পৃথিবীর তাবৎ ধর্মের মতো খ্রিস্টানরাও নিজেদেরকে সত্য ধর্মের অনুসারী মনে করে। আর তারা এটাও বলে যে, যারা খ্রিস্ট ধর্ম
ছাড়া অন্য ধর্মকে অনুসরণ করে তারা সরাসরি নরকে যাবে এবং অনন্তকাল ধরে নরকের যন্ত্রনা
(অত্যাচার) সহ্য করবে। খ্রিস্টানদের ধর্মীয় গ্রন্তের নাম বাইবেল। খ্রিস্টানদের দাবী এতে তাদের সৃষ্টিকর্তার
(জেহোবা অথবা ফাদার, সান ও হোলি স্পিরিটের ট্রিনিটি গড) বানী অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বাইবেলের কথা বা ধারণাগুলো
স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত। বাইবেল দুই খন্ডে বিভক্ত। পুরাতন নিয়ম বা ওল্ড টেস্টামেন্ট হলো মুজেস
(ইহুদী নবী ও মুসলমানদের নবী মুসা) এর উপর আবর্তিত ওহী গ্রন্থ (যাকে 'তৌরাত'ও বলা হয়)। এবং নতুন নিয়ম বা নিউ টেস্টামেন্ট জেসাস ক্রাইস্টের (মুসলমানদের ঈসা নবীর) উপর
আবির্ভুত ঔহী গ্রন্থ (যাকে ইঞ্জীল শরীফও
বলা হয়)।
বাইবেল যদি সৃষ্টিকর্তার বানী সংকলন হয়ে থাকে তবে অবশ্যই বাইবেলের বাণী বা কথাগুলো
হবে সত্য ও বাস্তবসম্মত। যদি বাইবেলের কথাগুলো ভুল ও পরস্পর বিরোধী হয় তবে এটা সর্বজ্ঞানী
সৃষ্টিকর্তার বানী হবে না।
এই পর্বগুলোতে বাইবেলকে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত বিশ্লেষণ করা হবে। এবং বাইবেলের যাবতীয়
ভূল ও পরস্পর বিরোধীতাগুলো উপস্থাপন করা হবে।
শুরু করা যাক পুরাতন নিয়ম বা ওল্ড টেস্টামেন্ট-এর প্রথম পুস্তক জেনেসিস থেকে।
পুরাতন নিয়ম বা ওল্ড টেস্টামেন্ট-এর প্রথম পুস্তক হলো জেনেসিস বা বিশ্বজগতের সৃষ্টি। এটি প্রথমে আলাদা পুস্তক
আকারে ছিল এবং পরে বাইবেলের পুরাতন নিয়মের প্রথম পুস্তক হিসেবে যুক্ত হয়েছে।