Translate

Search This Blog

বিশেষ সতর্কবার্তাঃ

এই ব্লগটি নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, সন্দেহবাদী, মুক্তমনা এবং স্বাধীনচেতা মানুষদের জন্য। যারা যেকোন বিষয়ের সমালোচনা সহ্য করার মত ক্ষমতা রাখে। যদি কোন ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিক এই ব্লগটিতে আসে তবে তার ধর্মানুভূতি নামের অদ্ভূত দূর্বল অনিভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হলে ব্লগ লেখক দায়ী থাকবে না। ধার্মিক, গোড়া ধার্মিক আস্তিকদের নিজ দায়িত্বে তাদের দূর্বল ধর্মানুভূতিকে সংরক্ষনের দায়িত্ব নিতে হবে। কারো ধর্মানুভূতি নামের অযৌক্তিক অনুভূতি আহত হবার জন্য কোন ক্রমেই ব্লগার বা লেখককে দায়ী করা যাবে না। যদি কোন অতি দুর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগে ভূল করে ঢুকে পরেন এবং তিনি তার অনুভূতিকে দূর্বল ভাবেন অর্থাৎ যিনি তার ধর্মের উপযুক্ত সমালোচনা সহ্য করতে অপারগ, তাকে বিনীত ভাবে এই ব্লগটি থেকে প্রস্থান করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এর পরেও যদি কোন দূর্বল ধর্মানুভূতি সম্পন্ন ব্যাক্তি এই ব্লগটিতে ঘুরাফেরা করেন এবং তার ফলে তার দূর্বল ধর্মানুভূতিতে আঘাত প্রাপ্ত হন তবে কোন ক্রমেই এবং কোন ক্রমেই ব্লগের মালিক, 'আমি নাস্তিক' দায়ী থাকবে না।

Tuesday, November 17, 2015

কোরআনের বর্ণনায় সমতল পৃথিবী - পর্ব ৩

কোরআনের বর্ণনায় সমতল পৃথিবী - পর্ব  
পর্ব -এর পর থেকে...
আর পৃথিবী যে সমতল সেটা নিচের আয়াত থেকে আরো স্পষ্ট হওয়া যাবে ;
(১৮). সুরা আল কাহফ; আয়াত ৮৬ ৯০ :
         "অবশেষে যখন সূর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সূর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন l আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন l"
      "অবশেষে  তিনি যখন সূর্যের উদয়াচলে পৌছলেন, তখন তিনি তাকে এমন এক সম্প্রদায়ের উপর উদয় হতে দেখলেন, যাদের জন্য সূর্যতাপ থেকে আত্বরক্ষার কোনো আড়াল আমি সৃষ্টি করিনি l"
 

Monday, November 16, 2015

কোরআনের বর্ণনায় সমতল পৃথিবী - পর্ব ২



কোরআনের বর্ণনায় সমতল পৃথিবী - পর্ব

পর্ব ১-এর পর থেকে...
(১৩). সুরা রাদ; আয়াত :
      তিনিই ভূমন্ডলকে বিস্তৃত করেছেন এবং তাতে পাহাড় নদ-নদী স্থাপন করেছেন এবং প্রত্যেক ফলের মধ্যে দু'দু প্রকার সৃষ্টি করেছেন l তিনি দিনকে রাত্রি দ্বারা আবৃত করেন l এতে তাদের জন্য নিদর্শন রয়েছে, যারা চিন্তা করে l

(১৩). সুরা রাদ; আয়াত :
      "তিনিই ভুতলকে বিস্তৃত করেছেন এবং ওতে পর্বত নদী সৃষ্টি করেছেন এবং প্রত্যেক প্রকারের ফল সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়; তিনি দিবসকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত করেন; এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে l" (অনুবাদ- প্রফেসর : মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান)

