হতে যাবে? পৃথিবীর উত্তর দক্ষিণ বরাবর ব্যাস ১২৭০৪ কি.মি. ও পূর্ব পশ্চিম বরাবর ব্যাস ১২৭৫২ কি.মি.। তাহলে আমরা দেখতে পেলাম পূর্ব পশ্চিম ও উত্তর দক্ষিণ বরাবর পৃথিবীর ব্যাসের পার্থক্য এতোটাই ক্ষুদ্র যে পৃথিবীকে সুষম গোলক বললেও ভুল হবে না। অথচ চোখের আন্দাজে দেখেই বলে দেওয়া যায়, উটপাখির ডিমের একটি ব্যাস অন্য ব্যাসের প্রায় দ্বিগুণ এবং শুধু তাই নয়, উটপাখির ডিমের উপরের অংশ অনেক চোখা এবং নিচের অংশ একটু চাপা কিন্তু পৃথিবীর উত্তর মেরু দক্ষিণ মেরুর তুলনায় চোখা বা চাপা নয় বরং দুটোই সমান চাপা। তাই যে বা যারা পৃথিবীকে উটপাখির ডিমের সাথে তুলনা করল, সে বা তারা বদ্ধ উন্মাদ ছাড়া আর কিছুই নয়।
Deleteআপনি অনুবাদগুলোতে নিজেই স্বীকার করলেন,একমাত্র উদহিয়্যু অর্থ উটপাখির ডিম, কিন্তু উদহুয়্যাতু, তাদাহহিয়ান অর্থ উটপাখির ডিম নয়। আর সূরা নাযিয়াত এর ৩০ নং আয়াতে উদহিয়্যু শব্দটি ব্যবহৃত হয়নি, হয়েছে দাহাহা শব্দটি। দাহাহা শব্দটি যদি উদহিয়্যু শব্দটি থেকেও এসে থাকে, তবুও এর অর্থ বিস্তৃত বা সম্প্রসারিত। কিভাবে? আপনি নিশ্চয়ই জানেন উটপাখির ডিম হাঁস-মুরগি বা কবুতরের ডিমের মতো নয় বরং এর আকৃতি অনেক বিশাল,বিস্তৃত ও সম্প্রাসিরত। উদহিয়্যু অর্থ যেহেতু উটপাখির ডিম, তাই দাহাহা অর্থ হল উটপাখির ডিম যেমন বিশাল ও বৃহদাকার, তেমনি বিশাল, বিস্তৃত, সম্প্রসারিত। অতএব উদহিয়্যু মানে উটপাখির ডিম হলে দাহাহা মানে কোনোভাবেই উটপাখির ডিম নয়। দাহাহা অর্থ বিস্তৃত, সম্প্রসারিত
আরে ভাই আপনার মত বহু নাস্তিক try করছে আপনি এত পালুয়ান না একটা সূরা তৌরি করে দেখান দেখি। আরে ভাই আমরা ফালতু বিজ্ঞান এর পর বিশ্বাস করি না যে বিজ্ঞান কখোনো স্হায়ী নয়। কারন গ্রিক জ্যোতির বিজ্ঞানি টলেমি প্রথম বলেছিলেন সূর্য ঘুরে পৃথিবীর চারদিকে কিন্তু তার ধারনা র্দীঘ দিন স্থায়ী হয় নাই মাএ স্হায়ী ছিল ২৫০ বছর। তার পর আরেক বিজ্ঞানি কপার নিকাশ এসে বলল সূর্য না পৃথিবী ঘুরে সূর্যের চারপাশ্বে তার চিন্তা দ্বরা ছিল ভুল। কিন্তু তার চিন্তা দ্বরা স্হায়ী ছিল ৫০ বছর। এখন আপনি বলেন কোন বিজ্ঞানে আমরা বিশ্বাস করবো যে বিজ্ঞানেরর কথা সকেন্ডে সেকেন্ডে পরিবর্তন হয়। কিন্তু আল-করআন ১৪ বছর আগে সূরা ইয়াসিন-৩৫- আয়াত ৪০-না সূর্যের ক্ষমতা আছে চাঁদকে ধরে ফেলে এবং না রাত দিনের ওপর অগ্রবর্তী হতে পারে,সবাই এক একটি কক্ষপথে সন্তরন করছে। এখন আপনি বলেন বিজ্ঞান যেটা কিছুদিন আগে স্থায়ী হয়েছে সেটা আরবীয় যুবক সেটা কিভাবে জানল। আপনার কি জানা আছে মরিল বৌকালির কথা জার্মান বিজ্ঞানি আল কুরআনের ভূল দরতে গিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন
