Translate

Search This Blog

বিশেষ সতর্কবার্তাঃ

এই ব্লগটি নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, সন্দেহবাদী, মুক্তমনা এবং স্বাধীনচেতা মানুষদের জন্য। যারা যেকোন বিষয়ের সমালোচনা সহ্য করার মত ক্ষমতা রাখে। যদি কোন ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিক এই ব্লগটিতে আসে তবে তার ধর্মানুভূতি নামের অদ্ভূত দূর্বল অনিভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হলে ব্লগ লেখক দায়ী থাকবে না। ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিকদের নিজ দায়িত্বে তাদের দূর্বল ধর্মানুভূতিকে সংরক্ষনের দায়িত্ব নিতে হবে। কারো ধর্মানুভূতি নামের অযৌক্তিক অনুভূতি আহত হবার জন্য কোন ক্রমেই ব্লগার বা লেখককে দায়ী করা যাবে না। যদি কোন অতি দুর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগে ভূল করে ঢুকে পরেন এবং তিনি তার অনুভূতিকে দূর্বল ভাবেন অর্থাৎ যিনি তার ধর্মের উপযুক্ত সমালোচনা সহ্য করতে অপারগ, তাকে বিনীত ভাবে এই ব্লগটি থেকে প্রস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এর পরেও যদি কোন দূর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগটিতে ঘুরাফেরা করেন এবং তার ফলে তার দূর্বল ধর্মানুভূতিতে আঘাত প্রাপ্ত হন তবে কোন ক্রমেই এবং কোন ক্রমেই ব্লগের মালিক, 'আমি নাস্তিক' দায়ী থাকবে না।
Showing posts with label গল্প এবং উপন্যাস. Show all posts
Showing posts with label গল্প এবং উপন্যাস. Show all posts

Tuesday, January 26, 2016

একজন মৃত্য পথযাত্রি ধার্মিকের শেষ ইচ্ছা



শৈশবে সব মানুষের ক্ষেত্রে যেটা ঘটে আমার ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছিল। আমার বাবা মা আমাকে তাদের ধর্ম বিশ্বাস আমার মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছিল। আর তাই আমি বাবা মার বিশ্বাস করা ধর্মটিকেই একমাত্র সত্য বলে বিশ্বাস করে এসেছি সারা জীবন। আমার বাবা মা যেমন তাদের ধর্মকে একমাত্র সত্য বলে বিশ্বাস করে ঠিক সেভাবে আমিও সেই ধর্মটিকে একমাত্র সত্য ধর্ম বলে বিশ্বাস করি। শৈশবে আমাকে বাবা মা যে সব শিক্ষা দিয়েছিল সেগুলোকেই আমি একমাত্র নৈতিক কর্তব্য হিসেবে গ্রহন করেছি। ধর্মহীনদের ধারণা আমি আমার ধর্মবাদী আস্তিক কারণ আমার বাবা মা আমাকে চিন্তার এবং বিশ্বাস করার স্বাধীনতা দেয়নি। ধর্মহীনদের দাবী আমি আমার বাবা মার অন্ধবিশ্বাসগুলোকেই অন্ধের মতো বিশ্বাস করে আসছি। কিন্তু আমি জানি আমি অন্ধবিশ্বাসী নই। আমার বাবা মা যদিও তাদের ধর্মটিকেই আমার উপর চাপিয়ে দিয়েছিল যেভাবে পৃথিবীর সব শিশুকে তার বাবা মা তাদের ধর্ম চাপিয়ে দেয় সেভাবেই। কিন্তু আমি জানি আমি অন্ধবিশ্বাসী নই।

Saturday, January 23, 2016

একটি আস্তিকীয় গল্পের নাস্তিকী করণ এবং এর ব্যবচ্ছেদ করণ (দ্বিতীয় অংশ)

প্রথম অংশ-এর পর থেকে...

যুক্তিবাদী ভার্সন,
একদা মায়ের পেটে থাকা অবস্থায় দুই জমজ শিশু মাতৃগর্ভে গল্প করছিলো। একজন আরেকজনকে বললো, "আচ্ছা ভাইয়া তুমি কি প্রসবের পরবর্তীতে একটি জীবন আছে সেটি বিশ্বাস করো?”
দ্বিতীয়জন বললো, "আমার মনে হয় যে প্রসবের পরে একটি জীবন থাকতে পারে। কারণ আমি দেখেছি আমাদের এই তরলের ঘরটির যে একটি গুপ্ত দরজা আছে সেটি দিয়ে কোন এক জায়গায় জাওয়া যায়। আমার মনে হয় প্রসবের পরে আমরা সেই জায়গাটিতে যেতে পারবো।“