(১৩). সুরা রাদ; আয়াত :
      "আর তিনিই সেইজন যিনি পৃথিবীকে বিস্তৃত করেছেন, আর তাতে স্থাপন করেছেন পর্বতমালা নদ-নদী l আর প্রত্যেক ফলের ক্ষেত্রে- তার মধ্যে তিনি সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায় দুটি-দুটি l তিনি রাত্রিকে দিয়ে দিনকে আবৃত করেন l নি:সন্দেহ এতে সাক্ষাত নিদর্শন রয়েছে সেই লোকদের জন্য যারা চিন্তা করে l" (অনুবাদ:- : জহুরুল হক)

Saturday, November 14, 2015

কোরআনের বর্ণনায় সমতল পৃথিবী - পর্ব ১




 
প্রথম অধ্যায়
কোরআন সমতল পৃথিবী
বিছানা বা কার্পেট আকার পৃথিবী এবং প্রশস্তভাবে বিস্তৃত পৃথিবী
পৃথিবীর সব ধর্মের মতই ইসলাম ধর্মের অনুসারীরা বলে থাকে যে তাদের বিশ্বাসের মূল ভিত্তি অর্থাত কোরআন বৈজ্ঞানিকভাবে সত্য l আর এই কোরআনে কোনো ভুল নেই l এবং কোরআন সম্পূর্ণ রূপে বিজ্ঞানের সাথে একমত l
কিন্তু আমরা যদি কোরআন নিয়ে যাচাই করে দেখি তখন আমরা স্পষ্টভাবেই দেখি যে এতে প্রচুর ভুল রয়েছে অন্যান্য ধর্ম গ্রন্থগুলোর মত l
কিন্তু তার পরও মুসলমানরা তাদের দাবি করে থাকে যে কোরআনে যেভাবে বলা হয়েছে সেটা আধুনিক বিজ্ঞান-এর সাথে সম্পূর্ণ একমত l
এই দাবির বিরুদ্ধে অনেক আগে থেকেই অভিযোগ উঠে আসছে এবং এখনো অভিযোগ হচ্ছে যে কোরআনে অনেক ভুল কথা বা তথ্য দেয়া আছে যেটা প্রাচীন মানুষের ভ্রান্ত ধারণা সাথে পুরোপুরি মিলে যায় l যেমন কোরআন যেসময়ে লেখা হয়েছে সেসময়ে মানুষ বিশ্বাস করতো যে আমাদের এই পৃথিবী সমতল l আমাদের উপর ছাদের মত করে তৈরী করা হয়েছে শক্ত এবং মজবুতভাবে স্থাপিত আকাশ l শুধু তাই নয় তারা বিশ্বাস করতো আকাশের উপরে আছে আরেকটা আকাশ ; এবং তার উপর আরেকটা আকাশ l এভাবেই পর পর সাতটা আকাশ স্থাপিত হয়েছে উর্ধাকাশে l
সেসময় মানুষ বিশ্বাস করতো যে সমতল পৃথিবী হাওয়ার উপর শুন্যে ভেসে আছে l এবং এটি মাঝে মাঝেই কোনো এক দিকে কাত হয়ে অথবা হেলে পড়ে যেতে থাকে l আর তাই এর উপর পাহাড়-পর্বত স্থাপিত হয়েছে এবং এর ভারসাম্য রক্ষা করা হয়েছে l আর তাই পৃথিবী হেলে-দুলে উঠে না বা কোনো দিকে কাত হয়ে বা ঢলে পড়ে যায় না l পাহাড়-পর্বত স্থাপনের ফলেই পৃথিবী ভারসাম্য রক্ষা করে স্থির হয়ে শুন্যে ভাসছে l কেউ কেউ বিশ্বাস করতো সমতল পৃথিবীকে ধরে রেখে আছে কোনো দানব অথবা কোনো দানব আকৃতির কচ্ছপ l আর এর উপর স্থাপিত পৃথিবী মাঝে মাঝে ভারসাম্য হারিয়ে এদিক ওদিক হেলে বা দুলে উঠে l আর এর ফলেই ভূমিকম্প হতে থাকে l