ReplyDeleteএখন কি আপনি ওনাকে বুকা বলবেন ওনি এখনকার বিজ্ঞানের মধ্যে অন্যতম শ্রৈষ্ট বিজ্ঞানি। আজ কাল কুরআনের সাথে বুহুত বিজ্ঞানি একমত আপনার মত পাগলের কথায় এখন করো ইমান দর্বল হবে না কারন বাংলার মানুষ এখন বহু সচেতন তরা কুরআন এখন অর্থ বুঝে পরে so আপনার কথায় তাদের ইমান দুর্বল হবে না। আর আমি সবাই কে বলব প্যারাডিক্যাল সাজিদ বইটি পরার জন্য এখানে আপনারা নাস্তিকদের সকল প্রশ্নের উওর পাবেন। এটা playstore সবাই পাবেন।
কুরআন ভুল নয় ২ ভাবেই প্রমাণ করবো ইনশাল্লাহ। যথা: ১. মূল শব্দে ফেরত গিয়ে। ২. মূল শব্দে ফেরত না গিয়ে।
ReplyDelete১. যেহেতু বাংলা ' হস্তী ' দিয়ে উদাহরণ দিয়েছেন তাই বাংলা দিয়েই যুক্তি খন্ডন করলাম।
বাংলা ভাষায় একটি বিদেশি প্রত্যয় আছে ' সই '। যেটি মতো অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন : মানানসই = মানিয়ে নেয়ার মতো। এছাড়া জুতসই, চলনসই, টেকসই।
কিন্তু ' টিপসই ' ও ' নামসই ' এখানে সই আর প্রত্যয় নয়। এখানে সই এসেছে মূল শব্দ ' সহি = স্বাক্ষর ' থেকে। তাই এখানে মূল শব্দে ফেরত যেতে হচ্ছে।
( Ref : ৯ম - ১০ম শ্রেণি, বাংলা ২য় পত্র)
তাই মূল শব্দ ' দুইয়া ' তে ফেরত যাওয়া বাংলা দিয়ে বিচার করা মূর্খতা। কারণ আরবি আর বাংলা ব্যকরণ কোনো ভাবেই এক নয়।
২. দাহাহা= বিস্তৃত। এটা সমতল নয়। যেমন : ইনটারনেট সারা বিশ্ব জুড়ে বিস্তৃত। এটা কি সমতল?? তাফসির অনুযায়ী এই আয়াত এর অর্থ ইসলামি চিন্তাবিদরা বলেছেন ' পৃথিবী অবস্থান ও বসবাসের জন্য বিস্তৃত। ' তাই ২ টার মধ্যে যেকোনো ১টা সঠিক হলেই কুরআন সঠিক। কারণ ২ টাই ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
Masha allah bhai...darun bolechen
Deleteসূরা ইন্শিক্বাক্বের ৩ নম্বর আয়াত দেখুন- “আর যখন পৃথিবীকে সমতল করা হবে।” (৮৪:৩)
ReplyDelete‘যখন সমতল করা হবে...’ অর্থাৎ এখনই সমতল না। যদি আল্লাহ্ পৃথিবীকে সমতলই বলতেন, তাহলে আবার সমতল করার কথা বলবেন কেন? এই আয়াত থেকেই স্পষ্ট বুঝা যায়, কুরআনে পৃথিবীকে সমতল বলা হয় নি। যদি এখানে মসৃণ সমতলের কথা বলা হত তা হলে আল্লাহ্ পরের আয়াতে এটি উল্লেখ করতেন না- “আর তার ভেতরে যা-কিছু রয়েছে তা নিক্ষেপ করবে এবং শূন্যগর্ভ হবে।” (৮৪:৪) এখানে মসৃণ সমতল নয়- একেবারে অরিজিন সমতল। যদি মসৃণ সমতলের কথা বলতেন, তাহলে পৃথিবীর উপরিভাগের কথা বলতেন। কিন্তু পুরো সূরাতে আল্লাহ্ কোথাও উপরি-অংশ বা উপরিভাগের কথা উল্লেখ করেন নি।
