Translate

Search This Blog

বিশেষ সতর্কবার্তাঃ

এই ব্লগটি নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, সন্দেহবাদী, মুক্তমনা এবং স্বাধীনচেতা মানুষদের জন্য। যারা যেকোন বিষয়ের সমালোচনা সহ্য করার মত ক্ষমতা রাখে। যদি কোন ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিক এই ব্লগটিতে আসে তবে তার ধর্মানুভূতি নামের অদ্ভূত দূর্বল অনিভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হলে ব্লগ লেখক দায়ী থাকবে না। ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিকদের নিজ দায়িত্বে তাদের দূর্বল ধর্মানুভূতিকে সংরক্ষনের দায়িত্ব নিতে হবে। কারো ধর্মানুভূতি নামের অযৌক্তিক অনুভূতি আহত হবার জন্য কোন ক্রমেই ব্লগার বা লেখককে দায়ী করা যাবে না। যদি কোন অতি দুর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগে ভূল করে ঢুকে পরেন এবং তিনি তার অনুভূতিকে দূর্বল ভাবেন অর্থাৎ যিনি তার ধর্মের উপযুক্ত সমালোচনা সহ্য করতে অপারগ, তাকে বিনীত ভাবে এই ব্লগটি থেকে প্রস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এর পরেও যদি কোন দূর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগটিতে ঘুরাফেরা করেন এবং তার ফলে তার দূর্বল ধর্মানুভূতিতে আঘাত প্রাপ্ত হন তবে কোন ক্রমেই এবং কোন ক্রমেই ব্লগের মালিক, 'আমি নাস্তিক' দায়ী থাকবে না।
Showing posts with label অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর. Show all posts
Showing posts with label অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর. Show all posts

Friday, April 15, 2016

আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর। (পর্ব ১১)


আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নঃ
আমি মুসলিম আমি সারা পৃথিবীর মানুষ থেকে আল্লাহকে বেশি বিশ্বাস করি। আমার কাছে সবচেয়ে শ্রেষ্ট অবস্থানে রয়েছে মহান আল্লাহ তাআলা।
যৌক্তির এবং বৈজ্ঞানিক উত্তরঃ
আপনি আল্লাহকে বিশ্বাস করলেও যা, আর সৃষ্টিকর্তা হিসেবে ঘোড়ার ডিম বা সানি লিওনকে বিশ্বাস করলেও তাই। এদের কেউ সৃষ্টিকর্তা হয়ে উঠবে না। সানি লিওনের তাও বাস্তব অস্তিত্ব আছে কিন্তু আল্লাহ ভাইজানের আর ঘোড়ার ডিমের তো কোন অস্তিত্বই নেই। তাই আল্লাহর চেয়ে সানিলিওনকে বিশ্বাস করাই যুক্তিযুক্ত।

Friday, March 11, 2016

আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর। (পর্ব ১০)



আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নঃ
আপনি কত বড় সাইনটিস্ট বলেন তো? পৃথিবীর সব সাইনটিস্টরা সব কিছু কোরআন থেকেই আবিষ্কার করছে।

যৌক্তির এবং বৈজ্ঞানিক উত্তরঃ
মুসলমানদের জ্ঞানের নমুনা দেখে হাসবো নাকি কাঁদবো বুঝে উঠতে পারি না!
আপনি কোথায় খোজ নিয়ে পেয়েছেন যে বিজ্ঞানীরা কুরআন থেকে আবিষ্কার করে? কুরআন থেকে কি কিছু আবিষ্কার করা যায়? যদি তাই যেতো তবে মুসলমানরাই পৃথিবীর বড় বড় বিজ্ঞানী হতো।
আমরা সারা জীবন কত চেষ্টা করেও কুরআনে বাজে কথা ছাড়া আর কিছুই পেলাম না আর আপনারা কুরআনে বিজ্ঞানের সমুদ্রের দাবী করেন।
কেউ যদি নিজেকে আল্লাহ, গড, ভগমান বা সৃষ্টিকর্তা বলে দাবী করে তবে কি তার দাবী সত্য হয়ে যাবে। কেউ দাবী করলেই কি সৃষ্টিকর্তা হয়ে যায়? মুসলমানরা মনে করে দাবী করলেই বুঝি সেটা সত্যি হয়ে যায়।

Saturday, February 20, 2016

আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর। (পর্ব ৯)


আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নঃ
আমরা জানি একটা শব্দের অনেকগুলো অর্থ থাকে। তাই যদি কোন একটা শব্দের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ এনে ওই বাক্যের অর্থ করা হয় তবে তাতে দোষের কিছু নেই। কুরআনেও যেসব শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে সেগুলোরও অনেকগুলো অর্থ আছে। তাই কোন শব্দের সুবিধামত অর্থ নিয়ে কুরআনের অর্থ করা যায়। একটি শব্দের একাধিক অর্থ থাকলে যেখানে যেটা সঠিক সেখানে সেটাই ব্যবহার করা দোষের কি আছে? বরং নিজেদের সুবিধা মতো কুরআনের শব্দগুলোর অর্থ ব্যবহার করে কুরআনের যথার্থ অর্থ করাতে দোষের কিছু নেই। দাহাহা শব্দটির অর্থ যেমন বিস্তৃত করা বুঝায় ঠিক তেমনি এর অর্থ ডিম্বাকৃতিরও হয়। তাহলে আমাদের সুবিধামতো যেটা উপযুক্ত সেই অর্থটি নিয়ে কুরআনের নতুন অর্থ করাতে দোষের কি আছে?

Friday, January 29, 2016

আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর। (পর্ব ৮)



আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নঃ
এ জীবন একটা পরীক্ষা। এটা ফলাফলের জায়গা নয়। এজন্যই সৃষ্টিকর্তাকে মানুষ কোনদিন খুজে পাবে না। মানুষের এই জীবনে বিশ্বাসের পরীক্ষা নেওয়ার জন্যই সৃষ্টিকর্তা মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তাই মানুষ সৃষ্টিকর্তার সন্ধান কখনই পাবে না। সৃষ্টিকর্তাকে না দেখেই যারা তাকে বিশ্বাস করবে তারাই হবে সৃষ্টিকর্তার প্রিয় পাত্র। তাদেরকেই সৃষ্টিকর্তা পরকালে পুরস্কৃত করবেন। এজন্যই সৃষ্টিকর্তাকে কেউ কখনও দেখেনি।

Thursday, January 14, 2016

আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর। (পর্ব ৭)



আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নঃ
কোরআনের কোথাও বলা হয় নাই যে হাড় তৈরি হবার পরে মাংস তৈরি হয়, কেবল কি কি ভ্রুন অবস্থাতে মানব শিশু তৈরি হয় সেটা বলা হয়েছে। তাই নাস্তিকরা যেমনটি দাবি করে যে কুরআনে হাড় তৈরী হবার পরে মাংস তৈরী হয় বলা হয়েছে সেই দাবিটি মিথ্যা।

Saturday, January 9, 2016

আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর। (পর্ব ৬)



আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নঃ
বাংলা শব্দ দিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই আরবির ১০০ ভাগ প্রতিশব্দ হয় না। আর তাই আরবী ভাষার কুরআনের ভূল কুরআনের বাংলা অনুবাদ দিয়ে করলে সেটা হবে না। আপনাকে কুরআনের ভূল ধরতে হলে আগে আরবী ভালা জানতে হবে। তা না হলে আপনি কখনই কুরআন ভূল নাকি শুদ্ধ সেটা বুঝতে পারবেন না।

যৌক্তির এবং বৈজ্ঞানিক উত্তরঃ
বাংলা শব্দের ভান্ডার কম সেটা ঠিক আছে কিন্তু তার মানে এটা নয় যে কুরআনের অনুবাদ বাংলা ভাষা দিয়ে করা যাবে না। পৃথিবীর সব ভাষাকেই বাংলা ভাষা দিয়ে অনুবাদ করা যায়। এবং মানুষ সেটা অনেক আগে থেকেই অত্যন্ত স্বার্থকতার সাথে করে এসেছে। বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডারে যথেষ্ট পরিমাণ শব্দ রয়েছে যা দিয়ে পৃথিবীর যে কোন ভাষাকেই অনুবাদ করা যায়। কিছু ক্ষেত্রে হয়তো ১০০% সঠিক ভাবে অনুবাদ করা যায় না তবে ৯৯.৯৯% সঠিক ভাবে অনুবাদ করা সম্ভব।

Tuesday, January 5, 2016

আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর। (পর্ব ৫)



আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নঃ
আল্লাহ কুরআনের মধ্যে ভালো খারাপের বর্ণনা করে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেছেন,
"হে নবী ভালো আর মন্দ কখনো এক হতে পারে না।"
আল্লাহ আরও বলেছেন যে, ভালোর সাথে খারাপ হওয়া উচিৎ না।
কুরআন ভালো মন্দের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করেছে। কোন মানুষের মধ্যে নয়। আর তাই কুরআনই ভালো খারাপ নির্ণয় করেছে। তা না থাকলে মানুষ ভালো খারাপের পার্থক্য করতে পারতো না। আর তাই ইসলামই নৈতিকতার একমাত্র উৎস।

যৌক্তির এবং বৈজ্ঞানিক উত্তরঃ
ভালো আর মন্দ যে এক নয় এটা একটা স্বাধারণ কথা ভালোর বিপরীত হচ্ছে খারাপ আর এটা বলার জন্য কুরআনের মতো প্রাচীন একটা গ্রন্থের আমদানির প্রয়োজন নেই সবাই জানে ভালো আর খারাপ ভিন্ন বিষয়

Monday, December 28, 2015

আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর। (পর্ব ৪)




আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নঃ
জ্যোতির্বিদ Laura Danly টিভি স্ক্রীনের Alex Fellopinco’ সাথে যোগাযোগ করতে চাচ্ছে। তার নাম ধরে ডাকছে। অর্থাৎ Laura টিভি স্কিনের বাইরে দাড়িয়ে টিভির পর্দায় ফোটে ওঠা Alex-এর নাম ধরে ডাকছে। কিন্তু Alex শুনছে না। তাই সাড়া দিচ্ছে না। এর কারণ Laura অবস্থান করছে 3-dimension এ। কারণ তার দৈর্ঘ্য, প্রশ্ন এবং উচ্চতা সবই আছে। অন্যদিকে Alex অবস্থান করছে 2-dimension এ। কারণ টিভি স্ক্রীণে তার কেবল দৈর্ঘ্য প্রস্থ আছে। Laura' মত Alex-এর (যে টিভি স্কিনে উপস্থিত) একটি মাত্রাউচ্চাতা নেই। Alex এর ১টি ডাইমেনশান কম। তাই তাদের পরষ্পরের সাথে যোগাযোগ হচ্ছে না। Alex, Laura-কে দেখতে পারছে না। কারণ সে -মাত্রায় বন্দী। আর Laura, Alex-কে দেখছে। এবং তার কথা শুনতেও পাচ্ছে। সে আছে উপরের মাত্রায়। আর Alex আছে নিচের মাত্রায়। সে Laura-কে দেখতে পারছে না। শুনতেও পারছে না।

Saturday, December 26, 2015

আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নের যৌক্তির ও বৈজ্ঞানিক উত্তর। (পর্ব ৩)



আস্তিকদের অযৌক্তিক, কুযৌক্তিক, অপযৌক্তিক এবং অপ-বৈজ্ঞানিক প্রশ্নঃ
কুরআনে বলা আছে যে আকাশ ছিল ধুম্রকুঞ্জ; এবং বিগ ব্যাং থিউরীতেও বলা হয়েছে যে, বিগ ব্যাং এর পূর্বে বিশ্বজগতের সব উপাদান ছিল বায়বীয় অবস্থায়। আর তাই ১৪০০ বছর পূর্বে কুরআনের পক্ষে তখনই বিগ ব্যাং সম্পর্কে জানা সম্ভব যদি সেটা সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত গ্রন্থ হয়। আর তাই কুরআন সত্যই সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত গ্রন্থ।

যৌক্তির এবং বৈজ্ঞানিক উত্তরঃ
এই দাবীটি প্রায় সব উদিয়মান শিক্ষিত (নাকি কুশিক্ষিত) মুসলমানরা করে থাকে। তারা যেমন বিগ ব্যাং থিউরীটা ভালো করে জানে না শুধুমাত্র কিছু ইসলামী (কু) পন্ডিতদের বই পড়ে বিগ ব্যাং সম্পর্কে জেনেছে, ঠিক তেমনি তারা কুরআনের যে আয়াতটিতে এই কথাটি বলা আছে সেটাও নিজের চোখে পড়ে দেখেনি। ফলে তারা বিগ ব্যাং এবং কুরআনের আয়াতটি সম্পর্কে না জেনেই অথবা একটু আদটু জেনেই গলা উচিয়ে উক্ত অজ্ঞতাসূচক ভ্রান্ত দাবীটি করে থাকে।