Translate

Search This Blog

বিশেষ সতর্কবার্তাঃ

এই ব্লগটি নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, সন্দেহবাদী, মুক্তমনা এবং স্বাধীনচেতা মানুষদের জন্য। যারা যেকোন বিষয়ের সমালোচনা সহ্য করার মত ক্ষমতা রাখে। যদি কোন ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিক এই ব্লগটিতে আসে তবে তার ধর্মানুভূতি নামের অদ্ভূত দূর্বল অনিভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হলে ব্লগ লেখক দায়ী থাকবে না। ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিকদের নিজ দায়িত্বে তাদের দূর্বল ধর্মানুভূতিকে সংরক্ষনের দায়িত্ব নিতে হবে। কারো ধর্মানুভূতি নামের অযৌক্তিক অনুভূতি আহত হবার জন্য কোন ক্রমেই ব্লগার বা লেখককে দায়ী করা যাবে না। যদি কোন অতি দুর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগে ভূল করে ঢুকে পরেন এবং তিনি তার অনুভূতিকে দূর্বল ভাবেন অর্থাৎ যিনি তার ধর্মের উপযুক্ত সমালোচনা সহ্য করতে অপারগ, তাকে বিনীত ভাবে এই ব্লগটি থেকে প্রস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এর পরেও যদি কোন দূর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগটিতে ঘুরাফেরা করেন এবং তার ফলে তার দূর্বল ধর্মানুভূতিতে আঘাত প্রাপ্ত হন তবে কোন ক্রমেই এবং কোন ক্রমেই ব্লগের মালিক, 'আমি নাস্তিক' দায়ী থাকবে না।
Showing posts with label জাকির নায়েকের মিথ্যাচার. Show all posts
Showing posts with label জাকির নায়েকের মিথ্যাচার. Show all posts

Friday, February 12, 2016

জাকির নায়েকের মিথ্যাচার এবং প্রতারনা। বিজ্ঞান সম্পর্কে জাকির নায়েকের মিথ্যাবাদীতা এবং প্রতারনা। (পর্ব ৯) পাহাড় পর্বতের কাজ কি কুরআনে বর্ণিত রয়েছে? নাকি জাকির নায়েক কুরআনের পাহাড় পর্বত সম্পর্কিত আয়াতগুলো উল্লেখ করে কুরআনের ভূলগুলো মানুষের কাছে প্রকাশ করেছে?



জাকির নায়েক একজন বিখ্যাত (অথবা কুখ্যাত) ইসলামী বক্তা। তার মুখোরুচক কথার মাধ্যমে পৃথিবীর অনেক আস্তিকদেরকে (বিশেষ করে মুসলমান অন্ধবিশ্বাসী আস্তিকদেরকে) মুখরিত করে রাখে। তার বাঁচনভঙ্গি সবাইকে আনন্দিত করে। মানুষ জাকির নায়েকের বলা কথাগুলোকে সত্য বলে ধরে নেয়। বিশেষ করে মুসলমানদের মধ্যে জাকির নায়েকের ভক্তরা জাকির নায়েকের বলা কথাগুলোকে চিরসত্য বলে ধরে নেয়।

Thursday, January 7, 2016

জাকির নায়েকের মিথ্যাচার এবং প্রতারনা । বিজ্ঞান সম্পর্কে জাকির নায়েকের মিথ্যাবাদীতা এবং প্রতারনা । (পর্ব ৮) কুরআনে কি পরমাণুবাদসম্পর্কে আসলেই কিছু বলা হয়েছে? নাকি জাকির নায়েক মিথ্যে উলম্ব আস্ফালন করেছে?