“তিনি রাত্রি দ্বারা দিনকে আচ্ছাদিত করেন এবং রাত্রিকে আচ্ছাদিত করেন দিন দ্বারা।” (সূরা আয-যুমার ৩৯:৫)
উপরের আয়াতটিতে যে আরবি শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটি হলো “يُكَوِّرُ”। যার অর্থ কোন জিনিসকে প্যাঁচানো বা জড়ানো, যেমনটা মাথার পাগড়ির ক্ষেত্রে বুঝানো হয়। অবিরত প্যাঁচানোর পদ্ধতি- যাতে এক অংশ আরেক অংশের ভেতর ঢুকে যাচ্ছে। আমরা ভালোভাবেই জানি, পাগড়ি কিভাবে গোলাকারভাবে প্যাঁচানো হয়। এই আয়াতে বলা হচ্ছে, রাত ধীরে ধীরে ক্রমশ দিনে রূপান্তরিত হয়, অনুরূপভাবে দিনও ধীরে ধীরে রাতে রূপান্তরিত হয়। এ ঘটনা কেবল পৃথিবী গোলাকার হলেই ঘটতে পারে। পৃথিবী যদি চ্যাপ্টা বা সমতলভূমি হত, তাহলে রাত্রি থেকে দিনে এবং দিন থেকে রাত্রিতে একটা আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে যেত।
মনগড়া ও ভুলভাল ব্যাখ্যা দেওয়ার আর জায়গা পান না? সূরা ইনশিকাকের ৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে
Delete"এবং যখন পৃথিবীকে সম্প্রসারিত করা হবে"।
নাস্তিকরা যখন বলে কুরআনে পৃথিবীকে বিস্তৃত/সম্প্রসারিত করার কথা বলা হয়েছে তাই পৃথিবী সমতল তখন আপনারা বলেন পৃথিবী বিস্তৃত বা সম্প্রসারিত মানে এই নয় পৃথিবী সমতল। অথচ সূরা ইনশিকাকের ৩ নং আয়াতে আপনি নিজেই সম্প্রসারিত আর সমতল দুইটা জিনিসকে এক করে ফেললেন,এর থেকেই বুঝা যায় আপনি কত বড় হিপোক্রেট।
এরপর বললেন কুরআনে পৃথিবীকে সমতল করা হবে বলতে মসৃণ সমতল নয়- একেবারে অরিজিন সমতল। যদি মসৃণ সমতলের কথা বলতেন, তাহলে পৃথিবীর উপরিভাগের কথা বলতেন। কিন্তু পুরো সূরাতে আল্লাহ্ কোথাও উপরি-অংশ বা উপরিভাগের কথা উল্লেখ করেন নি।
আপনি যে মিথ্যা কথা বলছেন তার প্রমাণ পাওয়া যায় সূরা ত্বহার আয়াত ১০৫, ১০৬ ও ১০৭ থেকে
সূরা ত্বহা আয়াত ১০৫ঃ
তারা আপনাকে পাহাড় সম্পর্কে প্রশ্ন করা। অতএব, আপনি বলুনঃ আমার পালনকর্তা পহাড়সমূহকে সমূলে উৎপাটন করে বিক্ষিপ্ত করে দিবেন।
সূরা ত্বহা আয়াত ১০৬ঃ
অতঃপর পৃথিবীকে মসৃণ সমতলভূমি করে ছাড়বেন।
সূরা ত্বহা আয়াত ১০৭ঃ
তুমি তাতে মোড় ও টিলা দেখবে না।
