Ami Atheist Pages
Translate
Search This Blog
বিশেষ সতর্কবার্তাঃ
এই ব্লগটি নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, সন্দেহবাদী, মুক্তমনা এবং স্বাধীনচেতা মানুষদের জন্য। যারা যেকোন বিষয়ের সমালোচনা সহ্য করার মত ক্ষমতা রাখে। যদি কোন ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিক এই ব্লগটিতে আসে তবে তার ধর্মানুভূতি নামের অদ্ভূত দূর্বল অনিভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হলে ব্লগ লেখক দায়ী থাকবে না। ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিকদের নিজ দায়িত্বে তাদের দূর্বল ধর্মানুভূতিকে সংরক্ষনের দায়িত্ব নিতে হবে। কারো ধর্মানুভূতি নামের অযৌক্তিক অনুভূতি আহত হবার জন্য কোন ক্রমেই ব্লগার বা লেখককে দায়ী করা যাবে না। যদি কোন অতি দুর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগে ভূল করে ঢুকে পরেন এবং তিনি তার অনুভূতিকে দূর্বল ভাবেন অর্থাৎ যিনি তার ধর্মের উপযুক্ত সমালোচনা সহ্য করতে অপারগ, তাকে বিনীত ভাবে এই ব্লগটি থেকে প্রস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এর পরেও যদি কোন দূর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগটিতে ঘুরাফেরা করেন এবং তার ফলে তার দূর্বল ধর্মানুভূতিতে আঘাত প্রাপ্ত হন তবে কোন ক্রমেই এবং কোন ক্রমেই ব্লগের মালিক, 'আমি নাস্তিক' দায়ী থাকবে না।
Showing posts with label আল কুরআনঃ ইহা একটি. Show all posts
Showing posts with label আল কুরআনঃ ইহা একটি. Show all posts
Friday, July 1, 2016
Friday, April 1, 2016
আল কুরআনঃ ইহা একটি কৌতুক গ্রন্থ, গল্প গ্রন্থ, কবিতা গ্রন্থ, সন্ত্রাসী গ্রন্থ, নাকি কাম গ্রন্থ? (পর্ব ৪)
মুসলমানরা দাবী করে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ আল কুরআন স্বয়ং আরবীয় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে। এবং এটি দেড় হাজার বছর ধরে অবিকৃত অবস্থায় আছে। তারা কোন প্রমাণ ছাড়াই অন্ধের মতো বিশ্বাস করে যে কুরআনের প্রতিটা কথা আরবীয় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে। এই পর্বটিতে কুরআনের প্রতিটি বাক্যকে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। দেখা হচ্ছে এর গঠন শৈলী বা এর অন্তর্নিহীত কথাগুলো মানুষের দ্বারা লেখা সম্ভব নাকি এটি একমাত্র কোন সর্বজ্ঞানী সৃষ্টিকর্তাই লিখতে পারে। মোট কথা কুরআনের বাক্যগুলোর অর্থ বিশ্লেষণ করে বা ব্যাখ্যা করে দেখা যে কুরআন আসলে কি বলেছে এবং এর বাস্তব তাৎপর্যই বা কি? বাস্তবতার নিরীখে বিচার বিশ্লেষণ করে দেখাটাই এই পর্বটির উদ্দেশ্য। এই পর্বে সমগ্র কুরআন পর্যায়ক্রমে বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
গত পর্বের পর থেকে....
Friday, February 26, 2016
আল কুরআনঃ ইহা একটি কৌতুক গ্রন্থ, গল্প গ্রন্থ, কবিতা গ্রন্থ, সন্ত্রাসী গ্রন্থ, নাকি কাম গ্রন্থ? (পর্ব ৩)
মুসলমানরা দাবী করে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ আল কুরআন স্বয়ং আরবীয় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে। এবং এটি দেড় হাজার বছর ধরে অবিকৃত অবস্থায় আছে। তারা কোন প্রমাণ ছাড়াই অন্ধের মতো বিশ্বাস করে যে কুরআনের প্রতিটা কথা আরবীয় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে। এই পর্বটিতে কুরআনের প্রতিটি বাক্যকে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। দেখা হচ্ছে এর গঠন শৈলী বা এর অন্তর্নিহীত কথাগুলো মানুষের দ্বারা লেখা সম্ভব নাকি এটি একমাত্র কোন সর্বজ্ঞানী সৃষ্টিকর্তাই লিখতে পারে। মোট কথা কুরআনের বাক্যগুলোর অর্থ বিশ্লেষণ করে বা ব্যাখ্যা করে দেখা যে কুরআন আসলে কি বলেছে এবং এর বাস্তব তাৎপর্যই বা কি? বাস্তবতার নিরীখে বিচার বিশ্লেষণ করে দেখাটাই এই পর্বটির উদ্দেশ্য। এই পর্বে সমগ্র কুরআন পর্যায়ক্রমে বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
গত পর্বের পর থেকে....