জাকির নায়েক একজন বিখ্যাত ইসলামী বক্তা। সে তার সুন্দর বাঁচন ভঙ্গীর মাধ্যমে খুব সহজেই আস্তিকদেরকে আকৃষ্ট করে থাকে। কিন্তু আমরা বিশ্ময়ের সাথে লক্ষ করেছি জাকির নায়েক তার বকৃতায় অসংখ্য মিথ্যা কথা বলে থাকে এবং নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে থাকে। একথা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়ে গেছে যে জাকির নায়েক তার বলা মিথ্যা কথা এবং নানা প্রতারণার মাধ্যমে মানুষকে বোকা বানিয়ে রাখে। যেহেতু আস্তিকরা বিশেষ করে মুসলমান আস্তিকরা জ্ঞান বিজ্ঞান এমন কি তাদের ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে অজ্ঞ থাকে অথবা বিজ্ঞান এবং ধর্ম সম্পর্কে জানলেও তাদের জ্ঞানের পরিধি অত্যন্ত ক্ষুদ্র তাই তারা জাকির নায়েকের বলা মিথ্যা কথাগুলো এবং প্রতারণাগুলো ধরতে পারে না। এভাবেই জাকির নায়েক মানুষের সাথে প্রতারণা করে ধর্মকে ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করে থাকে। তার লেকচারগুলো থেকে সে বিশাল অংকের টাকা উপার্জন করে থাকে। কিন্তু মানুষের সাথে প্রতারণা করে টাকা উপার্জন করা কতটা ন্যায় সঙ্গত সেটা তুলে ধরা এবং জাকির নায়েকের প্রতারণামুলক বক্তব্যগুলো সবার সামনে তুলে ধরাই এই পর্বগুলোর উদ্দেশ্য। একথা সর্বসম্মতিক্রমে (জাকির নায়েকের অন্ধভক্তরা বাদে) স্বীকৃত যে জাকির নায়েক একজন কুখ্যাত মিথ্যাবাদী এবং প্রতারনাকারী। জাকির নায়েক যে মিথ্যাবাদী এবং প্রতারক সেটা অনেকেই ইতিপূর্বে সুন্দর ও সহজ ভাবে প্রমাণ করেছে এবং আমিও আগের পর্বগুলোতে জাকির নায়েকের মিথ্যাবাদিতা এবং প্রতারণা অত্যন্ত সফল ভাবেই প্রমাণিত করতে পেরেছি। এই পর্বটিতেও জাকির নায়েকের মিথ্যাবাদিতা এবং প্রতারণার একটি প্রমাণ উপস্থাপন করবো।

Friday, December 11, 2015

জাকির নায়েকের মিথ্যাচার এবং প্রতারনা । বিজ্ঞান সম্পর্কে জাকির নায়েকের মিথ্যাবাদীতা এবং প্রতারনা । (পর্ব ৭) মহাবিশ্বের সম্প্রসারনের কথা কি কুরআনে বলা আছে? নাকি জাকির নায়েক মিথ্যা বলে মানুষের সাথে প্রতারণা করছে?




জাকির নায়েক একজন বিখ্যাত ইসলামিক বক্তা। দেশ বিদেশে তার অনেক সুনাম (এবং দুর্নাম) আছে। সে তার মধুন উপস্থাপনায় দর্শক মাতিয়ে থাকেন। এবং তার অনুসারীরা তাকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করে। কিন্তু আমরা যারা ভিন্ন মতাবলম্বি তারা লক্ষ করে দেখেছি যে জাকির নায়েক তার বক্তব্যে অগণিত মিথ্যা কথা বলে থাকে। প্রকৃত বক্তব্যকে ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করে, বিভিন্ন অপযুক্তি ও কুযুক্তি হাজির করে এমনকি নিজের মতো ব্যাখ্যা করে সর্বপরি অসংখ্য মিথ্যা কথা বলে মানুষের সাথে প্রতারণা করে থাকে। ইতিমধ্যে জাকির নায়েককে অনেকেই মিথ্যাবাদী প্রতারক হিসেবে প্রমাণ করেছে। আমিও আগের পর্বগুলোতে জাকির নায়েককে মিথ্যাবাদী, ভন্ড, প্রতারক হিসেবে প্রমাণ করে দিয়েছি। এই পর্বটিতেও জাকির নায়েকের আরো একটি মিথ্যাবাদীতা, ভন্ডামী এবং প্রতারণা প্রমাণ করবো।

জাকির নায়েকের 'কুরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞান- বিরোধ নাকি সাদৃশ্য' স্বীর্ষক বক্তৃতায় (লেকচারে) নিম্নোক্ত কথাগুলো বিশ্বজগতের গতিশীলতা প্রমাণ করতে বলেছে,

Saturday, March 14, 2015

জাকির নায়েকের মিথ্যাচার এবং প্রতারনা । বিজ্ঞান সম্পর্কে জাকির নায়েকের মিথ্যাবাদীতা এবং প্রতারনা । (পর্ব ৬) সূর্য পরিভ্রমন করে বলতে কুরআন কি বুঝিয়েছে? সূর্যের গ্যালাক্সিকে পরিভ্রমন করা নাকি পৃথিবীকে পরিভ্রমন করা। এটা নিয়ে জাকির নায়েক কেন মিথ্যা কথা বললো?