কুরআন বলেছে রাত ধীরে ধীরে দিন ও দিন ধীরে ধীরে রাত হয়, এটা তো একটা Layman's term. কুরআন নাযিলের হাজার হাজার বছর আগেও মানুষ জানতো,দিবারাত্রির পরিবর্তন আকস্মিকভাবে না ঘটে ধীরে ধীরে ঘটে। এর মধ্যে যারা বিজ্ঞান খুঁজে বেড়ায় তারা উৎকৃষ্ট মানের গাধা ছাড়া আর কিছুই নয়। কিন্তু এই দিবারাত্রির ক্রমশ ও ধীরে ধীরে রূপান্তরের জন্য যে পৃথিবীর গোলাকৃতিই দায়ী সেটা কুরআন বা হাদিসে কোথাও বলা হয় নি, বরং সেটা বহু যুগ পরে বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে।
তারা দেখেও দেখে না তারা কানে শুনেও না(আাল কুরআান)
ReplyDeleteঅনুবাদ দিয়ে কোরআনকে জাস্টিফাই করাটা ভুল ।
ReplyDeleteসমতল শব্দের আরবি প্রতিশব্দ হলো ‘সাবি’ ‘আল মুস্তাবি’ এসব । কোরান যদি সত্যিই পৃথিবীকে সমতল বলতো, তাহলে কোরআন নিশ্চয়ই এই শব্দগুলো ব্যবহার করত । কিন্তু কোরআন এখানে এসব শব্দ ব্যবহার করে নি ।
কোরআন এখানে ব্যবহার করেছে ‘ফারাশ’ ‘বাস্বাত’ ‘দাহাহা’ এই জাতীয় শব্দ, যার অর্থ সমতল নয় । এগুলোর অর্থ ‘কার্পেট বা বিছানার মত করে বিছানো’ Spread Out । এগুলো দিয়ে কোনভাবেই বুঝা যায় না যে, পৃথিবী সমতল ।
আয়াতটি হলো, -‘তিনি তোমাদের জন্য জমিনকে করেছেন বিছানা স্বরূপ । আর তাতে তোমাদের জন্য করেছেন চলার পথ ।’আল্লাহ বলছেন, তিনি আমাদের জন্য জমিনকে করেছেন বিছানা স্বরূপ, কার্পেটের মতো করে । আচ্ছা বিছানা বলতে আমরা কি বুঝি ? আমরা বুঝি, বিছানা এমন একটি জিনিস, যা নরম, আরামদায়ক । যাতে বিশ্রাম নেওয়া যায় । যদি এটাকে রূপক হিসাবে ধরি, তাহলে এটা এমন কিছু যাতে স্বচ্ছন্দ বেঁচে থাকা যায়, চলাফেরা করা যায় । আজকের বিজ্ঞানও আমাদের সেটা বলছে ।
বিজ্ঞান আমাদের বলছে, আমাদের পৃথিবীর ভূত্বক মোট সাতটি স্তরে বিভক্ত । এই স্তরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উপরের স্তরের নাম হল Crust । এই স্তরের পুরুত্ব ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার গভীর পর্যন্ত । এটিই সেই স্তর, যে স্তরে আমরা বসবাস করি, চলাফেরা করি । এরপরে আসে Mentle । এই স্তরের পুরুত্ব ২৯০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত । সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হল ৯০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস । এই তাপমাত্রায় মানুষ তো দূরের কথা, একটি ক্ষুদ্র জীবও মুহূর্তে ভস্ম হয়ে যাবে । অথচ পৃথিবীর যে স্তরে আমরা বাস করছি, হাঁটছি, চলছি, তার থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার গভীরে এই ভয়াল স্তর অবস্থিত ।