Saturday, March 28, 2015
আল কুরআনঃ ইহা একটি কৌতুক গ্রন্থ, গল্প গ্রন্থ, কবিতা গ্রন্থ, সন্ত্রাসী গ্রন্থ, নাকি কাম গ্রন্থ? (পর্ব ২)
মুসলমানরা
দাবী করে থাকে যে, তাদের ধর্মগ্রন্থ কুরআন স্বয়ং আল্লাহ কর্তৃক
লিখিত বই। আল্লাহ
কুরআন লিখে লাওহে মাহফুজে সংরক্ষন করে রেখেছিল এবং মুহাম্মদের ৪০ বছর পূর্ণ হবার পরে
জিব্রাইল ফেরেশতার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে মুহাম্মদের কাছে কুরআনের বাণীগুলো পাঠিয়েছে
দীর্ঘ ২৩ বছর যাবত। মুহাম্মদ
সেই বাণীগুলোকে সবার কাছে বলেছে এবং তারা সেই বাণীগুলো বিভিন্ন জায়গায় (পাথরে, খেজুর
পাতায় এবং অন্যান্য জায়গায়) লিখে রেখেছে। পরবর্তীতে
যথাক্রমে আবু বক্কর ও উসমান কুরআনকে
বই আকারে সংরক্ষন করেছিল। আবু
বক্কর কুরআনের বিভিন্ন খন্ডগুলোকে একত্রিত করে বই আকারে কুরআনকে সংরক্ষিত করে।
পরবর্তীতে উসমানের সময়ে কুরআন বিকৃত হয়ে যাবার পর কুরআনকে সংশোধন
করে পুনরায় সংকলিত করতে হয়। উসমান
কুরআনকে নতুন করে বই আকারে প্রকাশের সময় কুরআনকে সংশোধন করে নেয়।
এবং বাকী পূর্ববর্তী সংকলনগুলো এবং বিকৃত কুরআনের অংশগুলোকে
ধ্বংস করে দেয়। সুতরাং
মুসলমানরা যে দাবী করে কুরআন অবিকৃত আছে সেটার কোন ভিত্তি নেই।
আবু বক্কর কর্তৃক সংকলিত কুরআনের কোন হদিস পাওয়া যায় না।
আজ পৃথিবীতে যে কুরআন ছড়িয়ে আছে সেটা উসমান কর্তৃক সংকলিত, সংরক্ষিত
এবং সংশোধিত কুরআন।
কিন্তু তবুও মুসলমানরা মনে করে কুরআন সম্পূর্ন অবিকৃত আছে এবং কুরআনকে স্বয়ং মুসলমানদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ সংরক্ষনের দায়িত্ব নিয়েছে। (ইতিমধ্যে আমরা জেনে গেছি কুরআন সংরক্ষনে আল্লাহ পুরোপুরি ব্যর্থ।)
মুসলমানদের দাবী যদি সত্য বলে ধরে নেওয়া হয় তবে কুরআনের বাণীগুলো স্বয়ং আল্লাহর এবং বাণীগুলো পুরোপুরি অবিকৃত রয়েছে।
অর্থাৎ কুরআনে বলা কথাগুলো, বাক্যগুলো, শব্দগুলো এবং লেখাগুলো স্বয়ং আল্লাহর।
এই পর্বগুলোতে পর্যায়ক্রমে কুরআনকে বিশ্লেষণ করে দেখা হবে কুরআন আসলে কার বাণী, কুরআনের কথাগুলো কি রকম, কুরআন কি ধরনের বই? এবং কুরআন কি ঐষী গ্রন্থ নাকী কুরআন একটি কৌতুক গ্রন্থ, গল্প গ্রন্থ, কবিতা গ্রন্থ, সন্ত্রাসী গ্রন্থ, নাকি কাম গ্রন্থ?
Wednesday, February 25, 2015
আল কুরআনঃ ইহা একটি কৌতুক গ্রন্থ, গল্প গ্রন্থ, কবিতা গ্রন্থ, সন্ত্রাসী গ্রন্থ, নাকি কাম গ্রন্থ? (পর্ব-১)
মুসলমানদের দাবী তাদের
ধর্মীয় গ্রন্থ আল কুরআন কোন মানব রচিত গ্রন্থ নয়। এটি তাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ নিজের হাতে
লিখেছে। তারপর এটি বার্তা বাহক দেবদূত জিব্রাইল ফেরেশতার মাধ্যমে মুহাম্মদের কাছে পর্যায় ক্রমে ২৩ বছর যাবত
প্রেরণ করেছে। আর মুসলমানরা সেগুলোকে একত্র করে বই আকারে প্রকাশ করেছে। অতএব তাদের দাবী এটি অবশ্যই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ
কর্তৃক লিখিত গ্রন্থ (বই)।
কিন্তু মুসলমান বাদে
পৃথিবীর সমস্ত মানুষ একথা এক বাক্যে স্বীকার করে যে, কুরআন কোন সৃষ্টিকর্তা বা অতি বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন কারোও বই
নয়। তাদের যুক্তি কুরআনে
নানা রুপকথার গল্প, নানা অবাস্তব কথা, অবৈজ্ঞানিক এবং পরস্পর বিরোধী কথায় পরিপূর্ণ। তাই এটি কোন বুদ্ধিমান
প্রাণী বা স্বত্ত্বার বাণী বা কথা হতে পারে না। বরং এটা তৎকালীন আরবের মানুষ বা গুটি কয়েক
মানুষ কর্তৃক লিখিত একটা সাধারণ মানের বই। কারণ এতে তৎকালীন আরবের মানুষের ধ্যান ধারণাই বর্নিত হয়েছে সব
জায়গায়। অতএব কুরআন অবশ্যই কোন আরবীয় মানুষ দ্বারা লিখিত বই।
কিন্তু মুসলমানরা সেই
দাবী মেনে নেয় না। মুসলমানদের মতে কুরআনই পৃথিবীর শ্রেষ্ট ও সব চেয়ে জ্ঞানগর্ভ বই। এরকম বই পৃথিবীর কেউ
লিখতে পারবে না। কুরআন আল্লাহ লিখেছে এবং কুরআনের সংরক্ষনের দায়িত্ব স্বয়ং আল্লাহর।
Subscribe to:
Posts (Atom)