জাকির নায়েক একজন বিখ্যাত ইসলামী পন্ডিতকিন্তু সে তার বক্তব্যে নানা অসত্য কথা, উদৃতি দিয়ে মানুষের সাথে প্রতারনা করে থাকেজাকির নায়েকের মিথ্যাবাদিতা এবং প্রতারণা অনেকেই আগে ধরিয়ে দিয়েছে; আমিও এই পর্বগুলোতে জাকির নায়েকের নানা মিথ্যেবাদিতা এবং প্রতারণা ধরিয়ে দিয়েছিএই পর্বটিতেও জাকির নায়েকের একটা মিথ্যাবাদিতা এবং প্রতারণা ধরিয়ে দেবো
জাকির নায়েক তার 'কুরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞান- বিরোধ নাকি সাদৃশ্য' স্বীর্ষক বক্তৃতায় (লেকচারে) সূর্যের এবং চাঁদের পরিভ্রমন বা গতিশীলতা সম্পর্কে নিম্নোক্ত কথাগুলো বলেছে,

"আগেকার দিনে ইউরোপিয়ানরা মনে করতো যে, পৃথিবী এই বিশ্বজগতের কেন্দ্রে একেবারে স্থির হয়ে বসে আছে আর সূর্য সহ অন্য সব গ্রহ নক্ষত্র পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিন করছেএই মতবাদকে বলা হতো থিউরী অফ জিওসেন্ট্রিজম এই মতবাদে বিশ্বাস করতেন টলেমী খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকে এবং তার পরবর্তীতে এই মতবাদ টিকে ছিল ১৬০০ শতাব্দি পর্যন্তযতদিন না কোপার নিকাস বললেন যে, পৃথিবী সহ অন্যান্য গ্রহ সূর্যের চারপাশে প্রদক্ষিন করছেআর পরবর্তীতে ১৬০৯ খ্রিস্টাব্দে ইউহান্নেস কেপলাম, তিনি তার বই এস্টোনবিয়া নবিয়াতে লিখেছেন যে, এই সৌর জগতে পৃথিবী আর অন্যান্য গ্রহ শুধু সূর্যের চারপাশে প্রদক্ষিন করে না, তারা নিজ অক্ষের চারপাশেও প্রদক্ষিন করে
আমি যখন স্কুলে ছিলাম, তখন পড়েছিলাম যে, পৃথিবী আর অন্যান্য গ্রহ নিজ অক্ষের চারপাশে প্রদক্ষিন করেতখন আমি পড়েছিলাম যে, সূর্য স্থির থাকে, সূর্য তার নিজ অক্ষের চারপাশে প্রদক্ষিন করে না

Wednesday, February 11, 2015

জাকির নায়েকের মিথ্যাচার এবং প্রতারনা । বিজ্ঞান সম্পর্কে জাকির নায়েকের মিথ্যাবাদীতা এবং প্রতারনা । (পর্ব ৫)