এটা তো মাত্র দ্বিতীয় স্তরের কথা । এরপরের স্তরের নাম হলো Outer Core । উইকিপিডিয়া মতে, এর পুরুত্ব ২৮৯০ কিলোমিটার এবং এই স্তরের তাপমাত্রা হলো ৩৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস । চিন্তা করুন তো পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ এইসব স্তরে কি ঘটে।
এরপরের স্তরের নাম হলো Inner Core । এটা তো আরো ভয়াবহ । এভাবে যত নিচে নামা হয়, স্তরগুলো ততই ভয়ানক । আমরা যে আগ্নেয়গিরি লাভা দেখি, এটা এই সব স্তরের ছোট একটি বিস্ফোরণ মাত্র । কিন্তু আমরা যে স্তরে থাকি, সেই Crust স্তরের তাপমাত্রা অন্য ৬ স্তরের তাপমাত্রার তুলনায় মাত্র ১%, যা আমাদের বসবাসের উপযোগী ।
এখন, এই দিকে ইঙ্গিত করে আল্লাহ যদি বলেন, আমি তোমাদের জন্য ভূমিকে করেছি বিছানা স্বরূপ, তাতে কি বোঝা যায়, এটা দ্বারা পৃথিবীর শেইপ বুঝিয়েছেন ? একদম না । এটা দিয়ে যে আল্লাহর ভূত্বকের স্তর এর কথাই মিন করেছেন যা, আমাদের বসবাসের উপযোগী, তা আয়াতের পরের অংশ থেকেই বোঝা যায় । এর পরের অংশেই আছে ‘আর’, তাতে তোমাদের জন্য করেছেন চলার পথ ।’
এটা তো একদম ক্লিয়ার আছে যে এটা পৃথিবীর আকার নয়, ভূমির ব্যাপারে বলা হয়েছে । এবং, ভূমির সে অংশের ব্যাপারে, যে অংশে আমরা মানুষেরা বসবাস করছি । যেটা আমাদের বসবাসের জন্য উপযোগী । তাহলে এটা দিয়ে পৃথিবীকে সমতল বানিয়ে দেওয়া যায় কি করে ? স্রেফ মনগড়া ব্যাখ্যা ।’
আল্লাহু আ'লাম।
পৃথিবী কি bistrito noi?? Tahole mittha kmne bolsen....ar akta sobder akadhik ortho hotei pare...okhane apnar mon moto ta noi upojuktotay bosate hobe
ReplyDeleteদাহাহা এর মূল শব্দ দুহিয়া নয়, দাহাহা এসেছে দাহাওয়া থেকে। দুহিয়া শব্দটিও এসেছে দাহাওয়া থেকে।
ReplyDeleteদুহিয়া অর্থ কোনোভাবেই উটপাখির ডিম নয়, দুহিয়া অর্থ উটপাখি যেই স্থানে ডিম পাড়ে সেই স্থান। উটপাখি ডিম পারার আগে সেই স্থানকে সমান করে নেয়। আবার দাহাহা শব্দের শেষে 'হা' আসলে একটি সর্বনাম যার অর্থ ইহা।
মূল ক্রিয়া হচ্ছে দাহা যার অর্থ সমান করা।
ইহা থেকে ইহা থেকে ইহা হয় চেলেঞ্জ করলাম আমার সাথে একটা বিতর্ক হোক ইনশাআল্লাহ।।
Deletewordsense.eu এই সাইটে গিয়ে দাহাহা লিখে সার্চ দিন। তাহলেই সবাই বুঝতে পারবেন দাহাহা শব্দের অর্থ কি। ৮ টা সমার্ধক শব্দ বলি দাহাহা শব্দেরঃ
ReplyDelete1- Expanse
2- Expanded
3- Extended
4- Stretched
5- Egg-shaped
6- Spread
7- Made round
8- Balanced
পোস্টদাতার আরবি সম্মন্ধে পুরোপুরি জ্ঞান না থাকায় এধরণের গাঁজখুরি লেখা' পড়তে হলো!