Friday, January 22, 2016

একটি আস্তিকীয় গল্পের নাস্তিকী করণ এবং এর ব্যবচ্ছেদ করণ (প্রথম অংশ)


কয়েকদিন ধরে অনলাইনের মাধ্যমে একটা লেখাকে বারবার পোস্ট হতে দেখছি ডুবন্ত মানুষ যেমন খড়কুটাকে পেয়ে তাকেই ধরে বাঁচতে চায় অনেকটা মৃতপ্রায় ধর্মগুলোর এবং কাল্পনিক সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য এরা মাতৃগর্ভের সাথে ইহজগত এবং পরজগতের তুলনা করে সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের প্রমাণ দেবার চেষ্টা করেছে অনেকটা তেঁতুলের উদাহরণ দিয়ে পায়েশের অস্তিত্ব প্রমাণ দেবার চেষ্টা
ওই পোস্টকে জন্ম এবং মৃত্যুকে এক করে দেখা হয়েছে ফলে মাতৃগর্ভের জীবনকে ইহজগত এবং মাতৃগর্ভের বাইরের জীবনকে পরকাল হিসেবে তুলনা করা হয়েছে আগেই বলেছি, ডুবন্ত মানুষের খড়কুটাকে আকড়ে ধরে বেঁচে থাকার চেষ্টা

Tuesday, January 12, 2016

ধর্মান্ধের শিকার এক আমিনার আত্বকথন



আমার প্রিয় জন্মভূমিকে ছেড়ে আসতে আমাকে বাধ্য করা হয়েছিল। আমি আমার দেশটি ছেড়ে আসতে চাইনি। কিন্তু কিছু ধর্মান্ধের দল আমাকে আমার দেশটিতে থাকতে দিল না। আমার অনেক কষ্ট হয়েছে প্রিয় দেশের মাটি, প্রিয় গ্রাম ছেড়ে থাকতে। এখনও মাঝে মাঝে মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমার নিজের দেশে, নিজের গ্রামে যেতে ইচ্ছে করে। কিন্তু আমি যেতে পারি না। যে প্রাণটাকে নিয়ে ভয় পেয়েছিলাম এবং প্রাণ বাঁচাতে দেশ ছেড়েছিলাম সেই প্রাণটার মায়াতেই আর দেশে যাওয়া হয় না আমার। আমি জানি সেখানে ওত পেঁতে বসে আছে ধর্মান্ধ হাঁয়ানার দল। আমাকে পেলেই তাদের রক্তের নেশা খেলে যাবে। হিংস্র প্রাণির মতো আমাকে মেরে ফেলবে।

Sunday, December 27, 2015

দেবদূত এবং খুনির গল্প



স্বর্গের দেবদূত নেমে এলো পৃথিবীতে। এক কুখ্যাত খুনির সামনেই দাড়ালো। খুনি একটুও ভয় পেলো না। তার সামনে দাড়ানো অতি সুন্দর দেবদুতকে উদ্দেশ্য করে কোমল স্বরে বললো- “কি চাও?”
দেবদুত একটু ভড়কে গেল। এমনটা সে আশা করেনি। সে ভেবেছিল পৃথিবীর সবার মতো খুনিটাও চমকে যাবে। কিন্তু ঘটনা অন্যরকম ঘটলো। দেবদুত খুনিকে ভয় দেখানোর জন্য উচ্চ স্বরে হেঁসে উঠলো। স্বরটাকে ভয়ংকর করে বলে উঠলো- “আমি তোমাকে খুন করতে এসেছি। ঈশ্বর আদেশ দিয়েছেন তোমাকে হত্যা করার জন্য। জীবনে তুমি অনেক পাপ করেছে। মরার জন্য তৈরী হয়ে নাও।“
খুনি ভয় পেলো না একটুও। পকেট থেকে সিগারেট বের করে লাইটার খুজতে লাগলো পকেটে। দেবদুতকে উদ্দেশ্য করে তাচ্ছিল্যের স্বরে বললো- “তোমার কাছে আগুনের ব্যবস্থা আছে?”
দেবদুত অবাক হয়ে খুনির দিকে তাকিয়ে রইলো। শান্ত স্বরে বললো- “আমাকে তোমার ভয় পাওয়া উচিত। আমি তোমার প্রান নিতে এসেছি।“
ক্রুদ্ব হয়ে উঠলো খুনি। ভরাট কন্ঠে বলে উঠলো- “আমি কাউকেই ভয় পাই না। আমাকে ঘাটিও না। তোমাকে গুলি করতে আমার এক সেকেন্ডও লাগবে না।“