জাকির নায়েক একজন বিখ্যাত ইসলামিক বক্তাতিনি অনেক দেশে জনপ্রিয় বক্তাতার কথা এবং বক্তব্যের ধরন মানুষকে আকৃষ্ট করেকিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় তিনি তার বক্তব্যে অনেক মিথ্যে কথা বলেন এবং কু-যুক্তি ও গোঁজামিল দিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করেনতার মিথ্যেবাদিতা অনেকে ধরিয়ে দিয়েছে এবং আমিও আগের পর্বগুলোতে তার কিছু মিথ্যেবাদিতা এবং প্রতারনা ধরিয়ে দিয়েছিএই পর্বেও তার একটি মিথ্যেবাদিতা এবং প্রতারণা ধরিয়ে দেব বা প্রমাণ করবো
জাকির নায়েক তার 'কুরান ও আধুনিক বিজ্ঞান- বিরোধ নাকি সাদৃশ্যলেকচারে চাঁদ ও সূর্যের আলোর ব্যাপারে নিম্নুক্ত কথাগুলো বলেছেন
জাকির নায়েকের বক্তব্যটি ছিল-
"আগে আমরা মনে করতাম যে, চাঁদের আলোটা তার নিজস্ব আলোকিছু দিন আগে আমরা জানতে পেরেছি যে, চাঁদের আলো আসলে সূর্যের আলোর প্রতিফলিত আলোপবিত্র কুরআনের সূরা ফুরকানের ৬১ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে যে,
"কত মহান তিনি, যিনি নভোমন্ডলে সৃষ্টি করিয়াছেন রাশিচক্র এবং উহাতে স্থাপন করেছেন প্রদীপ এবং চাঁদ যাহার রহিয়াছে ঋন করা আলো।"
পবিত্র কুরআনে সূরা ইউনুসের ৫ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে যে,
আল্লাহ সুবাহানুতালাই এই সূর্যকে করেছেন তেজস্বক ও চন্দ্রকে করিয়াছেন প্রতিবিম্বিত আলো

Monday, July 7, 2014

জাকির নায়েকের বিজ্ঞান সম্পর্কে মিথ্যাচার এবং প্রতারণা l



জাকির নায়েকের বিজ্ঞান সম্পর্কে মিথ্যাচার এবং প্রতারণা l

বিশিষ্ট ইসলামিক বক্তা জাকির নায়েক ইসলাম ধর্ম প্রচারে একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি l কিন্তু লজ্জাকর ব্যাপার হচ্ছে তিনি তার বক্তৃতায় অনেক মিথ্যে কথা এবং ভুল তথ্য দিয়ে শ্রোতার কাছে প্রতারণা করে থাকে l তার বলা মিথ্যে কথা আগেও অনেকে ধরিয়ে দিয়েছে l আমিও জাকির নায়েকের মিথ্যাচার ধরিয়ে দিয়েছি l এবার তার বলা আরো একটি মিথ্যেবাদিতা ধরিয়ে দেব l