ReplyDeleteঠিক বলেছেন ভাই।।।।
Deleteএইটা আপনের অগ্যতা একটা ছোবি দিতে চেয়েছিলাম। যে এই শব্দের অনেক অরথ আছে
ReplyDeleteছবি দেয়া যায় না। পুরো লিংক টাই দিলাম।
ReplyDeleteনাস্তিকদের পুরোনো টেকনিক পুরো আয়াত না এনে অল্প কিছু আয়াত কেটে এনে মানুষদের বিভ্রান্ত করা। যেরকম আপনি করেছেন।
(এরপর, তারপর) এগুলোর আগে পরে কি আছে সেগুলো সহ রেফারেন্স তুলে নিয়ে আসেন। তারপর কথা বলি...
http://quranscientificexplain.blogspot.com/2018/01/principles-of-geographic-information.html?m=1
The Quran says that when the night and the day overlap, they make a ball (sphere):
ReplyDelete[Quran 39.5] [Allah] Created the heavens and the Earth in truth. He overlaps [Yukawer in Arabic يُكَوِّرُ] the night over the day and overlaps [Yukawer يُكَوِّرُ] the day over the night, and enslaved the sun and the moon. ALL MOVE (Kullon Yajree كل يجري) to a prerecorded destiny. Is He not the Exalted, the Forgiver?
The Arabic word "Kura" means ball; its verb "Yukawer يُكَوِّرُ" means to make into a ball. The Quran says that the overlapping of the night and the day makes a ball (sphere). Here also the Quran is referring to ALL MOVING, not only the sun and moon but also Earth. In Arabic grammar there is difference between the singular (one), binary (two) and plural (three or more). The reference to binary is "Kulahuma Yajreean كلاهما يجريان" however the Quran said "Kullon yajree كل يجري" referring to the plural (three or more). Since the sun and moon are just two but the Quran refers to three or more then according to the Quran all the three move: sun, moon and Earth.
The Quran says that Earth has a diameter (diameter is simply twice the radius).
[Quran 55,33] O company of Jinn and man, escape the diameters (Aktar in Arabic اقطار) of the Heavens and the Earth if you can, You won't escape without authority.
Diameter in Arabic is Kutr قطر. Its plural is Aktar اقطار. Radii and diameters are properties of circles or spheres only. This conforms with the previus verse, to make into a ball [Yukawer يُكَوِّرُ].
কোরআন অনুযায়ী পৃথিবী গোলাকার।
ReplyDelete==============
কোরান বলে যে যখন রাত এবং দিন ওভারল্যাপ হয়, তারা একটি বল (গোলক) তৈরি করে:
[কুরআন 39.5] [আল্লাহ] নভোমন্ডল ও পৃথিবীকে সত্যে সৃষ্টি করেছেন। তিনি [আরবী يُكَوِّرُ] রাত্রিকে দিনের উপর ওভারল্যাপ করেন [ইউকাওয়ার يُكَوِّرُ] দিনকে রাতের উপর, এবং সূর্য ও চন্দ্রকে দাসত্ব করেন। সমস্ত চালনা (কুলন ইয়াজরী كل يجري) একটি পূর্বনির্ধারিত নিয়তিতে। তিনি কি মহান, ক্ষমাশীল নন?