Sunday, December 20, 2015

সিমা এবং সহী মুসলমান

সিমা
সিমা খুব ভালো মেয়ে বাবা মার আদেশ কখনও অমান্য করে না মুসলিম পরিবারে জন্ম নেবার কারণে তাকে সব সময় ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে থাকতে হয় ফলে স্বভাবতই সে খুব ধার্মিক পরিবারের বাইরে কোন মানুষের সাথে ভালো করে কথাও বলেনি কোন দিন সব সময়ই বুরখা পরে বাইরে বের হয় চোখ বাদে শরীরের সম্পুর্ণ অংশই থাকে সব সময় কাপরের অন্তড়ালে এক ওয়াক্ত নামাজও কোন দিন বাদ দেয়নি জীবনে ফলে সবার কাছেই খুব আদরের মেয়ে হলো এই সিমা স্কুল কলেজের গন্ডি পার হতে না হতেই পর্দার উপর খুব গুরুত্ব দিতে শিখেছিল সে কলেজ পার হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েও কোন দিন ধর্মীয় আচারের বাইরে যায়নি খোদা তাআয়াল ভয়ে সব সময়ই থেকেছে তটস্থ সর্বপরি সবার কাছেই এক আদর্শ মুসলিম নারী হিসেবে ছিল সম্মানিত পাড়ার সব বাবা মা' তাদের সন্তানদেরকে সিমার উদাহরণ টেনে বকা ঝকা দিত ফলে পাড়ার বাকী মেয়েদের কাছে সিমা ছিল হিংসার পাত্র
কৈশর পার না হতেই তার বিয়ের প্রস্তাব এসেছিল তার পরিবারের কাছে কিন্তু সিমার বাবা মা ধার্মীক হলেও মেয়েকে এত তারাতারি বিয়ে দিতে চায়নি সিমার ছোট ভাই আসাদকে দেখা শুনার জন্য সিমার গুরুত্ব ছিল অনেক বেশী সিমার মা এক এক্সিডেন্টে দু পা হারিয়ে ফেলেছিল আর তাই সিমাকে এক কথায় মায়ের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে আসাদকে মানুষ করতে ছোট ভাইকে মায়ের মমতা দিয়ে মানুষ করেছে সিমা পাঁচ বছর পর্যন্ত আসাদ সিমাকে মা বলে ডাকতো জন্মের পরে সিমাকেই আসাদ মা মনে করেছিল একটু বুদ্ধিমান হবার পরে অবশ্য তাকে আর মা বলে ডাকেনি কখনও

Saturday, September 27, 2014

এক যে ছিল স্রষ্টা l

এক যে ছিল স্রষ্টা l সে ছিল খুব ছোট l এবং সে ছিল খুব একা l তার তিন কুলে কেউ ছিল না l সে ছিল খুব দু:খি l একদিন কি মনে করে সে খেলতে বসলো এবং মাটি দিয়ে পুতুল বানাতে থাকলো l পুতুলগুলো ছিল খুব ছোট l আর তাই পুতুলগুলোকে রাখার জন্য ছোট ছোট মার্বেল মানালো যেগুলো ছিল পুতুলগুলোর চেয়ে অনেক বড় l এবং স্রষ্টা পুতুলগুলোকে কি মনে করে ফু দিল l ওমা ওকি, অমনি পুতুলগুলো জীবন্ত হয়ে উঠলো ! দেখেতো স্রষ্টার সেকি হাসি ! চট করে তার মাথায় একটি বুদ্ধি খেলে গেল ! সে পুতুলগুলোকে ওই মার্বেলের উপর ছেড়ে দিল l আর তারপর থেকেই সেই পুতুলগুলো ওই মার্বেলের উপর দিয়ে ছোটাছুটি করে বেড়ায়, মারামারি করে; খুনোখুনি করে ! এক পুতুল আরেক পুতুলকে কষ্ট দেয় l ছেলে পুতুলগুলো মিলে কোন এক অসহায় মেয়ে পুতুলকে ধর্ষণ করে, হত্যা করে l একদল পুতুল আরেক দল পুতুলকে আক্রমন করে এবং হত্যা করে l
আর এসব দেখে উপরে বসে থাকা সেই বাচ্চা স্রষ্টা সেকি হাসি ! হাসতে হাসতে তার পেটে খিল লেগে যায় l কিন্তু কোন পুতুলই স্রষ্টার সেই হাসি শুনতে পায় না এবং তাকে দেখতেও পায় না l কারণ সেই বাচ্চা স্রষ্টার কোন আকৃতি নেই; সে হচ্ছে সম্পূর্ণ নিরাকার !