জাকির নায়েক-এর "কোরান ও আধুনিক বিজ্ঞান" বক্তৃতার (লেকচার) কিছু অংশ তুলে ধরছি -
"আমরা এখন জানবো পানি চক্র সম্পর্কে, যেটা প্রথম বলেছিলেন স্যার বার্নার্ড পেলেসী, ১৫৮০ সালে l তিনি ব্যাখ্যা করেছেন কিভাবে সমুদ্র থেকে বাষ্প হয়ে যায়, কিভাবে মেঘ তৈরী হয়, কিভাবে মেঘ উপরে উঠে যায়, কিভাবে সেখান থেকে বৃষ্টি হয়, বৃষ্টির পানি তারপর সমুদ্রে যায় l এভাবেই পানি চক্র পূর্ণ হয় l
আগেকার দিনে মানুষ ভাবতো খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম শতকে সে জব মেল্টিস, তিনি বলেছেন যে সমুদ্রের পানি বাতাসের সাথে মিশে যায় আর এই পানি পরবর্তিতে বৃষ্টি হয়ে পরে l
মানুষ আগে বুঝতে পারত না মাটির নিচের পানি, সেটা কিভাবে আসে l তাই তারা ভাবতো পানির উপরের বাতাসের প্রচন্ড চাপের কারণে, বাতাস যে প্রচন্ড চাপ দেয় এই কারণে উপরের পানি বৃষ্টিপাত হতে পারে l এই পানি মাটির উপর পড়ে l আর তারপর সমুদ্রের দিকে যায় একটা লোকানো পথে যার নাম 'এবিস' l আর প্লেটুর সময় এই পথটাকে বলা হত 'স্ট্যাটারেস' l এই মতবাদে পৃথিবীর মানুষ বিশ্বাস করে এসেছে সপ্তদশ শতাব্দী পর্যন্ত l আর এরিস্টটলের থিওরিসহ বিভিন্ন দর্শন মেনে চলা হয়েছে উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত; যে মাটি থেকে পানি বাস্প হয়ে উপরে উঠে, এটা তারপর পাহাড়ের উপর জমা হয়, আর এই পাহাড়গুলোর উপরে তৈরী হয় রদ l এখান থেকে মাটির নিচে পানি জমে l
এখন আমরা জানি মাটির নিচে যে পানি জমে সেটা চুইয়ে চুইয়ে মাটির নিচে চলে যায় l
পবিত্র কোরানে আছে, সুরা জুমার-এর ২১ নাম্বার আয়াতে, উল্লেখ করা আছে-
"তোমরা কি দেখনা যে আল্লাহ তালা আকাশ হইতে বাড়ি বর্ষণ করেন, অতপর উহা ভূমিতে প্রবাহিত করেন, নির্ঝরিনী রূপে প্রবাহিত করেন এবং তত্দ্বারা বিভিন্ন বর্ণের ফসল উত্পন্ন করেন l "
এছাড়াও পবিত্র কোরানের সুরা রুম-এর ২৪ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে,
"আল্লাহ আকাশ হইতে বাড়ি বর্ষণ করেন, এবং তত্দ্বারা ভূমিকে পুনরুজ্জীবিত করেন l"
পবিত্র কোরানের সুরা মমিনুন-এর ৪৮ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে যে,
"আমি আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করি পরিমিত ভাবে, অতপর উহা মৃত্তিকায় সংরক্ষণ করি l আমি উহাকে অপসারণ করিতেও সক্ষম l"
পবিত্র কোরানে সুরা আল হিজাব-এর ২২ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে, বলা হয়েছে যে,
"আমি বৃষ্টি গর্ভ বায়ু প্রেরণ করি, যে বায়ুতে বৃষ্টি থাকে, অতপর আকাশ হইতে বারি বর্ষণ করি এবং উহা তোমাদিগকে পান করিতে দিই l "
এখানে আরবি শব্দটি 'লাওয়াকি" এটা হল 'লাকি' শব্দটির বহুবচন, যার মূল শব্দ হলো 'লাকাহা' যার অর্থ গর্ভে ধারণ করা অথবা শরীরে ধারণ করা l বাতাস চারিদিক থেকে এসে মেঘগুলোকে বৃষ্টি গর্ভে রুপান্তরিত করে l তারপরে বৃষ্টি পাত হয় l বাতাসের কারণে মেঘগুলো একত্রিত হয়, প্রচন্ড চাপের সৃষ্টি হয়, বজ্র পাতের সৃষ্টি হয়, তারপর মেঘ থেকে বৃষ্টি পাত হয় l

Wednesday, June 25, 2014

বিজ্ঞানের ভুল ব্যাখ্যা : পর্ব -৩ : জাকির নায়েকের পৃথিবী সমতল নাকি গোলাকার সম্পর্কে মিথ্যাচার ( নাকি অজ্ঞতা ?) :

বিজ্ঞানের ভুল ব্যাখ্যা : পর্ব -৩ :
জাকির নায়েকের পৃথিবী সমতল নাকি গোলাকার সম্পর্কে মিথ্যাচার ( নাকি অজ্ঞতা ?) :
(হিন্দু বা অন্য ধর্মের আস্তিকদের খুশি হবার কিছু নেই l কারণ তাদের ধর্মের ভন্ডদেরও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে লেখা হবে l)

বিশিষ্ট ইসলামিক বক্তা জাকির নায়েক তার 'কোরান ও আধুনিক বিজ্ঞান : বিরোধ নাকি সাদৃশ্য' লেকচারে বলেছেন :