আরবি শব্দ "কুরা" মানে বল; এর ক্রিয়া "ইউকাওয়ার يُكَوِّرُ" এর অর্থ হল একটি বল তৈরি করা। কুরআন বলে যে রাত ও দিনের ওভারল্যাপিং একটি বল (গোলক) তৈরি করে। আরবীতে ফুটবোল কে كرة القدم কুরাত আল কাদাম বলে।
এখানেও কোরান সমস্ত গতিশীলতার কথা বলছে, শুধু সূর্য ও চন্দ্র নয় পৃথিবীকেও। আরবি ব্যাকরণে একবচন (এক), বাইনারি (দুই) এবং বহুবচন (তিন বা তার বেশি) মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বাইনারির রেফারেন্স হল "কুলাহুমা ইয়াজরীان كلاهما يجريان" তবে কুরআন বলেছে "কুলন ইয়াজরী كل يجري" বহুবচন (তিন বা তার বেশি) উল্লেখ করে। যেহেতু সূর্য ও চাঁদ মাত্র দুটি কিন্তু কুরআনে তিন বা তার বেশিকে বোঝানো হয়েছে তাহলে কুরআন অনুসারে তিনটিই চলে: সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবী।
কুরআন বলে যে পৃথিবীর একটি ব্যাস আছে (ব্যাস ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ)।
[কুরআন 55,33] হে জিন ও মানুষের দল, আসমান ও পৃথিবীর ব্যাস (আরবী اقطار) থেকে পালাও, যদি পারো, ক্ষমতা ছাড়া তুমি পালাতে পারবে না।
ব্যাস আরবিতে কুতর قطر। এর বহুবচন হলো আকতার اقطار। ব্যাসার্ধ এবং ব্যাস শুধুমাত্র বৃত্ত বা গোলকের বৈশিষ্ট্য। এটি একটি বল তৈরি করার জন্য পূর্ববর্তী আয়াতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
জানোয়ারের বাচ্ছা পৃথিবী কি তোর মতে সংকুচিত? বিস্তৃত বলতে কি বোঝায়?এক মেরু থেকে আরেক মেরুর দূরুত্বকে তো পৃথিবীর বিস্তৃতিই বলে....শালি নাস্তিকের বাচ্ছা
ReplyDeleteসুরা নাযি'আত-এর ৩০ আয়াত
ReplyDeleteপৃথিবীর আকার উটপাখির ড়িমের মত।
"এবং পৃথিবীকে এরপর করেছে উটপাখির ডিমের মত l " ৭৯ঃ৩০
এই আয়াতে আল্লাহ পৃথিবীর আকৃতি স্পষ্ট ভাবে উপস্থাপন করেছে l পৃথিবী আকার ডিম্বাকৃতির। সমস্ত ডিমের মত না। বিশেষ এক ডিমের মত।
আর আল্লাহ এই আয়াতের মাধ্যমে জানাচ্ছে যে পৃথিবী উটপাখির ডিমের মত ডিম্বাকৃতির।
পৃথিবী বলের মত পুরপুরি গোলাকার নয় বরং কমলা বা ডিমের মত, নিচের আয়াতে পৃথিবীর আকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে-
ﻭَﺍﻷﺭْﺽَ ﺑَﻌْﺪَ ﺫَﻟِﻚَ ﺩَﺣَﺎﻫَﺎ
“আর আল্লাহ্ পৃথিবীকে উহার পর ডিম্বাকৃতি করে তৈরি করেছেন” [৭৯:৩০] এখানে ডিমের জন্য ব্যাবহৃত আরবি শব্দ হচ্ছে “ ﺩَﺣَﺎﻫَﺎ”, যার অর্থ হচ্ছে উট পাখির ডিম, এবং উট পাখির ডিমের আকৃতি হল পৃথিবীর মত।
স্যাটেলাইট হতে প্রাপ্ত ছবি ও বিভিন্ন জটিল যন্ত্রপাতির মাধ্যমে পরীক্ষা- নীরীক্ষার দ্বারা সুনিশ্চিত হওয়া গেছে আমাদের এ পৃথিবী exactly উট পাখির ডিমের ন্যায়।
এই আয়াতটির অনুবাদ বিভিন্ন অনুবাদকগণ করেছেন বিভিন্নভাবে !