" আগেকার দিনে মানুষ মনে করতো, আমরা যে পৃথিবীতে বাস করি সেটা সমতল; আর তারা খুব বেশি দুরে যেতে ভয় পেতো হঠাত করে যদি নিচে পড়ে যায় সেজন্য l এরপর ১৫৫৭ খ্রিস্টাব্দে স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক জাহাজে করে পুরো পৃথিবী ঘুরে আসলেন আর প্রমান করলেন যে পৃথিবী আসলে বর্তুলাকার l
পবিত্র কুরানে সুরা লুকমানের ২৯ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে ,
" আল্লাহ তাআলা রাত্রির ভিতর দিবসকে অন্তর্ভুক্ত করেন l এবং রাত্রিকে দিবসের ভিতর অন্তর্ভুক্ত করেন l"
অন্তর্ভুক্ত করা একটি ধীর গতির চলমান প্রক্রিয়া l রাত ধীরে ধীরে চলমান প্রক্রিয়ায় দিনে পরিনত হয় আর দিন ধীরে ধীরে চলমান প্রক্রিয়ায় রাতে পরিনত হয় l এটা শুধু মাত্র তখনই সম্ভব হবে যদি পৃথিবী বর্তুলাকার হয় l পৃথিবী সমতল হলে এটা সম্ভব হবে না l পৃথিবী সমতল হলে দিন রাত হঠাত করে বদলে যেত l
পবিত্র কুরানে সুরা আল জুমার ৫ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে যে ,
"আল্লাহ তাআলা এই আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবীকে সৃষ্টি করিয়াছেন যথাযথ ভাবে l এবং তিনি রাত্রি দ্বারা দিবসকে আচ্ছাদিত করেন এবং রাত্রিকে আচ্ছাদিত করেন দিবস দ্বারা l"
এখানে যে আরবি শব্দটা আছে সেটা হলো 'কাওয়ারা' যার অর্থ কোনো কিছু আচ্ছাদন করা l যেভাবে আমরা আমাদের মাথায় পাগড়ি পড়ি, আমরা যেভাবে আমাদের মাথায় পাগড়ি পড়ি l
এই মতবাদটা যে রাত দিনকে আর দিন রাতকে আচ্ছাদন করছে এটা শুধু তখনই সম্ভব হবে যদি পৃথিবী বর্তুলাকার হয় l যদি পৃথিবী সমতল হয় তাহলে এটা সম্ভব হবে না l দিন রাত তখন হঠাত করে বদলে যেত l

বিজ্ঞানের ভুল ব্যাখ্যা : পর্ব -2 : জাকির নায়েকের বিগ ব্যাং সম্পর্কে মিথ্যাচার ( নাকি অজ্ঞতা ?) :


বিজ্ঞানের ভুল ব্যাখ্যা : পর্ব -2 :
জাকির নায়েকের বিগ ব্যাং সম্পর্কে মিথ্যাচার ( নাকি অজ্ঞতা ?) :
(হিন্দু বা অন্য ধর্মের আস্তিকরা যেন দাত না কেলায় l কারণ তাদের ধর্মের ভন্ডদেরও মিথ্যা চারের বিরুদ্ধে লেখা হবে )

(মুসলমানদের মহান বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক) জাকির নায়েক বিগ ব্যাং থিওরির সাথে পবিত্র কোরআনের সাদৃশ্য দেখাতে যে আয়াত দুটি উল্লেখ করেছেন তা আবার প্রকাশ করছি l

সুরা আল আম্বিয়ার ৩০ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে,
" অবিশ্বাসীরা কি ভাবিয়া দেখে না , আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবী মিশিয়া ছিল ওতপ্রত ভাবে l অতপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম l"
পবিত্র কোরআনের এই আয়াতে বিগ ব্যাং থিওরি বর্ণনা করা হয়েছে খুব সংক্ষেপে l

এছাড়াও পবিত্র কুরআনে আছে , সুরা ফসিলতের ১১ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে যে
" অতপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করেন যাহা ছিল ধুম্রপুঞ্জ বিশেষ , অনন্তের দিকে উহাকে এবং পৃথিবীকে বললেন তোমরা আসো ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় এবং উভয়ে বলিল আমরা আসলাম একান্ত অনুগত হইয়া l"
যে আরবি শব্দটি এখানে বলা হয়েছে সেটা 'দুখান' যার অর্থ ধোয়া l
কোনো বিজ্ঞানীকে প্রশ্ন করলে তিনি বলবেন এই বিশ্ব জগত এটা তৈরির আগে মহাবিশ্বের বিভিন্ন উপাদান সেগুলো ছিল বায়বীয় অবস্থায় l
আর এই আরবি শব্দ দুখান যার অর্থ ধোয়া এটাকে আরও সঠিক ভাবে বললে বলা হবে বায়বীয় l