প্রচলিত অনুবাদঃ-
৭৯) সুরা নাযি'আত, আয়াত ৩০ :
"এবং পৃথিবীকে এরপর বিস্তৃত করেছেন l " (অনুবাদ - প্রফেসর ড: মুহাম্মদ মুজিবুর বহমান )
"আর পৃথিবী- এরপরে তাকে প্রসারিত করেছেন l " (অনুবাদ - ড: জহুরুল হক)
৭৯:৩০ আয়াতে পৃথিবীকে বিস্তৃত করা হয়েছে বুঝাতে যে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে সেটা হচ্ছে আরবি 'দাহাহা' যার অর্থ বিস্তৃত করা।
আরবি 'দাহাহা' শব্দটি এসেছে মূল শব্দ আরবি 'দুইয়া' থেকে যার অর্থ হলো উটপাখির ডিম l
তাই দাহাহা অর্থ বিস্তৃত করা l আবার দাহাহার আরেকটা অর্থ আছে আর সেটা হচ্ছে উট পাখির ডিম।
দুইটাই সঠিক।
একটা শব্দের অনেকগুলো অর্থ থাকতে পারে (সব ভাষাতেই আছে) কিন্তু কোন বাক্যে ব্যবহৃত শব্দের সেই অর্থ অনুবাদের সময় অনুবাদক তার জ্ঞান ও পছন্দ অনুসারে অনুবাদ করেন।
যেহেতু কুরআনের সব আয়াতে পৃথিবীকে 'বিস্তৃত করা হয়েছে' এই কথাটাই বারবার বলা হয়েছে l আর তাই দাহাহা অর্থ উটপাখির ডিম হলেও অঅনুবাদ করার সময় তারা এই অর্থটা নেন নাই।
তবে তারা যেটা উপেক্ষা করেছেন সেটা হল " বিস্তৃত করা " যে শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে এই আয়াতে সেই শব্দটা ব্যাবহার না করে নতুন একটা শব্দ দাহাহা কেন ব্যাবহার করা হয়েছে?
আরবিতে সাধারণ ভাবে ডিমকে বদা হয়। আর
মজার বিষয় " দাহাহা "এই শব্দটা কুরআনে মাত্র একবারই ব্যাবহার করা হয়েছে।
---------------
এখানে ব্যাবহার হয়েছে – দা-হাহা শব্দটি।যার উৎপত্তি দুহিয়া থেকে।যার অর্থ অনেকে করেছেন – বিস্তৃত করা। আবার অনেকে উটপাখির ডিম। দুটোই সত্য।আরবি ডিকশনারিগুলি তার প্রমাণ।
বাংলা শব্দেই এই ধরনের ব্যাবহার অহরহ দেখা যায় – যেমন বল শব্দটি – খেলার বলকেও বুঝায় আবার শক্তিকেও বুঝায়।বাংলা সহ পৃথিবীর সকল ভাষাতেই – এই ধরনের নজির অহরহ দেখা যায়।
উপরিউক্ত আয়াতটির উচ্চারণ-Waalarda baAAda thalika dahaha – এখানে দা-হাহা শব্দের উৎপত্তি দুহিয়া থেকে যার অর্থ উটপাখির ডিম।
উপরের আরবি টু ইংলিশ অভিধান থেকেই এ বিষয়ে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
নিম্নোক্ত ছয়টি আরবি অভিধান থেকে কুরআন বিশেষজ্ঞরা একমত হয়েছেন যে – এর দ্বারা বিস্তৃত এর পাশাপাশি উটপাখির ডিমও বোঝানো হচ্ছে - পেজ সহ উল্লেখিত – আপনারা নিজেরা চাইলে দেখে সিউর হতে পারেন…
1. Lisan Al-Arab dictionary [1] , Book 2, Pages 215-218.
2. Lisan Al-Arab dictionary [1] , Book 8, Pages 236-238.
3. Al-Muheet dictionary [2], Page 1179.
4. Al-Muajam Al-Waseet dictionary [3], Pages 272-274.
5. Al-Mawrid dictionary Arabic-English section [4], Page 537.
6. Arabic-English dictionary the Hans Wehr dictionary [6], Page 273
-------------------------------------------------------------
প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো এই গ্লোব উটপাখির ডিমের খোলসের উপর খোদাই করা!
কৃতজ্ঞতা: ডেভিডগুয়াম/উইকিমিডিয়া কমন্স
Project X-Q