বিজ্ঞানের ভুল ব্যাখ্যা : পর্ব -১ : জাকির নায়েকের বিগ ব্যাং সম্পর্কে মিথ্যাচার ( নাকি অজ্ঞতা ?) :


বিজ্ঞানের ভুল ব্যাখ্যা : পর্ব -১ :
জাকির নায়েকের বিগ ব্যাং সম্পর্কে মিথ্যাচার ( নাকি অজ্ঞতা ?) :
(হিন্দু বা অন্য ধর্মের আস্তিকরা যেন দাত না কেলায় l কারণ তাদের ধর্মের ভন্ডদেরও মিথ্যা চারের বিরুদ্ধে লেখা হবে )

বিশিষ্ট ইসলামিক বক্তা জাকির নায়েক তার 'কোরান ও আধুনিক বিজ্ঞান : বিরোধ নাকি সাদৃশ্য' বক্তব্যের কিছু অংশ এখানে তুলে ধরা হলো :
জাকির নায়েক তার বক্তব্যে বলেন, ' যদি কোনো বিজ্ঞানীকে জিজ্ঞেস করেন কিভাবে আমাদের বিশ্বজগত সৃষ্টি হয়েছে সে বলবে বিগ ব্যাং থিওরির কথা l প্রথমে এই বিশ্ব জগতের সমস্ত উপাদান ছিল একটা বিন্দুতে , তারপর সেখানে একটা বিস্ফোরণ হলো , সৃষ্টি হলো ছায়াপথ l সেটা আবারো খন্ড বিখন্ড হয়ে তৈরী হলো বিভিন্ন সৌরজগত , l সেখানে তৈরী হলো বিভিন্ন গ্রহ , সূর্য আর আমরা যে গ্রহে বাস করি সেই পৃথিবী l
আমি আমার বক্তৃতার শুরুতে একটি আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়েছিলাম, সুরা আল আম্বিয়ার ৩০ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে,
" অবিশ্বাসীরা কি ভাবিয়া দেখে না , আকাশ মন্ডলী ও পৃথিবী মিশিয়া ছিল ওতপ্রত ভাবে l অতপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম l"
পবিত্র কোরআনের এই আয়াতে বিগ ব্যাং থিওরি বর্ণনা করা হয়েছে খুব সংক্ষেপে l
চিন্তা করেন আমরা যে কথাটা জানলাম আজকে পবিত্র কুরআন এ কথাটা বলেছে চোদ্দশো বছর আগে l
এছাড়াও পবিত্র কুরআনে আছে , সুরা ফসিলতের ১১ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করা আছে যে
" অতপর তিনি আকাশের দিকে মনোনিবেশ করেন যাহা ছিল ধুম্রপুঞ্জ বিশেষ , অনন্তের দিকে উহাকে এবং পৃথিবীকে বললেন তোমরা আসো ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায় এবং উভয়ে বলিল আমরা আসলাম একান্ত অনুগত হইয়া l"
যে আরবি শব্দটি এখানে বলা হয়েছে সেটা 'দুখান' যার অর্থ ধোয়া l
কোনো বিজ্ঞানীকে প্রশ্ন করলে তিনি বলবেন এই বিশ্ব জগত এটা তৈরির আগে মহাবিশ্বের বিভিন্ন উপাদান সেগুলো ছিল বায়বীয় অবস্থায় l
আর এই আরবি শব্দ দুখান যার অর্থ ধোয়া এটাকে আরও সঠিক ভাবে বললে বলা হবে বায়বীয় l

বর্তমানের খুব বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংস-এর মতে , তিনি বলেছেন , " মহাশূন্যের যে বিভিন্ন পদার্থের উপাদান আবিস্কার করা গেছে , সেটাই হলো গত শতাব্দীর সবচেয়ে বড় আবিষ্কার l"
আর এগুলোর উপর ভিত্তি করেই আমরা নিশ্চিত ভাবে জানতে পেরেছি বিগ ব্যাং থিওরির সত্যতা আর এই বিশ্বজগত সৃষ্টি হবার রহস্য l